আউশগ্রামে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে ঢোকার রাস্তা জলের নীচে, এলাকায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রতি বর্ষায় বৃষ্টি বাড়লেই এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ঢোকার রাস্তাটি ডুবে যায়। সেই জলমগ্ন রাস্তা পেরিয়ে বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হয়। সমস্যায় পড়েন ছাত্রছাত্রীরা। এখন করোনা আবহে স্কুল বন্ধ। তাই ছাত্রছাত্রীরা আসে না। কিন্তু  স্কুলে চাল আলু বিতরণ হলে এই জলের মধ্যে দিয়ে গিয়েই তা সংগ্রহ করতে হচ্ছে অভিভাবকদের।

১৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: আউশগ্রামের বেলাড়িতে জলমগ্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ঢোকার রাস্তা। ফলে চাল আলু বিলি হলেই তা নিতে এসে চূড়ান্ত নাকাল হন বাসিন্দারা।  তাই ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। অবিলম্বে বিকল্প  রাস্তা তৈরির দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলাড়ি এলাকায় এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি অবস্থিত। আগে অন্য এলাকায় ছিল এই কেন্দ্রটি। যাতায়াত এবং অন্যান্য অসুবিধার কারণে পরে স্থানান্তরিত হয়। ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে এই কেন্দ্রটিকে নতুন করে তৈরি করা হয়। কিন্তু বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই কেন্দ্র গড়ার সময় অপরিকল্পিতভাবে নিচু জমিতে তৈরি করা হয়। ফলে বছরের বেশ কয়েকমাস কেন্দ্রটিতে ঢোকার রাস্তা থাকে জলের নীচে।

প্রতি বর্ষায় বৃষ্টি বাড়লেই এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ঢোকার রাস্তাটি ডুবে যায়। সেই জলমগ্ন রাস্তা পেরিয়ে বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হয়। সমস্যায় পড়েন ছাত্রছাত্রীরা। এখন করোনা আবহে স্কুল বন্ধ। তাই ছাত্রছাত্রীরা আসে না। কিন্তু  স্কুলে চাল আলু বিতরণ হলে এই জলের মধ্যে দিয়ে গিয়েই তা সংগ্রহ করতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এতে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকায়। অভিভাবক ও এলাকার বাসিন্দারা চান অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা হোক। রাস্তা ঠিক করা হোক।

এই অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের অভিভাবিকা সুশীলা সাহানি। তার কথায়, ‘‘একটু বৃষ্টি হলেই জল পেরিয়ে আসতে হয় সবাইকে। বাচ্চাদের সমস্যা বেশি। প্রশাসন কিছু একটা ব্যবস্থা করুক।’’ আর এক বাসি‌ন্দা নুপূর দাস বলেন, ‘‘এই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র  তৈরির সময় এই সমস্যা হতে পারে এটা ভাবা উচিৎ ছিল। এখন তো জল জমলেই যন্ত্রণা বাড়ে।’’ স্থানীয় বাসিন্দা শিবপ্রসাদ ঘোষ বলেন, ‘‘জায়গাটা খুবই নিচু। এই বিষয়টার সমাধান জরুরি। নইলে স্কুল খুললে সমস্যা আরও বাড়বে। ভোগান্তিতে পড়বে খুদে ছাত্রছাত্রীরাও।

বিল্বগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান টুম্পা মেটে জানান, এই সমস্যার কথা বাসিন্দারা তাঁকে জানিয়েছেন। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন। নিশ্চই সমস্যার সমাধান হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More