ছাগল মেরেছে, তাই ১৪ ফুটের পাইথনকে বেঁধে রেখে শাস্তি জলপাইগুড়িতে

খুনিয়া রেঞ্জের রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত অমানবিক একটি ঘটনা। আমরা এর তদন্ত শুরু করেছি। আমরা বহুবার ওই এলাকায় সচেতনতা প্রচার করেছি। তারপরও কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল তা বুঝতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।’’

১২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: গ্রামে ঢুকে ছাগল মেরেছিল পাইথন। শাস্তি দিতে পাইথনটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখলেন গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে এসে সাপটিকে বাঁধনমুক্ত করল বন দফতর। অভিযুক্তদের খোঁজখবর শুরু করেছে খুনিয়া রেঞ্জের আধিকারিকরা।

সোমবার বিকেলে ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা বাগানে মডেল ভিলেজ এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি ১৪ ফুটের পাইথন। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে মডেল ভিলেজের বাসিন্দারা হঠাৎই ছাগলের চিৎকার শুনতে পায়। সেই আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখেন একটি বড় ছাগলকে পেঁচিয়ে ধরে রয়েছে বিশাল আকারের পাইথন। বাসিন্দারা কোনওভাবে টানাটানি করে ছাগলটিকে উদ্ধার করে। কিন্তু ততক্ষণে ছাগলটি মারা গেছে। এরপর এলাকাবাসী তাকে ধরে বেঁধে রেখে দেয়। পাইথনকে বেধে রাখা হয়েছে, এই খবর গ্রামে চাউর হতেই ছুটে আসে কচিকাঁচারা। খবর পেয়ে খুনিয়া রেঞ্জের বনকর্মীরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

খুনিয়া রেঞ্জের রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত অমানবিক একটি ঘটনা। আমরা এর তদন্ত শুরু করেছি। আমরা বহুবার ওই এলাকায় সচেতনতা প্রচার করেছি। তারপরও কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল তা বুঝতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। পাশাপাশি পাইথনটির শারীরিক পরীক্ষা চলছে। যদি বেঁধে রাখার জন্য তার কোনও ক্ষতি হয়ে থাকে তবে বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

এর আগে বহু ক্ষেত্রে পাইথন বা অন্য বিষধর সাপ লোকালয়ে চলে আসায় বন দফতর বা পরিবেশকর্মীদের খবর দিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। তাঁরা এসে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু এ বার এমন ঘটনা ঘটায় উদ্বিগ্ন বন দফতর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More