চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরেই স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর সার্ভিস বুক তৈরি হচ্ছে গরুমারায়

২৪ জুন গরুমারা ওয়াইল্ড লাইফ ডিভিশনে কাজে যোগ দেয় অরল্যান্ডো। আর সে দিন থেকেই শুরু হয় গেছে ডিএফও নিশা গোস্বামীর তত্ত্বাবধানে অরল্যান্ডোর সার্ভিস বুক তৈরির কাজ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়ার ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: মূর্তি আর রায়ডাক নদীর তীর বরাবর ৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে গরুমারা জাতীয় উদ্যান। এখানে রয়েছে ৫০ টির বেশি একশৃঙ্গ গন্ডার, হাতি, বাইসন-সহ আরও নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী। বন্যপ্রাণীদের দেহাংশের লোভে বারবার জঙ্গলে হানা দেয় চোরাশিকারীরা। কখনও শৃঙ্গের লোভে খুন করে গন্ডার। কখনও দাঁতের লোভে তাদের নিশানা হয় হাতি। এতদিন বনকর্মীদের সঙ্গে বন পাহারার দায়িত্ব ছিল হাতিদের উপর। এ বার বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষার জন্য আনা হল স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে। ২৪ জুন গরুমারা ওয়াইল্ড লাইফ ডিভিশনে কাজে যোগ দেয় অরল্যান্ডো। আর সে দিন থেকেই শুরু হয় গেছে ডিএফও নিশা গোস্বামীর তত্ত্বাবধানে অরল্যান্ডোর সার্ভিস বুক তৈরির কাজ।

নিশা গোস্বামী জানান, বেলজিয়ান ম্যালিনয় প্রজাতির ১৭ মাস বয়সী এই স্নিফার ডগটি এখন থেকে গরুমারা ওয়াইল্ড লাইফ ডিভিশনে সর্বক্ষণের একজন কর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিল। চাকরিতে জয়েন করা থেকে অবসর নেওয়া পর্যন্ত প্রত্যেকের চাকরি জীবনে ভালো ও খারাপ কাজের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় সার্ভিস বুকে রেকর্ড করা হয়। এই নিয়ম তাঁর ক্ষেত্রে বা সমস্ত বনকর্মী ও আধিকারিকদের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য তেমনই বন দফতরের কর্মী হাতিদের ক্ষেত্রেও। তিনি বলেন, ‘‘জঙ্গল সুরক্ষার কাজে যোগ দেওয়ার পর তাদের আমাদের মতো সার্ভিস বুক তৈরি করা হয়। যার মধ্যে হাতিদের বিভিন্ন অ্যাচিভমেন্ট উল্লেখ থাকে। এবার গরুমারা জাতীয় উদ্যানে গত ২৪ শে জুন কাজে যোগ দিল অরল্যান্ডো নামের স্নিফার ডগটি। সেও আমাদের অন্যতম সেরা সম্পদ। এবার তার সার্ভিস বুক তৈরি করা হচ্ছে। যার মধ্যে তার যাবতীয় সাফল্যের খতিয়ান ধরা থাকবে।’’

কীভাবে তাঁরা কাজে লাগাবেন অরল্যান্ডো কে?

এই প্রশ্নের উত্তরে ডিএফও বলেন, ‘‘অরল্যান্ডোর প্রশিক্ষণের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তাকে কাজে লাগানোর জন্য দুজন বনকর্মীকেও প্রশিক্ষণ করিয়ে এনেছি। এরা অরল্যান্ডোর সঙ্গে সারাক্ষণ থাকবেন। তার রুটিন ট্রেনিং ও শারীরিক কসরত করাবেন। ট্রেনিংয়ের সময়েই প্রাণী দেহাংশ খোঁজার ব্যাপারে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে অরল্যান্ডোকে। ফলে জাতীয় উদ্যানে কোনও চোরাশিকারের ঘটনা ঘটলে অরল্যান্ডো অপরাধীদের ঠিক খুঁজে বের করবে।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More