পাগড়ি কাণ্ডে হাওড়া থানায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের দিল্লি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির

সোমবার বিকালে দিল্লি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির সভাপতি মনজিন্দর সিং শীর্ষ হাওড়া থানায় পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন। আগামীকাল বলবিন্দরের জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান।

৪৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: পাগড়ি কাণ্ডে নতুন মোড়। দোষী পুলিশ অফিসারদের শাস্তির দাবিতে সোমবার বিকালে দিল্লি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির সভাপতি মনজিন্দর সিং শীর্ষ হাওড়া থানায় পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন।

তাঁর অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার বিজেপির নবান্ন অভিযানের সময় হাওড়া ময়দানে পুলিশ শিখ যুবক বলবিন্দর সিংকে বেধড়ক মারধর করে এবং তার পাগড়ি টেনে খুলে দেয়। এই ঘটনায় শিখদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা চাই পুলিশ ২৯৫ ধারায় মামলা শুরু করুক। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্যে ওই যুবককে নিয়ে টানাহেঁচড়া করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে রাজনীতি হোক তা আমরা চাই না। শুধু বলবিন্দর এবং তাঁর পরিবারের লোকজন যাতে বিচার পান সেই চেষ্টাই করছি আমরা।’’

তিনি দাবি করেন, বলবিন্দারের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সারা ভারতে প্রযোজ্য। তাঁরা পুলিশের কাছে মারের ভিডিও জমা দেন। আগামীকাল বলবিন্দরের জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান। এদিকে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গেছে বলবিন্দরের লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য তাকে রাজৌরিতে নিয়ে যাওয়া হবে। রবিবার হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক বলবিন্দরকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিজেপির নবান্ন অভিযানের সময় আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল বলবিন্দর সিং-সহ আরও দুজনকে। আদালতে তোলা হলে ভারপ্রাপ্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধৃতকে আটদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। তার পিস্তল লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করা হলেও উপযুক্ত কাগজপত্র পেশ করতে পারেনি বলে দাবি করে পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশের দাবি, লাইসেন্স জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি সেক্টরের। নিয়মানুযায়ী ওই জেলার বাইরে আসার কথা নয়।

বলবিন্দর পাঞ্জাবের বাসিন্দা। ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গুর সিংয়ের দেহরক্ষী তিনি। পরে একটি ভিডিও ভাইরাল হল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায় এই যুবকের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হচ্ছে। এবং সেই সময়ে তাঁর মাথায় বাঁধা পাগড়ি খুলে যাচ্ছে। এই নিয়েই শিখ সমাজে আলোড়ন পড়ে যায়।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More