পাহাড় না সমুদ্র! বাছাইয়ের সময় এসে গেল, দরজা খুলল দার্জিলিং-দিঘা-মন্দারমণির

পয়লা জুলাই থেকে খুলে গেল পাহাড়ের সমস্ত হোটেল। দিঘা-মন্দিরমণি-তাজপুর-শঙ্করপুরেও খুলে গেল হোটেলের দরজা। সরকারি বিধি মেনে স্যানিটাইজ করে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি দার্জিলিং ও দিঘা-মন্দারমণি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ লকডাউনে হাঁপিয়ে উঠেছেন যাঁরা, তাঁদের এবার প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যাওয়ার পালা। সমুদ্র না পাহাড়? সময় এসে গেল বাছাই করার।

পয়লা জুলাই থেকে খুলে গেল পাহাড়ের সমস্ত হোটেল। দিঘা-মন্দিরমণি-তাজপুর-শঙ্করপুরেও খুলে গেল হোটেলের দরজা। সরকারি বিধি মেনে স্যানিটাইজ করে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি দার্জিলিং ও দিঘা-মন্দারমণি।

দার্জিলিঙে হোটেল রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশো থেকে চারশোটি। করোনার দাপট বাড়তেই পর্যটকদের পাহাড় ছাড়তে বলা হয়েছিল। পাহাড় পর্যটকশূন্য হয়ে যাওয়ায় এবার ভরা মরসুমে মার খেয়েছেন হোটেল মালিকরা। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় প্রত্যেকের উপরেই এসেছে আঘাত। লকডাউন কবে উঠবে, কবে পাহাড়ে ফিরবেন পর্যটকরা সে দিকেই তাকিয়ে ছিলেন সবাই। আনলক পর্ব শুরু হতেই আজ থেকে খুলল সমস্ত হোটেলের দরজা। সরকারি বিধি মেনেই সর্বত্র পর্যটকদের রাখা হবে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিকরা। শুরু হয়ে গেছে বুকিং নেওয়াও। তবে এখনও পর্যন্ত পর্যটকশূন্যই রয়েছে পাহাড়। হোটেল মালিকরা মনে করছেন পর্যটকদের আবার পাহাড়মুখী হতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস গড়িয়ে যাবে।

এ দিকে দিঘা-মন্দারমণি-তাজপুর-শঙ্করপুরেও নিয়মবিধি মেনে সমস্ত হোটেল খুলে গেল আজ। সমুদ্রতটে যে সাড়ে তিনশো হোটেল রয়েছে তার মধ্যে দু’শো হোটেল খুলে গিয়েছিল ১৫ জুনের পরেই। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকার পর হোটেলগুলিকে পরিচ্ছন্ন করে, স্যানিটাইজ করে আবার চালু করার জন্য সময় লেগেছে অনেকটাই। এই নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় বার কয়েক সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন হোটেলিয়র্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। বুধবার থেকে চালু হয়ে গেল সব হোটেলই।

১৫ জুনের পর হোটেল খুললেও সমুদ্রস্নানে নিষেধাজ্ঞা বজায় ছিল। এই নিষেধাজ্ঞাও উঠল এবার। প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী নিউ দিঘার ৪ ও ৬ নম্বর ঘাটে স্নান করা যাবে। তবে কোনও জায়গায় ভিড় করা যাবে না। এ ব্যাপারে তদারকি করবেন পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা। পর্যটকদের জন্য সরকারি বাস, টোটো ভ্যান এ সমস্তও স্যানিটাইজ করে তৈরি রাখা হয়েছে।

দিঘা হোটেলিয়র্স অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্তা বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, ‘‘নির্মল দিঘায় সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। মুক্তমনে ভয় না পেয়ে সবাই দিঘা-মন্দারমণিতে আসুন।’’ তিনি জানান, সরকারি বিধি মেনেই সব হোটেল স্যানিটাইজ করা হয়েছে। কোনও পর্যটক যদি অসুস্থ বোধ করেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সর রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনও এ ব্যাপারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে তৈরি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More