লাগাতার বৃষ্টিতে জলমগ্ন রায়গঞ্জ, ডক নদীর বাঁধে একাধিক ফাটল ধরায় আতঙ্কে চোপড়া

পাহাড়ের অতি ভারী বৃষ্টির জল দ্রুত নেমে আসলে নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা গ্রাস করেছে চোপনার মানুষকে। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন বলেন,‘‘নদীবাঁধের একাধিক জায়গায় ফাটল ধরার খবর পেয়েছেন তাঁরা। দ্রুত সেই ফাটল মেরামতের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।’’

৪০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর: প্রায় ১৫ দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টি চলছে চোপড়ায়। জল বাড়ছে ডক নদীতে। সংলগ্ন বাঁধের বেশ কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।

পাহাড়ের অতি ভারী বৃষ্টির জল দ্রুত নেমে আসলে নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা গ্রাস করেছে চোপনার মানুষকে। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন বলেন,‘‘নদীবাঁধের একাধিক জায়গায় ফাটল ধরার খবর পেয়েছেন তাঁরা। দ্রুত সেই ফাটল মেরামতের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।’’

গত ১৫ দিন ধরেই চোপড়ায় লাগাতার বৃষ্টি হয়ে চলেছে। মঙ্গলবার থেকে হচ্ছে অতি ভারী বৃষ্টি। ফলে ইতিমধ্যেই চোপড়া ব্লকের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভেঙেছে কালভার্ট, রাস্তা। ভাঙনের মুখে পড়ছে বেশ কিছু বাড়িঘর। ইতিমধ্যেই চা বাগান, আনারস বাগান, ধানের ক্ষেত প্লাবিত হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাসিন্দারা। রবীন্দ্র নগর কলোনী এলাকায় বাঁধের ফাটলগুলো মেরামতি না করলে সমস্যা প্রবল আকার নিতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

লাগাতার বৃষ্টিতে প্লাবিত রায়গঞ্জের একাধিক ওয়ার্ডও। জল জমে গেছে রায়গঞ্জের প্রাণকেন্দ্র বীরনগর এলাকার বিদ্রোহী ক্লাবের আশেপাশে। জল জমেছে শহরের রবীন্দ্রপল্লি, শক্তিনগর ও বন্দর এলাকায় দেবীনগরের কিছু অংশে। লাগাতার ৩ দিন ধরে বৃষ্টি চলছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে প্রায় ৪ ঘণ্টা অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয় রায়গঞ্জ শহরে। ফলে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে শহরের একাধিক এলাকা।

রায়গঞ্জ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম সরকার বলেন, ‘‘বৃষ্টি থামলে চার ঘণ্টার মধ্যে জল নেমে যাবে। তবে  আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাষ মেনে যদি শুক্রবারেও বৃষ্টি না কমে, তবে সমস্যা হতে পারে।’’ চলতি মরসুমে লাগাতার অতিবৃষ্টিতে অন্তত তিনবার প্লাবিত হয়েছে রায়গঞ্জ। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম সরকার দাবি করেন, যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করবার জন্য তৈরি আছে পুরসভা। এখন বৃষ্টি কখন থামে, সে দিকেই তাকিয়ে রায়গঞ্জ শহরের বাসিন্দারা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More