জলপাইগুড়ি হাসপাতালে শিশুবিভাগে চাঙড় খসে জখম ভর্তি থাকা শিশুর মা

শিশুটির বাবা সমীর বিশ্বাস বলেন ‘‘মারাত্মক ঘটনা। যেভাবে চাঙড় খসে পড়েছে তাতে আমার স্ত্রীর অনেক বড় আঘাত লাগতে পারত। বরাতজোরে বেঁচে গিয়েছে ও। আজকের এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে হাসপাতালে নজরদারির অভাব রয়েছে।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে খসে পড়ল চাঙড়। জখম হলেন ভর্তি থাকা এক শিশুর মা। ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভাবে সরব হয়েছে ওই শিশুটির পরিবার।

জলপাইগুড়ি শিল্পসমিতি পাড়ার বাসিন্দা সমীর বিশ্বাসের বছর খানেকের শিশুপুত্র শুভজ্যোতি বিশ্বাসের ব্লাড ইনফেকশন হওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়। বাচ্চার সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছেন সমীরবাবুর স্ত্রী সঙ্গীতা বিশ্বাস।

সঙ্গীতা জানান শনিবার দুপুরে বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর পর তিনি শৌচালয়ে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে কলে হাত পা ধোয়ার সময় আচমকাই এক বিশাল চাঙড় ছাদ থেকে হুড়মুড়িয়ে খসে পড়ে তার গায়ের ওপর। তিনি বলেন, ‘‘আচমকা চাঙড় খসে মাথায় পড়তেই আমি ভয়ে চেঁচিয়ে উঠি। আওয়াজ শুনে সবাই ছুটে আসে।’’ মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে তাঁর। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয় সঙ্গীতার।

শিশুটির বাবা সমীর বিশ্বাস বলেন ‘‘মারাত্মক ঘটনা। যেভাবে চাঙড় খসে পড়েছে তাতে আমার স্ত্রীর অনেক বড় আঘাত লাগতে পারত। বরাতজোরে বেঁচে গিয়েছে ও। আজকের এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে হাসপাতালে নজরদারির অভাব রয়েছে। শুধু চিকিৎসার বিষয়টি দেখলেই হবে না। হাসপাতাল ভবনের দেখভালও জরুরি।’’ তিনি জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশকেও লিখিত ভাবে জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার রমেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান এই বিষয়ে তাঁকে কেউ কিছু জানায়নি। তবে সংবাদমাধ্যমের কাছে খবর পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

এদিকে এই ঘটনায় ভর্তি থাকা অন্য রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যেও আতঙ্ক দেখা দেয়। হাসপাতাল ভবনের দেখভাল ঠিকমতো হয় না বলে তাঁদের অভিযোগ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More