নবীন ও প্রবীন মিলে খেতাবী স্বপ্নে বিভোর ‘অরেঞ্জ আর্মি’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

১৩তম আয়োজন। বিনোদনের ক্রিকেট। রংবাহারি ক্রিকেট। সমানে খেলার ভোলবদল চলবে। শেষ বল পর্যন্ত উন্মাদনা। হওয়ার কথাই ছিল না, করোনা আবহে ভাবা গিয়েছিল আইপিএল হবেই না। তারপর টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট বাতিল হতেই বিসিসিআই জানিয়ে দিল হবে টুর্নামেন্ট, কিন্তু ভারতে নয়, মরুশহরে।

সব দলই আতঙ্কে। ভাইরাস কোথায় কখন থাবা মারে কেউ জানে না। কিন্তু তা বললে খেলা তো হবেই, দলগুলির আয়োজনও সারা। এবার কে কেমন দল করল, সেই নিয়েই প্রতিবেদন। আজ আলোচনায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

দ্য ওয়াল ব্যুরো : যে দলে ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা কেন উইলিয়ামসনের মতো তারকা থাকেন, সেই দলকে কমজোরি বলবে কার সাধ্যি? ওয়ার্নার খেললে একাই একশো। উইলিয়ামসনের মস্তিষ্ক ম্যাচের রং বদল করে দিতে পারে। পাশাপাশি রয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো, তিনিও কম কিছু নন। যদিও ঋদ্ধিমান কিপিং করলে বেয়ারস্টো দলে থাকবেন কিপিং করবেন না।

এর আগে কোচ ছিলেন টম মুডি, তিনি সরে গিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ট্রেভর বাইলিসের হাতে। তিনি কেকেআরকে নিয়ে ভাল কাজ করেছেন। একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগও জিতেছেন। দলে মনীশ পান্ডে, ঋদ্ধিমান সাহা রয়েছেন। এমনকি ম্যাচে খেলতে দেখা যাবে বাংলার আরও এক তারকা শ্রীবৎস গোস্বামীকে। সিদ্বার্থ কল, ভুবনেশ্বর কুমাররাও দলের সম্পদ।

এই দলের শক্তিশালী বিভাগ অবশ্যই স্পিন। কারণ আফগানিস্তানের নামী স্পিনার রশিদ খান যেমন রয়েছেন, বাংলায় খেলা শাহবাজ নাদিমও রয়েছেন। এমনকি মহম্মদ নবিকেও ব্যবহার করতে পারেন দলের ক্যাপ্টেন। দলে তিনজন অলরাউন্ডার থাকলেও তাঁরা তেমন পরীক্ষিত নন। তাই অভিষেক শর্মা, ফ্যাবিয়ান অ্যালেনরা কী করবেন কেউ জানে না।

এবার দলে নেওয়া হয়েছে মিচেল মার্শ, প্রিয়ম গর্গ, বিরাট সিংকদের। দলটিতে নবীন ও প্রবীনের দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে কার্যকরি হতে পারলে এই দলটি চ্যাম্পিয়নও হতে পারে ২০১৬ সালের মতোই। প্লে অফে খেলেছে দুইবার, আর ২০১৮ সালে রানার্স হয়। সেই কারণে টুর্নামেন্টের শেষদিক পর্যন্ত যেতে পারে দলটি।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ :

যাঁরা ছিলেন : ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়ামসন, জনি বেয়ারস্টো, মণীশ পান্ডে, শ্রীবৎস গোস্বামী, ঋদ্ধিমান সাহা, বিজয় শঙ্কর, মহম্মদ নবি, অভিষেক শর্মা, রশিদ খান, শাহবাজ নাদিম, ভুবনেশ্বর কুমার, সিদ্ধার্থ কউল, খলিল আহমেদ, সন্দীপ শর্মা, বাসিল থাম্পি, টি নটরাজন, বিলি স্ট্যানলেক।

যাঁদের নেওয়া হয়েছে: মিচেল মার্শ (২ কোটি টাকা), প্রিয়ম গর্গ (১.৯ কোটি টাকা), বিরাট সিংহ (১.৯ কোটি টাকা), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন (৫০ লক্ষ টাকা), সন্দীপ বাভানকা (২০ লক্ষ টাকা), আব্দুল সামাদ (২০ লক্ষ টাকা), সঞ্জয় যাদব (২০ লক্ষ টাকা)।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More