Latest News

AFC Cup: বাগানের জালে গোকুলামের চার গোল, এএফসি কাপে লজ্জার হার রয় কৃষ্ণদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এএফসি কাপের (AFC Cup) প্রথম ম্যাচেই চূর্ণ এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)। তারা ২-৪ গোলে হারল কেরলের গোকুলামের (Gokulam FC) কাছে। এভাবে বাগানের জালে চার গোল জড়াবে, কেউ ভাবতে পারেননি। কিন্তু বলের দখল বেশি রেখেও তারা হারল বিশ্রীভাবে।

সদ্য আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গোকুলাম এফসি। তারা মহামেডানকে হারিয়ে খেতাব পেয়েছে। কিন্তু এটিকে মোহনবাগানের মতো শক্তিশালী দলকে এইভাবে উড়িয়ে দেবে, তা ভাবা যায়নি। এই পরাজয় বাগানের কাছে দারুণ এক লজ্জার, সেটি মাঠ ফেরত সমর্থকদের দেহের ভাষায় ফুটে উঠেছে।

Wriddhiman Saha: ঋদ্ধির প্রতি সিএবি কর্তাদের অপমান, গজরাচ্ছেন স্ত্রী রোমি

শুরুতেই অন্তত দু’ গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। একবার বাঁ দিক থেকে ক্রস ঠিকমতো কানেক্ট করতে পারলেন না কৃষ্ণ। আর ১৭ মিনিটে তাঁর প্লেস গোকুলামের পোস্টে লেগে ফিরে আসে। বিরতির ঠিক আগে মোহনবাগান বড় ধাক্কা খায়। লুকা ম্যাজসেনকে ট্যাকল করতে গিয়ে চোট পান তিরি। উঠে যেতে হয় তাঁকে, নামেন আশুতোষ। তাঁকে দ্বিতীয়ার্ধে তুলে নিতে বাধ্য হন কোচ জুয়ান ফার্নান্দো।

এএফসি কাপে বড় বিপর্যয় বাগানের

তিরির উঠে যাওয়া বাগান ডিফেন্সে আতঙ্ক বয়ে এনেছে। তারপর থেকেই কেরলের দলের আক্রমণভাগ দাপট দেখিয়েছে। খেলার ফলেও তার প্রভাব পড়েছে।

খেলার মোট ছয়টি গোল সবগুলিই বিরতির পরে হয়েছে। ৫০ মিনিটে প্রথম গোল দিয়ে এগিয়ে যায় গোকুলাম। গোলটি দেন লুকা মাজসেন, তিনি আবার ৬৫ মিনিটে গোল করেন। ৫৩ মিনিটে প্রীতম কোটালের গোলে ম্যাচে সমতা ফেরে। চার মিনিট পরে ফের গোকুলামকে এগিয়ে দেন রিশাদ।

পুরো স্তব্ধ বাগান ডিফেন্স

বাগানের হয়ে শেষ গোলটি করেছেন লিস্টন কোলাসো। খেলার বয়স সেইসময় ৮০ মিনিট। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট আগে বাগানের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন জিতিন।

আই লিগ জয়ী একটি দলের কাছে এটিকে মোহনবাগানের হারে বহু প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। তবে তিরি ও সন্দেশের মতো হুগো বুমোসের মতো তারকার না থাকাও বড় সমস্যা হয়ে গিয়েছে। তিন নামী তারকা না থাকাই বাগান দলকে কমজোরি করে দিয়েছে। এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণ নিয়ে বহু প্রশ্ন রয়েছে। বারবার দেখা গিয়েছে দলের ডিফেন্ডারদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। দলবদলের আগে তারকাদের মন যে উড়ু উড়ু, সেটিও বোঝা গিয়েছে।

পাশাপাশি রয় কৃষ্ণের সঙ্গে ডেভিড উইলিয়ামসের জুটিও ক্লিক করেনি। একেবারে শুরুতে অবশ্য রয়ের শট গোকুলামের পোস্টে লেগে ফিরে এসেছে। বিপক্ষের পোস্ট যদি কোনও দলের বাধা হয়, সেক্ষেত্রে কী হতে পারে, সেটাই দেখা গিয়েছে ম্যাচ শেষে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনওপক্ষই গোল করতে পারেনি। সেইসময় গোলের অনেক সুযোগ পেয়েছিল বাগান দলের ফুটবলাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে শুরুতেই এমন হতশ্রী হার হয় না। এটিকে মোহনবাগানের পরের দুটি ম্যাচ বাংলাদেশের বসুন্ধরা এবং শ্রীলঙ্কার মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে রয়েছে। ওই দুটি ম্যাচে জিতলেও বাগানে ফের অক্সিজেন ফিরে আসবে।

You might also like