ব্যবসায়ীর অভিযোগের তদন্তে নেমে ১২টি চোরাই মোটরবাইক উদ্ধার, চক্রের অন্যদের খোঁজে ধৃতকে জেরা

বৈঁচি বেড়েলার বাসিন্দা অভিজিৎ শীল নামে এক ব্যবসায়ী এক সপ্তাহ আগে একটি মোটরবাইক কিনেছিল কার্তিক রায়ের কাছ থেকে। অভিজিতের অভিযোগ, মোটরবাইকটি নেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয় দু’দিন পরেই কাগজ দেওয়া হবে। কিন্তু তারপর থেকেই তাঁকে ঘোরাতে থাকে। তারপরেই সন্দেহ হওয়ায় বুধবার রাতে বৈঁচি ফাঁড়িতে গিয়ে পুলিশকে গোটা ঘটনা জানায় অভিজিৎ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: পুরোনো মোটরবাইক কিনে ফেলেছিলেন বৈঁচির ব্যবসায়ী। কিন্তু কাগজ চেয়েও পাননি। তারপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। আর তারপরেই কেঁচো খুড়তে কেউটে। তদন্তে নেমে বারোটি চোরাই মোটরবাইক উদ্ধা্র করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে কার্তিক রায় নামে বছর ছেচল্লিশের এক ব্যক্তিকে।

বৈঁচি বেড়েলার বাসিন্দা অভিজিৎ শীল নামে এক ব্যবসায়ী এক সপ্তাহ আগে একটি মোটরবাইক কিনেছিল কার্তিক রায়ের কাছ থেকে। অভিজিতের অভিযোগ, মোটরবাইকটি নেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয় দু’দিন পরেই কাগজ দেওয়া হবে। কিন্তু তারপর থেকেই তাঁকে ঘোরাতে থাকে কার্তিক। এমনকী মোটরবাইকটির মালিকের নামও জানায়নি সে। তারপরেই সন্দেহ হওয়ায় বুধবার রাতে বৈঁচি ফাঁড়িতে গিয়ে পুলিশকে গোটা ঘটনা জানায় অভিজিৎ।

বুধবার রাতেই অভিজিতের বাড়িতে তদন্তে যায় বৈঁচি ফাঁড়ির ইনচার্জ স্বরূপ মণ্ডল। জানতে পারে পান্ডুয়ার জামনা পঞ্চায়েতের গহমি এলাকায় বাড়ি কার্তিকের। অভিজিতের কাছ থেকে কার্তিকের ঠিকানা নিয়ে সেখানে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ১২টি চোরাই মোটরবাইক। পুলিশ জানতে পারে অভিজিৎ যে মোটরবাইকটি কার্তিকের থেকে কিনেছিল তার প্রকৃত মালিকের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানা এলাকায়। তদন্তের জন্য ধৃতকে ভাতার থানাও হেফাজতে নিতে চায়। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More