সুপারি বোঝাই ট্রাক হাইজ্যাক কাণ্ডে ধৃত যুব তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মাদারিহাট এলাকা থেকে হাইজ্যাক হয় ৪০ লক্ষ টাকার সুপারি বোঝাই একটি লরি। ৩ মার্চ ওই যুব নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল সেই লরি। এই ঘটনায় দু’জন গ্রেফতার হলেও গা ঢাকা দেন তৎকালীন যুব তৃণমূলের জেলা কমিটির ওই সদস্য।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: শেষরক্ষা হল না। দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকার পর সোমবার গভীর রাতে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন বহিষ্কৃত তৃণমূল যুব নেতা প্রশান্ত সরকার ওরফে পিকি। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে খোঁজ চলছিল ৪০ লক্ষ টাকার সুপারি বোঝাই লরি হাইজ্যাক কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের। অবশেষে গোপন খবরের ভিত্তিতে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টিম সোমবার রাতে গ্রেফতার করে মালকানি এলাকার ওই বাসিন্দাকে।

    রাতেই তাঁকে মাদারিহাট নিয়ে যাচ্ছে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের একটি টিম। জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা সুত্রে এই খবর পাওয়া গেছে।

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মাদারিহাট এলাকা থেকে হাইজ্যাক হয় ৪০ লক্ষ টাকার সুপারি বোঝাই একটি লরি। ৩ মার্চ ওই যুব নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল সেই লরি। এই ঘটনায় দু’জন গ্রেফতার হলেও গা ঢাকা দেন তৎকালীন যুব তৃণমূলের জেলা কমিটির ওই সদস্য।  জলপাইগুড়ি সদর ১ নম্বর ব্লক কমিটির সভাপতি ছিলেন প্রশান্ত।

    গত লোকসভা নির্বাচনে জলপাইগুড়ির ঘুঘুডাঙা এলাকায় একটি বুথে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল প্রশান্তর বিরুদ্ধে। বেআইনিভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা, নারী নির্যাতন, টাকা আত্মসাৎ সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এই যুব নেতা। তখন যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৈকত চ্যাটার্জী জানিয়েছিলেন, প্রশান্তর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, টাকা আত্মসাৎ-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় দল তাঁকে গত ১৫ দিন আগে বহিষ্কার করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More