করোনা: রেড ভলান্টিয়ার টিম গড়ল সিপিএম, জনসংযোগ বাড়িয়ে জমি ফেরানোর চেষ্টা

সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সলিল আচার্য বলেন, ‘‘কোভিড আক্রান্ত এবং কন্টেইনমেন্ট জোনে থাকা মানুষেরা আজ খুবই অসহায়। এদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। তাই একজন বাম কর্মীর নৈতিক দায়িত্ব এই সব অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের যথাসাধ্য সাহায্য করা। সেই জন্যই সিপিএমের পক্ষ থেকে রেড ভলান্টিয়ার তৈরি করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: করোনা পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া সিপিএম। জনসংযোগের জন্য জলপাইগুড়িতে তৈরি হল রেড ভলান্টিয়ার টিম।

ডুয়ার্সের চা বাগান অধ্যুষিত এলাকায় ক্রমেই জাঁকিয়ে বসছে করোনা। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যাও বাড়ছে। করোনা আক্রান্ত পরিবার ও তাঁদের পড়শিরা, যাঁদের বাধ্য হয়ে এই জোনের মধ্যে থাকতে হচ্ছে, তাঁদের প্রতিদিনই পড়তে হচ্ছে নানান অসুবিধায়। সংসারের খুঁটিনাটি জিনিস সংগ্রহ করার সমস্যাতো রয়েইছে, পাশাপাশি দিন আনি দিন খাই পরিবারগুলির জীবনযাপনই রীতিমতো অসাধ্য হয়ে পড়েছে। কারণ কাজ নেই অধিকাংশেরই। ফলে বন্ধ রোজগারও।


এই অবস্থায় ডুয়ার্সের চা বাগান সহ বিভিন্ন এলাকায় এইসব পরিবারগুলি ঠিক কী কী অসুবিধায় রয়েছেন তা জানতে আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন সিপিএমের রেড ভলান্টিয়াররা। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন অসুবিধায় পড়ে যাওয়া মানুষদের দিকে। নিজেদের ফোন নম্বর দিয়ে আসছেন যাতে প্রয়োজনের সময় ডেকে নিতে পারেন। সিপিএমএর স্থানীয় নেতা সঞ্জীব বড়ুয়া বলেন, ‘‘শুক্রবার দিনভর নাগরাকাটা এবং লুকসানের বিভিন্ন এলাকা যেখানে যেখানে কন্টেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে সেখানে গিয়ে বিভিন্ন পরিবারদের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি আমরা। তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না তা নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। দিনে ও রাতে ওই এলাকার মানুষজন কোন সমস্যায় পড়লে যাতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য বেশ কয়েকটি ফোন নম্বর দিয়ে আসা হয়েছে।’’

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নাগরাকাটার বিডিও স্মিতা সুব্বা নাগরাকাটার সুখানি বস্তি, নন্দুমোড়, চম্পাগুড়ি এমনকি লুকসানের বেশ কিছু এলাকাকেও কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করেন। এক শ্রেণির মাতব্বরের দাপটে এই সমস্ত এলাকার বাসিন্দাদের অনেককেই সামাজিক বয়কটের মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ। তাতেও বাড়ছে সমস্যা।

সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক সলিল আচার্য বলেন, ‘‘কোভিড আক্রান্ত এবং কন্টেইনমেন্ট জোনে থাকা মানুষেরা আজ খুবই অসহায়। এদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। তাই একজন বাম কর্মীর নৈতিক দায়িত্ব এই সব অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের যথাসাধ্য সাহায্য করা। সেই জন্যই সিপিএমের পক্ষ থেকে রেড ভলান্টিয়ার তৈরি করা হয়েছে। এই মহামারী পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে এই রেড ভলান্টিয়াররা অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াচ্ছে।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More