জেলে বসেই বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে মারার ষড়যন্ত্র, শান্তিনিকেতনে ধৃতদের জেরা করে মিলল তথ্য

পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, নানুরের তৃণমূল নেতা কাজল শেখকে মারার চক্রান্ত করেছিল ধৃতরা। তাদের জেরা করে এ পর্যন্ত মোট ১০ জন চক্রান্তকারীর নাম উঠে এসেছে। মূল চক্রীর খোঁজ পেতে তাঁদের আরও জেরা করা প্রয়োজন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: জেলার তৃণমূল নেতাকে খুন করতে আসা চার বাংলাদেশি সুপারি কিলার এবং দুই চক্রান্তকারীকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বোলপুর আদালতের বিচারক। তাঁদের জেরা করে পুরো বিষয়টি জানার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। বিচারক তা মঞ্জুর করেন। পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, নানুরের তৃণমূল নেতা কাজল শেখকে মারার চক্রান্ত করেছিল ধৃতরা। তাদের জেরা করে এ পর্যন্ত মোট ১০ জন চক্রান্তকারীর নাম উঠে এসেছে। মূল চক্রীর খোঁজ পেতে তাঁদের আরও জেরা করা প্রয়োজন।

ধৃত বাংলাদেশিদের নাম রফিক ফকির, মুরাদ মুন্সি, দিলওয়ার মিয়া ও মহম্মদ বিলাল হোসেন। রফিকের বাড়ি রয়ারবাগে। মুরাদের বাড়ি রামপুর। ধৃত দিলওয়ার ও মহম্মদ বিলাল হোসেন খিলিগা এলাকার বাসিন্দা। এই তিনটি এলাকাই ঢাকা জেলায়। অন্যতম চক্রান্তকারী সৈয়দ আনোয়ারের বাড়ি শান্তিনিকেতন থানার খোসকদমপুর, শেখ কাজলের বাড়ি বোলপুর থানার মিরাপাড়ায়।

মেদিনীপুর সংশোধনাগারে বন্দি সিয়ান হসপিটাল পাড়ার বাসিন্দা ভুতুর খান্দেকার, নানুরের জিয়াপাড়ার বাসিন্দা ভুলন শেখ ওরফে রাজু এবং লাভপুর থানার গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা মেহেরুল শেখও এই চক্রান্তে জড়িত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। জেলে বসেই ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছিল তারা। সূত্রের খবর, নানুর এলাকা তৃণমূলের নেতা কাজল শেখের সঙ্গে সমস্যার কারণে এলাকাছাড়া ছিল ধৃতরা। সেই বদলা নিতেই সুপারি কিলার দিয়ে খুনের চক্রান্ত।

শান্তিনিকেতন থানার তালতোর এলাকা থেকে ছয় দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বেশ কয়েকটি নাইন এম এম পিস্তল। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বিস্ফোরকও। এক তৃণমূল নেতাকে মারতেই দুষ্কৃতীদের সুপারি দেওয়া হয়েছিল, এটা জানার পরেই  চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় গোটা জেলাজুড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের পিছনে আরও কেউ রয়েছে। তাদের খুঁজে বের করতেই ধৃতদের আরও জেরা করা দরকার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More