নাইট রাইডার্সের কামিংস, পাঞ্জাবের ম্যাক্সওয়েল, নাকি রাজস্থানের স্টোকস, কোন বিদেশি কাঁপাবে এবারের আইপিএল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ করোনা সংক্রমণের মাঝেই মরু শহরে শুরু হচ্ছে আইপিএল। ক্রিকেটের এই বিনোদনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ক্রিকেট দুনিয়া। ভারতীয় ক্রিকেটাররা অগস্ট মাসের শেষের দিক থেকেই অনুশীলনে নেমে পড়েছেন। অবশ্য বিদেশি ক্রিকেটাররা যোগ দিয়েছেন কিছুটা পরে। আইপিএলে প্রতি বছর চোখ থাকে কিছু বিদেশি ক্রিকেটারের দিকে। কখনও তাঁরা টুর্নামেন্টের রং বদলে দেন। কোনও বার আবার নিষ্প্রভ থাকেন।

এই বছরে কোন বিদেশিরা আইপিএল কাঁপাতে পারেন, সেটাই দেখে নেওয়া যাক-

প্যাট কামিন্স (কলকাতা নাইট রাইডার্স)- চলতি মরসুমে আইপিএলের সবথেকে দামি ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স। নিলামে তাঁর দাম উঠেছে সাড়ে ১৫ কোটি টাকা। আইপিএলে কামিংসের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই নাইট রাইডার্সেই। ২০১৪ সালে আইপিএলের চ্যাম্পিয়ন দলে ছিলেন তিনিও। যদিও তারপরেই তাঁকে ছেড়ে দেয় নাইট রাইডার্স। তারপরে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেন তিনি। এবার ফের তাঁকে কিনেছে কলকাতা। আইপিএলে ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন কামিংস। শুধুমাত্র ফাস্ট বোলিং নয়, লোয়ার মিডল অর্ডারে কামিংসের ব্যাটের দিকেও তাকিয়ে থাকবেন নাইট সমর্থকরা।

বেন স্টোকস (রাজস্থান রয়্যালস)- ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। ব্যাট ও বল দুই ক্ষেত্রেই দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্লেয়ার তিনি। তাই রাজস্থান রয়্যালসের সাফল্যের পিছনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন স্টোকস। স্মিথের সেরা অস্ত্র হতে পারেন এই অলরাউন্ডার।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)- আইপিএলে পাঞ্জাবের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন ম্যাক্সওয়েল। ২০১৪ সালে দলকে ফাইনালে তোলার বিষয়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। সম্প্রতি শেষ হওয়া সিরিজে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন তিনি। তাই তাঁর ফর্ম ভালই রয়েছে। আইপিএলে ৬৯ ম্যাচে ১৩৯৭ রান করেছেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ১৬১.১৩। শুধু ব্যাট নয়, ম্যাক্সওয়েলের স্পিনও কাজে লাগবে আমিরশাহীর উইকেটে।

স্টিভ স্মিথ (রাজস্থান রয়্যালস)- অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের আইপিএলে রেকর্ড বিশেষ ভাল নয়। একবার পুণে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। গত মরসুমে স্মিথ ছিলেন না। এবার ফের ফিরেছেন তিনি। তাই তাঁর উপরেই রাজস্থান দলের দায়িত্ব রয়েছে। ৮১ ম্যাচে ২০২২ রান করেছেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ১২৮.৯৫। শুধুমাত্র অধিনায়ক নয়, ব্যাট হাতেও স্মিথের আগের ফর্মই দেখতে চাইবে রাজস্থান।

ক্রিস গেইল (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)- ইউনিভার্সাল বস। আইপিএল তো বটেই বিশ্বের সব টি ২০ টুর্নামেন্টেই নিজের জাত চিনিয়েছেন গেইল। আইপিএলের সর্বোচ্চ ১৭৫ রানও তাঁর ব্যাট থেকেই এসেছে। আইপিএলে ১২৫ ম্যাচে ৪৪৮৪ রান তাঁর। স্ট্রাইক রেট ১৫১.০২। কলকাতা থেকে ব্যাঙ্গালোর হয়ে এই মুহূর্তে পাঞ্জাব দলে রয়েছেন গেইল। তাঁর সঙ্গে রাহুলের ওপেনিং জুটির উপরে অনেকটা নির্ভর করবে দলের সাফল্য।

জোফ্রা আর্চার (রাজস্থান রয়্যালস)- ২০১৯ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে সুপার ওভার করে ইংল্যান্ডকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছেন আর্চার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাত এই ফাস্ট বোলারের উপরে অনেকটা নির্ভর করবে রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলের ২১ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এবারও তাঁর বলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজস্থান ফ্র্যাঞ্চাইজি। সঙ্গে ব্যাট হাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন আর্চার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More