সরস্বতী পুজোর দিন থেকে নিখোঁজ ছাত্রীর দেহ মিলল রেললাইনের ধারে

প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ পরিবারের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: সরস্বতী পুজোর দিন স্কুলে যাবে বলে বেরিয়েছিল বাড়ি থেকে। তারপর থেকেই আর খোঁজ মিলছিল না তার। দু’দিন পর শনিবার রেললাইনের ধার থেকে মিলল ছাত্রীর দেহ। তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।

    রাজাপুর থানার সুমদা গ্রামে বাড়ি ওই স্কুলছাত্রীর। বাগনানের বিএনএস হাইস্কুলে ক্লাস ইলেভেনে পড়ত সে। তার বাবা জানান, সরস্বতী পুজোর দিন স্কুলে যাবে বলে সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল তাঁর মেয়ে। সন্ধে পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তাঁরা স্কুলে যান খোঁজ নিতে। স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন এ দিন স্কুলে যায়নি সে। তারপরেই বন্ধু ও আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ নেন। কোথাও মেয়ের খোঁজ মেলেনি।

    তিনি বলেন, “রাতে আমরা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি। আমার মেয়ের সবথেকে কাছের বন্ধুকে বারবার জিজ্ঞাসা করায় সে জানায়, একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আমার মেয়ের। তার সঙ্গেই ঘুরতে গেছে। পরে সেই ছেলেটিকে খুঁজে বার করে আমরা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। আমার মেয়ে যে সরস্বতী পুজোর দিন তার সঙ্গে ছিল, সে কথা স্বীকার করেছে ওই ছেলেটি।”

    শনিবার রাতে রেলপুলিশের থেকে তাঁরা খবর পান বাগনান স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ধার থেকে এক কিশোরীর দেহ পাওয়া গেছে। উলুবেড়িয়া মর্গে গিয়ে দেহ সনাক্ত করে ছাত্রীর পরিবার। ওই ছাত্রীর বাবার দাবি, যে ছেলেটির সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল, সেই দলবল নিয়ে তাদের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করেছে।

    রাজাপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে এই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে রবিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় উলুবেড়িয়া। ধৃতদের গ্রেফতারের দাবিতে পথ অবরোধ করে নিহতের পরিজন ও পড়শিরা।
    রাস্তা অবরোধ করা তুলতে গেলে রাজাপুর থানার পুলিশের সঙ্গে লেগে যায় খন্ডযুদ্ধ ।পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি । বোমা ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More