ট্রান্সফর্মারে ধাক্কা মেরে পালানোর সময় হুগলিতে মা ও ছেলেকে পিষে দিল দুধের গাড়ি

শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ প্রচণ্ড গতিতে যাওয়ার সময় বেলমুড়ি গোলাবাড়ি এলাকায় এগারো হাজার ভোল্টের একটি ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মারে সজোরে ধাক্কা মারে একটি দুধের গাড়ি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে ওই তল্লাট। এলাকায় হইচই শুরু হাতেই গাড়ি ঘুরিয়ে দ্রুতগতিতে ধনিয়াখালির দিকে যাওয়ার সময় বেলমুড়ি এলাকায় মা ও ছেলেকে পিষে দেয় দুধের গাড়িটি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এগারো হাজার ভোল্টের ট্রান্সফর্মারে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার সময় মা ও ছেলেকে পিষে দিল একটি দুধের গাড়ি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। এলাকার মা‌নুষ তাড়া করে ধরে ফেলে গাড়িটিকে। বেধড়ক মারধর করে গাড়ির চালককে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় ধনিয়াখালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ প্রচণ্ড গতিতে যাওয়ার সময় বেলমুড়ি গোলাবাড়ি এলাকায় এগারো হাজার ভোল্টের একটি ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মারে সজোরে ধাক্কা মারে একটি দুধের গাড়ি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে ওই তল্লাট। এলাকায় হইচই শুরু হাতেই গাড়ি ঘুরিয়ে দ্রুতগতিতে ধনিয়াখালির দিকে যাওয়ার সময় বেলমুড়ি এলাকায় মা ও ছেলেকে পিষে দেয় দুধের গাড়িটি। বাড়ির সামনেই রাস্তার ধারে বসেছিলেন কল্পনা বাউল দাস (৬০) এবং তাঁর ছেলে বাপন বাউল দাস (১৯)। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। সেখান থেকে পুনরায় দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধনিয়াখালির বোসো এলাকায় একটি গাছে সজোরে ধাক্কা মারে গাড়িটি। সেখানেই এলাকার মানুষ গাড়িটিকে ধরে ফেলে। এরপরেই গণরোষ আছড়ে পড়ে। শুরু হয় চালককে মারধর। ভাঙচুর করা হয় গাড়িটি।

    ততক্ষণে মা ও ছেলের মৃত্যুর খবর চাউর হয়ে যায় গোটা এলাকায়। ক্ষুব্ধ জনতা ভিড় করেন সেখানে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধনিয়াখালি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ। অবশেষে মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। গাড়ির চালককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে পুলিশ।

    উত্তেজনা থাকায় এখনও ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুধের গাড়ি ট্রান্সফর্মারে ধাক্কা মারার পর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। বিদ্যুৎ ফেরাতে কাজ শুরু করেছে রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More