বর্ধমানের ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামসেদপুর থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করল পুলিশ

এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ছিনতাইয়ের টাকা উদ্ধারের জন্য এবং তার দলের অন্যদের হদিশ পেতে ধৃতকে ৭ দিন হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। ধৃতকে ৩ দিন পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: শহরের এক ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করল বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম শশাঙ্ক শেখর। ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থানার ছোটা গোবিন্দপুরের রতন মার্কেট এলাকায় তার বাড়ি। বুধবার ভোরে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ বাড়ি থেকেই ওই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে।

এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ছিনতাইয়ের টাকা উদ্ধারের জন্য এবং তার দলের অন্যদের হদিশ পেতে ধৃতকে ৭ দিন হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। ধৃতকে ৩ দিন পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্ধমান শহরের উল্লাস টাউনশিপের বাসিন্দা মানস কুণ্ডুর পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা রয়েছে। অন্যান্য দিনের মতো গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবসার টাকা তুলে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ আলিসা বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে একটি সাদা গাড়ি তাঁর মোটরবাইকটিকে ডিভাইডারের কাছে আটকে দেয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি মোটরবাইক থেকে পড়ে যান। সেই সময় গাড়িতে থাকা দুষ্কৃতীরা তাঁর কাছ থেকে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে শক্তিগড়ের দিকে চলে যায়।

ওই ব্যবসায়ী জানান, তাঁর ব্যাগে ৪৯ হাজার টাকা, দু’টি এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরবাইকের কাগজপত্র ছিল। তিনি বলেন, ‘‘প্রতিদিনই ব্যবসার কাজ সেরে অনেক রাতে বাড়ি ফিরি। এমন অভিজ্ঞতা কখনও হয়নি।’’ ঘটনার আকস্মিকতায় প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও সঙ্গে সঙ্গেই বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তদন্তে নেমে পুলিশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজের সূত্র ধরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় শশাঙ্কের জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পরে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক অভিযুক্ত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More