Latest News

ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে সুভাষ-মনোরঞ্জন ঝগড়া, লাল হলুদের প্রাক্তনদের মধ্যেও ভাঙন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইস্টবেঙ্গলে চুক্তি বিতর্কে অন্য মোড়। এবার ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে প্রকাশ্যে ভাঙন দেখা গিয়েছে। এতদিন প্রাক্তনদের মধ্যে সমন্বয় ছিল। কিন্তু শুক্রবার ক্লাবে ছিল প্রয়াত সচিব পল্টু দাসের ৮২তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠান। এই উপলক্ষ্যে হাজির ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের একাংশ।

এদিন দেখার বিষয় ছিল, ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে সংশোধনী টার্মশিট পাঠানো হয় কিনা। প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যেও সেই নিয়ে সমানে কৌতূহল ছিল। কেননা এদিনও তাঁবুতেই প্রাক্তনরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা সারেন। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে কবে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন, এই নিয়ে কথা বলতে থাকেন।

তার মধ্যেই চুক্তিতে সই করা নিয়ে প্রকাশ্যে ঝামেলা লেগে যায় সুভাষ ভৌমিক ও মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্যের মধ্যে। দলের দুই নামী প্রাক্তনই ১১ জনের বিশেষ কমিটিতে রয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে লাল হলুদের প্রাক্তনীদের মধ্যে মুখ খুলছেন প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই মিডিয়ার কাছে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন।

চুক্তি বিতর্কে মনে করা হয়েছিল সব প্রাক্তনই হয়তো একসুরে কথা বলছেন। বিভ্রান্তি কাটে এদিনই, যখন সুভাষ ভৌমিক সরাসরি জানান, ‘‘আমার মনে হয় ক্লাবের কখনই এই টার্মশিটে সই করা ঠিক হবে না, তাতে যদি না খেলতে হয়, তাও ঠিক আছে। মাথা বিকিয়ে খেলা যাবে না।’’

এই কথার ঘোরতর প্রতিবাদ করেন মনোরঞ্জন। ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার তথা অধিনায়ক পরিষ্কার বলেন, ‘‘সুভাষদা আপনি যেটা বলছেন, সেটা ভেবে বলছেন তো? কী করে এমন কথা আপনি একজন ফুটবলার হিসেবে বলতে পারেন? খেলা না হওয়া মানে ফুটবলারদের পেটে লাথি মারা, তাতে বাংলার ফুটবল আরও শেষ হয়ে যাবে। সমর্থকদের মধ্যে হতাশা গ্রাস করবে।’’

মনোরঞ্জনের কথাকে সমর্থন জানান আরও বেশ কয়েক প্রাক্তন। সুভাষ সেইসময় বলেন, ‘‘এটাই যদি সকলের মত হয়, আমি তা হলে পরেরদিন থেকে নেই।’’ সবাই সেইসময় সুভাষকে শান্ত করতে থাকেন। গজরাতে থাকেন মনা, তিনি বলে চলেন, ‘‘আমরা সবাই চাই ইস্টবেঙ্গলের মতো বড় দল মাঠে নামুক, আবারও খেলুক, সেটি যে কোনও শর্তে। সই করতে হবে ফুটবলকে বাঁচিয়ে, ক্লাবের সার্বিক ভাল যাতে হয়, সেটি মনে রেখে।’’

You might also like