বুধবার, জানুয়ারি ২৯
TheWall
TheWall

জম্মু-কাশ্মীর ভোট: প্রাণ ভয়ে চাকরি ছাড়ছেন একের পর এক এসপিও

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো,শ্রীনগর: ভোটের একদিন আগে উপত্যকার নিরাপত্তারক্ষীরাই ভয়ে ত্রস্ত। একের পর এক এসপিও চাকরি ছাড়ছেন, চলতি বছরে আট এসপিও-কে হত্যা করেছে জঙ্গিরা।প্রাণনাশের হুমকিও আসছে বার বার। তাই প্রাণ বাঁচাতে তাঁরা পদত্যাগ পত্র জমা দিতে দেরি করছেন না, সোমবার জম্মু-কাশ্মীরে পুরসভার ভোট। তার আগে এসপিওদের পদত্যাগে ভাটা পড়ছে বাহিনীতে।

জম্মু-কাশ্মীরে নিযুক্ত বেশিরভাগ এসপিও চুক্তিভিত্তিক চাকরি করেন। মাত্র ৬ হাজার বেতনে প্রাণ হাতে জঙ্গি দমন বাহিনীতে যোগ দেন। অথচ, মৃত্যুর পর শহিদের সম্মানও তাঁরা পান না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতি ভোট ঘিরে যে উত্তাপ উপত্যকা জুড়ে, তাতে আর চাকরি করতে চাইছেন না বেশিরভাগ এসপিও।

জম্মু-কাশ্মীর স্থানীয়রাই এসপিও পদে নিযুক্ত হন। যাদের নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের নিজস্ব বাহিনী থাকে। ২০১৬ সালে জঙ্গি বুরহান আওয়ানির মৃত্যু ঘিরে টানা অশান্তির পরই এসপিওদের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। এরপরই উপত্যকায় মহিলা-পুরুষ মিলিয়ে মোট ৩০ হাজার নিয়োগ হয়। এরা প্রত্যেকেই অস্থায়ী কর্মী।

ভারতে ঢুকতে পারে ২৫০ পাক জঙ্গি, নিয়ন্ত্রণ রেখায় ব্যাপক নিরাপত্তা

২০১৬ সাল থেকে জঙ্গিরা এসপিওদের টার্গট করছে। কারণ, সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে মোকাবিলায় পেরে উঠছে না এসপিওরা। কর্তব্যরত এসপিওরা জানাচ্ছেন,কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে শুধু লেখা ছিল, ১৮ থেকে ২৮ বছরের  পুরুষ, মহিলা এসপিও হিসেবে আবেদন করতে পারবেন, নূন্যতম শিক্ষা মাধ্যমিক পাশ।

এসপিওদের দাবি, স্পেশাল পুলিশ অফিসার পদে নিয়োগ হোলেও তাদের প্রশিক্ষণে শুধুই ইউনিফর্ম পরা, পদস্থ কর্তাদের স্যালুট করার নিয়ম শেখানো হয়। জঙ্গি মোকাবিলায় কাশ্মীরে নিযুক্ত এসপিওরা বেশিরভাগই অস্ত্রহীন। আর সেই সুযোগে এসপিওদের উপর হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে মোট ৮ এসপিওকে তাদের বাড়ির সামনেই হত্যা করে জঙ্গিরা।

কাশ্মী রে ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। উড়ো চিঠি, ফোনে এসপিও-দের খুন করার হুমকি দিচ্ছে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত ৩০ এসপিও পদত্যাগ করেছেন, বাকিরাও ঘরবন্দি থাকতে চাইছেন। ভোটের কাশ্মীরে তাই নিরাপত্তা নিয়ে কপালে ভাঁজ প্রশাসনের।

 

 

Share.

Comments are closed.