চ্যাম্পিয়ন নাইট রাইডার্স, টানা ১২ ম্যাচ জিতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জিতল শাহরুখের টিম

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব, অসাধারণ…কোনও বিশেষণই যেন কম নয় ত্রিনব্যাগো নাইট রাইডার্সের জন্য। করোনা সংক্রমণের পরে দর্শকদের মনে ফের ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা, উদ্দীপনার সঞ্চার করে দিলেন কাইরন পোলার্ড, ডোয়েন ব্র্যাভোরা। টানা ১২ ম্যাচ জিতে, সবথেকে বড় কথা এই প্রথমবার টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ জিতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা সিপিএল চ্যাম্পিয়ন হল শাহরুখ খানের এই দল।

সিপিএল-এ রেকর্ড সবথেকে ভাল ত্রিনব্যাগো নাইট রাইডার্সেরই। এর আগে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। শাহরুখ খানের দুই নাইট রাইডার্স, অর্থাৎ ত্রিনব্যাগো নাইট রাইডার্স ও আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে আগে অনেক ক্রিকেটার এক থাকলেও গত কয়েক বছরে তাতে বদল হয়েছে। যেমন আইপিএলে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলা ব্র্যাভো নিজেদের দেশের লিগে নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ছিলেন। আবার সুনীল নারিনের মতো ক্রিকেটার রয়েছেন, যাঁরা দুই দেশেই শাহরুখের দলে খেলেন। তবে এবার দলের অধিনায়ক করা হয়েছিল কাইরন পোলার্ডকে। চলতি লিগে তাঁর ফর্ম নিঃসন্দেহে আনন্দে রাখবে আবু ধাবিতে অনুশীলনে ব্যস্ত রোহিত শর্মা ব্রিগেডকে।

এবারের টুর্নামেন্টের শুরু থেকে যেন নাইট রাইডার্স বুঝিয়ে দিয়েছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই তারা নেমেছে। সব দলকে শুধু হারানো নয়, সহজে হারিয়েছে তারা। প্রথমে ব্যাট করলে এমন রান করেছে যা তাড়া করতে পারেনি বিপক্ষ দল। আবার প্রথমে বল করলে বিপক্ষকে অল্প রানের মধ্যে আটকে রেখেছে।

চলতি টুর্নামেন্টে প্রায় প্রতি ম্যাচেই আলাদা আলাদা ম্যাচ উইনার উঠে এসেছে। প্রথমের দিকে যেমন সুনীল নারিন, কলিন মুনরোরা ম্যাচ জিতিয়েছেন, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে জ্বলে উঠেছেন লেন্ডন সিমন্স। ড্যারেন ব্র্যাভো প্রায় প্রতি ম্যাচেই ভরসা দিয়েছেন। আর দলের তুরুপের তাস ছিলেন পোলার্ড ও ব্র্যাভো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবথেকে অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার ব্যাটে-বলে নিজেদের জাত চিনিয়েছেন।

ফাইনালে টসে জিতে বল নেন পোলার্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করে ড্যারেন স্যামির সেন্ট লুসিয়া জুকস। দেখে মনে হচ্ছিল ১৭৫ হয়ে যাবে। কিন্তু শেষদিকে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৯.১ ওভারে ১৫৪ রানে অলআউট হয়ে যায় দল। নাইটদের অধিনায়ক পোলার্ড ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।

রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুতে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল নাইট রাইডার্স। কিন্তু পার্টনারশিপ গড়েন সিমন্স ও ড্যারেন ব্র্যাভো। ২৪ বলে দরকার ছিল ৪১ রান। ১৭ তম ওভারে ২৩ রান তোলে নাইটরা। ওই এক ওভারেই খেলার ভাগ্য বদলে যায়। মাত্র ১৮.১ ওভারে জয় তুলে নেয় তারা। সিমন্স ৪৯ বলে ৮৪ ও ব্র্যাভো ৪৭ বলে ৫৮ করে অপরাজিত থাকেন। ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় তারা।

গত বার গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সও টানা ১১ ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু ফাইনালে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের কাছে হেরে যায় তারা। এদিন অবশ্য কোনও ছন্দপতন হল না। যোগ্য দল হিসেবেই টুর্নামেন্ট জিতল ত্রিনব্যাগো নাইট রাইডার্স।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More