মোটা টাকায় স্ত্রীকে বিক্রি করার অভিযোগে ধুপগুড়িতে গ্রেফতার স্বামী

গ্রেফতার করা হল উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক ব্যক্তিকেও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি : মোটা টাকার বিনিময়ে স্ত্রীকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরূদ্ধে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ধুপগুড়িতে।

    ওই মহিলাকে নিয়ে যেতে উত্তরপ্রদেশের বেরিলি থেকে ধুপগুড়িতে এসেছিলেন গঙ্গাধর সিং নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে মহিলার স্বামী বাচ্চু আচার্য ও গঙ্গাধরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছে, ধুপগুড়ির ৫ নং ওয়ার্ডের সূর্যসেন কলোনির বাসিন্দা বাচ্চু আচার্যের সাথে শহরের বারোঘড়িয়া এলাকার বাসিন্দা বীণা ভট্টাচার্যের বিয়ে হয়েছিল ছ’বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই বাচ্চু তাঁর স্ত্রীর উপর অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। এই নিয়ে নিত্য অশান্তিতে দুজনের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। সম্প্রতি স্বামী স্ত্রী আলাদাই থাকতেন।

    মঙ্গলবার এলাকাবাসী জানতে পারেন মোটা টাকার বিনিময়ে বীণাকে তাঁর স্বামী বাচ্চু উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা গঙ্গাধর সিং নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। বীণাকে নিয়ে যেতে নাথুয়া এলাকার বাসিন্দা বাপী চক্রবর্তীর সঙ্গে ধুপগুড়ির সূর্যসেন কলোনির বাড়িতে এসেছে গঙ্গাধর। এরপর এলাকাবাসী ওই বাড়িতে চড়াও হয়। খবর দেয় মেয়ের দাদা এবং ধূপগুড়ি থানায়। থানা থেকে পুলিশ এসে বাচ্চু আচার্য ও গঙ্গাধর সিংকে আটক করে নিয়ে যায়। রাতে ধুপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বীণার পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করে ওই দুই অভিযুক্তকে।

    পুলিশ জানিয়েছে, বাচ্চু দাবি করেন, স্ত্রী যদি অন্য কোথাও বিয়ে করে সুখী থাকে তবে তাঁর আপত্তি নেই। টাকা নেওয়ার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। জেরা চলছে। অন্যদিকে গঙ্গাধর সিং সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান বিয়ে করতে নয়, বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি। অভিযুক্ত আরও কয়েকজনের খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার অভিষেক মোদী জানান, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মানব পাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More