ভাগলপুরে ফেরার বাস আটকে দিল ঝাড়খণ্ড, কাটোয়ায় ফেরত এসে হতাশ শ্রমিকরা

কাজে এসে আটকে পড়া বিহারের ভাগলপুরে বাসিন্দা ১৬০ জনের দলটিকে ঘরে ফেরানোর চেষ্টা করেছিল কাটোয়া প্রশাসন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কাটোয়ার মহকুমা প্রশাসন উদ্যোগী হলেও ঘরে ফেরা হলো না বিহারের ভাগলপুরের ১৬০ জন শ্রমিকের। রাজ্য পরিবহণ দফতরের বিশেষ দুটি বাসে করে বুধবার রাতে বিহারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল ওই শ্রমিকদের। কিন্তু ঝাড়খণ্ড  সীমান্ত থেকে ফের তাঁদের কাটোয়ায় ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হল। আপাতত কাটোয়াতেই ঠাঁই হয়েছে তাঁদের।

    প্রতি বছরের মতন এবারও বিহারের ভাগলপুর জেলার মহেশপুর থেকে কালনার পূর্বস্থলী থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামে চাষের কাজ করতে এসেছিলেন ৭২ জন মহিলা ও ১৯ টি শিশু সহ ১৬০ জন শ্রমিকের একটি দল। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে বিপাকে পড়ে যায় দলটি। কাজ ও আশ্রয় হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই নিজের ঘরে ফেরার রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায় ওই শ্রমিকদের।

    গত শনিবার রাতে লক্ষ্মীপুর গ্রাম থেকে দলটি কাটোয়া স্টেশনে পৌঁছয়। কিন্তু ভাগলপুর যাওয়ার কোনও ট্রেন না পেয়ে কাটোয়া স্টেশন চত্বরেই আশ্রয় নেয়। রেল পুলিশের মাধ্যমে সেই খবর পেয়ে শ্রমিকদলের দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা করে কাটোয়া পুরসভা। বুধবার সন্ধ্যায় কাটোয়ার মহকুমাশাসক প্রশান্ত রাজ শুক্লা ও এসডিপিও ত্রিদিব সরকারের উদ্যোগে রাজ্যের পরিবহণ দফতরের দুটি বাসে শ্রমিকদের ওই দলটিকে ভাগলপুরের দিকে রওনা করিয়ে দেওয়া হয়। স্বস্তির শ্বাস ফেলেন ওই শ্রমিকরা।

    কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না সন্তোষ কুমার, মিনা দেবীদের। তাঁদের বাস ঝাড়খণ্ড সীমান্তে পৌঁছাতেই ওই রাজ্যের প্রশাসন বাস আটকে দেয়। বাধ্য হয়ে ওই শ্রমিকদের নিয়ে কাটোয়ায় ফেরত আসে বাস দু’টি। খবর পেয়ে কাটোয়ার মহকুমা প্রশাসন আপাতত সেখানকার কমিউনিটি হলে ওই শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা করে। সেই সঙ্গে প্রশাসনের তরফ থেকে ওই শ্রমিকদের খাবার ও চিকিৎসারও ব্যবস্থা করা হয়। মাথা উপর ছাদ ও খাবারের ব্যবস্থা হলেও স্বস্তি পারছেন না ভাগলপুরের দলটি। ঘরে ফেরার জন্য রীতিমতো কাতর হয়ে পড়েছেন তাঁরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More