করোনার জেরে জলপাইগুড়িতে দেড়শো টাকায় পাঁচ কিলো মুরগি, বিক্রেতারা বলছেন তাই সই

ডেঙ্গুয়াঝাড়ের সাপ্তাহিক হাটে ৩০ টাকা কিলো মাংস কিনতে ভিড় জমালেন অনেকেই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: ১৫০ টাকায় ৫ কিলোর আস্ত মুরগি। কেউ নিলেন গোটা, আবার কেউ কিনলেন ভাগাভাগি করে। করোনা আতঙ্কে মুরগির মাংসের বিক্রি কমেছে গোটা রাজ্যেই। অবস্থা সামাল দিতে দোকানই বন্ধ করে দিয়েছেন কেউ কেউ। অনেকে আবার দাম কমিয়ে লড়াই চালাচ্ছেন পরিস্থিতির সঙ্গে।

    বিক্রি না হওয়ায় সম্প্রতি ধূপগুড়ি বাজারে মুরগিদের আছড়ে মারেন বিক্রেতারা। সেই সংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় ওঠে গোটা রাজ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, “ডাক্তারদের কেউ মুরগির মাংস খেতে বারণ করেননি। কেউ বলেননি মুরগির মাংস থেকে করোনা ছড়াচ্ছে। তবু আতঙ্কে মুরগির মাংস কিনছেন না বাজারে আসা লোকজন।”

    শুক্রবার সন্ধ্যায় ছিল ডেঙ্গুয়াঝাড়ের সাপ্তাহিক হাট। হাটে লোক কম থাকলেও এদিন মুরগির দোকানে ছিল নজরকাড়া ভিড়। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, পাঁচ কিলো সাইজের আস্ত ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। অর্থাৎ ৩০ টাকা কিলো। এত কম দামে বিক্রি হচ্ছে দেখে অনেকেই আবার ভয় ভুলে গুটি গুটি জমায়েত হন মাংসের দোকানে।

    গোপাল সাহা নামে এক ক্রেতা বলেন, “আমি প্রতি হাটবারেই মাংস কিনি। অন্য সময় ১৫০ কিলো। আজ ৩০ টাকা কিলো পেলাম। বেশি করে নিলাম। মুরগি খেলে করোনা হবে এ কথা কেউ বলেননি।”

    মাংস বিক্রেতা মইদুল হোসেন বলেন, “করোনা আতঙ্কে মুরগির বিক্রি একেবারে কমে গেছে। কোনও কারণ ছাড়াই বিক্রি কমেছে। মুরগির মাংসের উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলে আমরাও বিক্রি করতাম না। মানুষের মনে আতঙ্ক কাটাতে ৩০ টাকা কিলোতে মুরগি বিক্রি করছি। এতে সামান্য হলেও বিক্রি বেড়েছে।”

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More