করোনা সতর্কতা: পর্যটকরা নেমে আসায় স্বস্তি ফিরছে পাহাড়ে

পর্যটন মরসুমে ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার পাহাড়বাসীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, দার্জিলিং: ক্রমেই খালি হচ্ছে পাহাড়। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর বুধবার দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল জিটিএ। যাঁরা রয়েছেন তাঁদেরও নেমে যেতে বলা হয়। এরপরেই পাহাড়ে থাকা প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যটক নেমে গিয়েছেন। এখনও হাতেগোনা যে কয়েকজন রয়েছেন তাঁরাও আজ–কালের মধ্যেই নেমে যাবেন বলে জানিয়েছেন। বিদেশি পর্যটকরাও পাহাড় ছাড়ছেন দ্রুত।

    জিটিএ–র এক কর্তা জানিয়েছেন এই মুহূর্তে দার্জিলিংয়ে খুব বেশি বিদেশি পর্যটক নেই। তবে রাজ্যের কিছু পর্যটক রয়েছেন। তাঁরাও সফর কাটছাঁট করে ফেরার অপেক্ষায়। পূর্ব মেদিনীপুর থেকে দার্জিলিং বেড়াতে আসা ধ্রুব মল্লিক, অনিতা সরকারদের বক্তব্য, ‘‘‌তিন মাস আগে থেকে ট্যুর প্ল্যান করা ছিল। কাটছাঁট করে ফিরে যেতে খারাপ লাগছে। তবে উপায়টাই বা কী?’’ ‌

    পর্যটকরা পাহাড় ছাড়তে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে পাহাড়বাসী। দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা অরুণ শর্মা বলেন, ‘‌আমরা পর্যটকদের স্বাগত জানাতে চাই। এটা পর্যটনের মরসুম। পর্যটকরা না এলে আমাদেরই ক্ষতি।  কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। তাই সবার নিরাপত্তাকেই আমরা অগ্রাধিকার দিতে চাই।”

    অন্যদিকে পাহাড়ের বাসিন্দা, যাঁরা রুটিরুজির জন্য পাহাড়ে থাকেন না, তাঁরা অনেকেই পাহাড়ে ফিরতে শুরু করেছেন। এদের জন্য শিলিগুড়ির কাছে শিমূলবাড়িতে পাহাড়ে ওঠার মুখে শুরু হয়েছে থার্মাল স্ক্রিনিং। তবে সময়  বেশি লাগছে বলে অনেকে ঘুরপথে স্ক্রিনিং এড়িয়ে পাহাড়ে উঠে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। জিটিএ ও জেলা প্রশাসনের তরফে পাহাড়ে ওঠার আগে সবাইকে স্ক্রিনিং করাতে বলা হয়েছে।

    এ দিকে সমতলে বিদেশফেরতদের নিয়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়াচ্ছে প্রতিদিনই। শুক্রবার শিলিগুড়ির ভারতনগরে স্পেন থেকে ফিরে এক মহিলা কোয়ারান্টাইনে যেতে অস্বীকার করায় উত্তেজনা ছড়ায়। এমনকী স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতেও তিনি অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। পরে অনেক বুঝিয়ে রাজি করানো হয় তাঁকে। শিলিগুড়ির দেশবন্ধুপাড়ায় জার্মানি থেকে ফেরত আসা এক দম্পতিকে ঘিরেও আতঙ্ক ছড়ায়। ওই দম্পতি অবশ্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে রাজি হন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More