Latest News

আটচল্লিশে ‘মাস্টার ব্লাস্টার’, ভিডিওতে অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন শচীন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাতচল্লিশ পেরিয়ে আটচল্লিশে পা দিলেন শচীন রমেশ তেন্ডুলকর। জন্মদিন উপলক্ষে আজ টুইটারে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন তিনি। এমনিতে প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে অসংখ্য অনুরাগীদের মুখোমুখি হন শচীন। শুভেচ্ছা, ভালোবাসা আর হরেক আব্দার মিটিয়ে জমাটি সময় কাটান ক্রিকেট দুনিয়ার ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি পুরোপুরি আলাদা। লাগামছাড়া করোনায় বিধ্বস্ত গোটা দেশ। মহারাষ্ট্রের অবস্থাও বেশ ভয়াবহ। তার উপর কয়েক দিন আগেই শচীন নিজে কোভিড আক্রান্ত হন। পরে সেরেও ওঠেন তিনি।

তাই সব মিলিয়ে এই দুর্যোগের সময় সমর্থকদের সুস্থ থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন ‘লিটল মাস্টার’। ভিডিও-তে শচীন বলেন, ‘জন্মদিনে অনেকের শুভেচ্ছা পেয়েছি। তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। গত মাস আমার কাছে বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কোভিড ধরা পড়ায় আমাকে তিন সপ্তাহ আইসোলেশনে থাকতে হয়। কিন্তু সমর্থক, পরিবার ও বন্ধুদের শুভকামনা এবং অতি অবশ্যই চিকিৎসক, নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমি ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে দিনগুলি কাটাই। তারপর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠি।’

নিজের লড়াইয়ের কথা বলার পাশাপাশি করোনাজয়ীদের উদ্দেশেও বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তী ক্রিকেটার। তিনি বলেন, ‘যাঁরা কোভিডকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন, তাঁদের যুদ্ধ কিন্তু থেমে যায়নি। আপনারাও এগিয়ে আসুন। বিভিন্ন হাসপাতালে ব্লাড প্লাজমা দান করুন।’

উল্লেখ্য, করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের প্লাজমা কোভিড আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই তথ্যটিকে সামনে টেনেই শচীন যোগ করেন, ‘বেশ কয়েকজন চিকিৎসক আমায় এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে বলেছেন। গত বছর আমি একটি প্লাজমা ডোনেশন সেন্টার উদ্বোধন করেছিলাম। কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর এবার আমিও সেখানে প্লাজমা দিয়ে আসব। আমার সঙ্গে আপনারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। মনে রাখবেন, সময়মতো যদি কোনও করোনা রোগীকে প্লাজমা ডোনেট করা হয়, তাহলে তিনি অনেক জলদি সেরে ওঠেন।’

এর আগে ২৭ মার্চ শচীন করোনায় আক্রান্ত হন। ২ এপ্রিল বিশ্বকাপ-জয়ের ১০ বছর পূর্তির দিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৮ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন শচীন। আজকের ভিডিও বার্তায় চেহারার বিধ্বস্ত অবস্থা ভক্তদের নজর এড়ায়নি। যদিও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, লিটল মাস্টার এখন পুরোপুরি সুস্থ।

You might also like