র‍্যাশফোর্ডের নয়া কীর্তি, মেসিদের কাছে চূর্ণ রোনাল্ডোহীন জুভেন্টাস

৩৫৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

 

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই লড়াইটা হতে পারত লিওনেল মেসি বনাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মধ্যে। কিন্তু রোনাল্ডো যেহেতু করোনায় আক্রান্ত, সেই কারণে পর্তুগিজ সুপারস্টারকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল জুভেন্টাসকে। আর রোনাল্ডোহীন ইতালির দলটি ০-২ গোলে হার মানল মেসির বার্সেলোনার কাছে।

২০১৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে চলে যাওয়ার পরে মেসি ও রোনাল্ডো মাঠে সাক্ষাৎ হয়নি। ম্যাচের আগে রোনাল্ডো ফের কোভিড পজিটিভ হওয়ায় সেই ক্ষীণ সম্ভাবনাটুকুও বিলীন হয়ে যায়। এও বোঝা গিয়েছে রোনাল্ডোহীন জুভেন্টাসও বড়ই সাদামাঠা।

আবার এও ঠিক, আলভারো মোরাতার তিনটি গোল অফসাইডে বাতিল না হলে এই স্কোরটাই জুভের পক্ষে পালটে যেতে পারত। একটি তার মধ্যে ভিএআর-র কারণে বাতিল হয়।

এই তিনটি গোল বাতিল হওয়ার বাইরে জুভেন্টাস গোটা ম্যাচেই ছিল বেশ অনুজ্জ্বল। পাশাপাশি এও বলা যেতে পারে বার্সা যদি মিস না করত খেলায়, তা হলে জুভদের লজ্জার বহর আরও বাড়ত। প্রথম একাদশে গ্রিজম্যানকে রেখেছিলেন কোচ রোনাল্ড কোমান। বার্সার আক্রমণ তিনি সাজিয়েছিলেন গ্রিজম্যান-মেসি আর দেম্বেলেকে দিয়ে। এঁদের পেছনে রেখেছিলেন পেড্রো। আনসু ফাতিকে খেলাননি। ১৪ মিনিটেই দেম্বেলের গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির পাস থেকেই তিনি গোলটি করেন।

ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডেমিরেল। ইনজুরি টাইমে গ্রিজম্যানের বদলি হিসেবে নামা আনসু ফাতিকে বক্সের মধ্যে ফাউল করলে বার্সেলোনা পেনাল্টি পেয়ে যায়। সেটি কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন মেসি।

এই জয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বার্সেলোনা গ্রুপ ‘জি’র শীর্ষে উঠে গেল দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট অর্জন করে। জুভেন্টাসের পয়েন্ট ৩। আগামী ৮ ডিসেম্বর ন্যু ক্যাম্পে আবার মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা-জুভেন্টাস।

এদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অন্য ম্যাচে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ৫-০ গোলের ব্যবধানে হারাল লাইপজিগকে। বিরতিতে একটি গোল করে ম্যান ইউ, খেলার শেষ ২০ মিনিটে চার গোল করে বিপক্ষকে চূর্ণ করেছে তারা।

ম্যান ইউ-এর বড় জয়ের মূল অবদান ২২ বছর বয়সী ইংলিশ ফরোয়ার্ড মার্কাস র‍্যাশফোর্ডের। মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যেই হ্যাটট্রিক পূরণ করেছেন তিনি, তাও কি না বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে। এছাড়া অন্য দুই গোল করেছেন ম্যাসন গ্রিনউড ও অ্যান্থনি মার্শিয়াল। যা এনে দিয়ে ৫ গোলের বড় জয়।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে মাত্র পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে বদলি নেমে হ্যাটট্রিকের কীর্তি দেখালেন তিনি। তার আগে নজির থাকা চারজন হলেন কিলিয়ান এমবাপে, ওয়াল্টার পান্দিয়ানি, জোসেবা লোরেন্তে এবং উয়ে রোজলার। এদের মধ্যে সবচেয়ে কম সময় (২৭ মিনিট) মাঠে থেকে হ্যাটট্রিক করে ফেলেছেন র‍্যাশফোর্ড।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More