মোহনবাগানের জয়রথ চলছেই, বাবার গোলে পাঞ্জাব বধ কল্যাণীতে

কল্যাণীতে দাপট দেখাল বাগান। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে বাবার করা একমাত্র গোলে জয় পেল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। আইলিগ জয়ের দিকে এগিয়ে গেল আরও অনেকটা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইলিগের এই মুহূর্তের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে কল্যাণী স্টেডিয়ামে নেমেছিল মোহনবাগান। পাঞ্জাবের মাঠে এই দলের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে ড্র করেছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু কল্যাণীতে দাপট দেখাল বাগান। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে বাবার করা একমাত্র গোলে জয় পেল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। আইলিগ জয়ের দিকে এগিয়ে গেল আরও অনেকটা।

লিগ টেবিলে দু’নম্বরে থাকা পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে শুরুতে ঘর গুছিয়ে আক্রমণের কৌশল নিয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ কিবু ভিকুনা। তাই প্রথম ১৫ মিনিট আধিপত্য ছিল আওয়ে টিমের। কিন্তু ১৫ মিনিটের পর খেলা ধরে নেয় হোম টিম। মাঝমাঠে বেইতিয়া, সাহিল, নওরেমরা বারবার পাঞ্জাবের অ্যাটাকিং থার্ডে উঠে আসছিলেন। আক্রমণ হলেও গোলের মুখ খুলছিল না।

৩৮ মিনিটের মাথায় সুযোগ পান সুহের। তাঁর হেড গোললাইন সেভ করেন ড্যানিলো। তিন মিনিট পরেই অবশ্য এগিয়ে যায় বাগান। ধনচন্দ্রর লম্বা থ্রো ধরে হেডে গোল করে বাগানকে এগিয়ে দেন পাপা বাবাকার দিওয়ারা। ডার্বি ম্যাচে গোল করার পর থেকে গোল করেই চলেছেন বাগানের এই বিদেশি। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। ১-০ এগিয়েই ড্রেসিং রুমে ফেরে বাগান।

দ্বিতীয়ার্ধে বালি গগনদীপকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করেন পাঞ্জাবের কোচ ইয়ান ল। ৪৮ মিনিটের মাথায় সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ডিকা। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে বাইরে মারেন তিনি। ৫১ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে চেস্ট ট্র্যাপ করে বাবার অসাধারণ ভলি দারুণ বাঁচান পাঞ্জাবের গোলকিপার কিরণ লিম্বু।

৬০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের দ্বিতীয় গোল নিয়ে বিতর্ক দেখা যায়। বেইতিয়ার ফ্রিকিকে গোলকিপারের ডানদিক দিয়ে ছোট্ট টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন ফ্রান মোরান্তে। রেফারি ও লাইন্সম্যান প্রথমে গোল দিলেও পরে পাঞ্জাব প্লেয়ারদের বিক্ষোভের মধ্যে নিজের সিদ্ধান্ত পাল্টান লাইন্সম্যান। অফসাইদের ফলে বাতিল হয় গোল।

তারপরে আক্রমণ প্রতি-আক্রমণের খেলা চলতে থাকে। দীর্ঘদেহী ভালসিকে নামিয়ে আক্রমণে ডিকা, বারবোসা, ও বালি গগনদীপের সঙ্গে জুড়ে দেন পাঞ্জাব কোচ। ওপেন ফুটবল চলতে থাকে। ৮০ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে বল পেয়ে বাইরে মারেন ডিকা। এক মিনিট পরেই নওদম্বা নওরেমের দুরন্ত পায়ের কাজে বক্সের মধ্যে বল পান বেইতিয়া। একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে বেইতিয়ার শট বাঁচিয়ে দেন কিরণ।

বাকি সময়টা আর গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জিতেই কল্যাণী ছাড়লেন বাগান ফুটবলাররা। এদিনের জয়ের ফলে লিগ টেবিলে ব্যবধান আরও বাড়াল মোহনবাগান। ১১ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাঞ্জাবের থেকে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে গেল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More