পঞ্চমীর রাতে কোন্নগরে আক্রান্ত দম্পতি, বেধড়ক মারধর, গাড়ির কাচও ভেঙে দেয় দুষ্কৃতীরা

ঘটনায় আতঙ্কিত ওই দম্পতি। পার্থবাবু বলেন, ‘‘যুবকরা গলারপোলের কাছে বসে মদ্যপান করছিল। আমার গাড়ির হেডলাইটের আলো পড়ায় ছুটে এসে গাড়ি আটকাতে যায়। নিজেদের তৃণমূলের লোক বলে পরিচয় দেয়। বিপদে পড়ব বুঝতে পেরেই খুব জোরে গাড়ি চালিয়ে চলে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা মোটরবাইক নিয়ে তাড়া করে ধরে ফেলে।’’

৮৩২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে আক্রান্ত হলেন কোন্নগরের দম্পতি। আহত পার্থ দে’কে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পার্থবাবুর অভিযোগ, যে যুবকরা হামলা চালিয়েছে তারা নিজেদের তৃণমূলের সমর্থক বলে দাবি করে। তবে শাসকদলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পঞ্চমীর রাতে ১১টা নাগাদ নবগ্রাম থেকে স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কোন্নগর জোড়াপুকুরের বাসিন্দা পার্থ দে। অভিযোগ, কোন্নগর গলাপোলের কাছে তাদের চারচাকা গাড়িটি আটকানোর চেষ্টা করে মোটরবাইকে সওয়ার তিন যুবক। তাদের এড়াতে প্রচণ্ড জোরে গাড়ি চালিয়ে বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে যান পার্থবাবু। কিন্তু ধাওয়া করে ওই তিন যুবক তাঁদের গাড়ি আটকায়। গাড়ির কাঁচ ভেঙে দেয়। পার্থবাবুকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে। বাধা দিতে গেলে তার স্ত্রীকেও ধাক্কা মারে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। গাড়ির চাবি ও মানিব্যাগ কেড়ে নেয়। দম্পতির চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসেন। খবর পেয়ে উত্তরপাড়া থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আটক করে তিন অভিযুক্তকে।

ঘটনায় আতঙ্কিত ওই দম্পতি। পার্থবাবু বলেন, ‘‘যুবকরা গলারপোলের কাছে বসে মদ্যপান করছিল। আমার গাড়ির হেডলাইটের আলো পড়ায় ছুটে এসে গাড়ি আটকাতে যায়। নিজেদের তৃণমূলের লোক বলে পরিচয় দেয়। বিপদে পড়ব বুঝতে পেরেই খুব জোরে গাড়ি চালিয়ে চলে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা মোটরবাইক নিয়ে তাড়া করে ধরে ফেলে।’’

উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল কোন্নগরেরই বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘‘ঘটনাটি নিন্দনীয়। তবে এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। খোঁজ নিয়ে জেনেছি যারা অভিযুক্ত তারা তৃণমূলের কেউ নয়।’’ পুলিশ জানিয়েছে, কেন এমন হামলা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More