ভোটের আগে তফসিলি জাতি-উপজাতিকে খুশি করতে মমতার দুই প্রকল্প, ‘বন্ধু’ ও ‘জয় জহার’

গ্রাম ও পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষের জন্য বাজেটে নতুন প্রকল্প ঘোষণার সম্ভাবনাও জানা গেছিল আগেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। ভোটের আগে এটাই মমতা-সরকারের শেষ বাজেট। আগাম আন্দাজ ছিলই, এই বাজেট হতে চলেছে জনমোহিনী বাজেট। রাজ্যের প্রতিটি স্তরে সাধারণ মানুষের জন্য ভাবনাচিন্তা থাকবে বাজেটে। গ্রাম ও পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষের জন্য বাজেটে নতুন প্রকল্প ঘোষণার সম্ভাবনাও জানা গেছিল আগেই।

    বাজেট ঘোষণার পরেই দেখা গেল, আন্দাজ প্রত্যাশামতোই ঘোষণা হল বিভিন্ন প্রকল্প। তফসিলি ও আদিবাসীদের জন্য বিশেষ দু’টি প্রকল্প ঘোষিত হল।

    প্রথমটি, তফসিলি জাতির জন্য ‘বন্ধু’ প্রকল্প। এই প্রকল্পে বলা হয়েছে, রাজ্যের ৬০ বছরের বেশি বয়সের তফসিলি জাতির মানুষ, যাঁরা কোনও পেনশন পান না, এরকম ১০০ শতাংশ মানুষকে প্রতি মাসে হাজার টাকা করে বার্ধক্য ভাতা দেওয়া হবে। এর ফলে আনুমানিক ২১ লক্ষ তফসিলি জাতির মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে বাজাটে। এই খাতে আগামী অর্থবর্ষে ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়।

    আদিবাসীদের জন্য আরও একটি প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়, ‘জয় জহার’। এতে বলা হয়েছে, “রাজ্যের আদিবাসী সমাজের বয়স্ক মানুষদের কল্যাণে ‘জয় জহার’ নামের একটি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করছি।” এই প্রকল্পে ৬০ বছরের বেশি বয়সের আদিবাসী ও তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের ১০০ শতাংশ মানুষ, যাঁরা অন্য কোনও পেনশন পান না, তাঁদের প্রতি মাসে হাজার টাকা করে বার্ধক্য ভাতা দেওয়া হবে।

    এই পরিকল্পনার মাধ্যমে আনুমানিক চার লক্ষ আদিবাসী ও তফসিলি উপজাতি সম্প্পদায়ের মানুষ উপকৃত হবেন। এই জন্য আগামী অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয় বাজেটে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More