এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তি, ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর নিয়ে খোলামেলা আড্ডায় বাগান সচিব

৭৬

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শুভ্র মুখোপাধ্যায়

তিনিও মোহনবাগান নিয়ে আবেগপ্রবণ বাবার মতোই। টুটু বসু সম্পর্কে ময়দানে একটা কথা চালু রয়েছে, তিনি এতটাই ক্লাবের প্রতি নিবেদিত প্রাণ সব সমস্যার পরিত্রাণও তিনি। এই মিথ বহু বছর ধরে চলে আসছে। সেই ভালবাসার ব্যাটন সংক্রামিত হয়েছে পুত্র সৃঞ্জয়ের মধ্যেও। তিনিও মোহনবাগানকে মনে করেন মন্দির, আবেগের পীঠস্থান। প্রশাসনে রয়েছেন দীর্ঘদিনই, এবার আরও বড় পদে, ক্লাবের সচিবের ভূমিকায়।

এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তি, চিরপ্রতিপক্ষ ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের নয়া ইনভেস্টর প্রাপ্তি, সবটা নিয়েই মন খুলে আড্ডা দিলেন ‘দ্য ওয়াল’-এর সঙ্গে। সেইসময় অবশ্য রেকর্ড অনই ছিল!

প্রশ্ন : আগে ছিল ম্যাকডাওয়েল মোহনবাগান, এখন এটিকে-মোহনবাগান। ভারতীয় ফুটবলের দৃষ্টিভঙ্গীতে সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা সমান হবে?

সৃঞ্জয় বসু : দেখুন, সময়ই সবকিছু মানুষকে দিয়ে সবটা করিয়ে নেয়। এগুলি বাস্তব ভাবনা। আমাদের যে প্রতিপক্ষ দল তাদেরও তো আগে একটা নির্দিষ্ট নাম ছিল, আমাদেরও ছিল। সেই নাম আমরা বলতে পারতাম, কারণ আইনানুগ কোনও বিষয় ছিল না। কিন্তু আইএসএলে স্পনসরদের নাম নেওয়া যাবে না, বা উল্লেখ করা যাবে না। আমরা এমন একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছি, তাদের একটা দল ছিল। তারা সেই সুবিধেটা পেয়েছে। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের ক্ষেত্রে সেই সুবিধে নাও থাকতে পারে। কারণ তাদের কোনও দল নেই, তারা একটি কোম্পানি।

প্রশ্ন : মোহনবাগান টিম মানে ছিল টুটু বসু, সৃঞ্জয় বসু কিংবা দেবাশিস দত্তরা। তাঁরাই দলের বিষয়ে শেষ কথা বলতেন। সেখানে এটিকে-র তিনজন সদস্য বোর্ড অব ডাইরেক্টর আর মাত্র দুইজন মোহনবাগানের প্রতিনিধি। কতটা কঠিন এই পরিবেশ মানিয়ে চলা?

সৃঞ্জয় বসু : এটিকে-র ডিরেক্টর আরও বেশি, কিন্তু এটা মনে রাখবেন সারা বিশ্বে টিমের ব্যাপারে শেষ কথা বলে টিম ম্যানেজমেন্ট। যুগ পালটাচ্ছে, সময়ের সঙ্গে আপনাকেই চলতেই হবে। আমরা গত মরসুমে নিজেদের কিছুটা বদল এনেছি। দলের বিষয়ে কোনও মাথা গলাইনি। সব সিদ্ধান্ত কোচের ওপর ছেড়েছি। এবারও তাই হবে। কোনও সমস্যা হলে নিজেদের মধ্যে আলোচনার রাস্তা খোলা রাখতে হবে।

সেখানে নতুন দলগঠন বা অন্য কোনও সিদ্ধান্ত সব বিষয়ই ক্লাবের সিইও (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) বোর্ডের ডিরেক্টরদের সঙ্গে আলোচনা করে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে। এটাই নিয়ম, এভাবেই ক্লাব প্রশাসন চলছে। পেশাদার পরিকাঠামো আনতে গেলে এগুলি মানতে হবে, পদ্ধতিগত পরিবর্তন করতে হবে। আরও একটা কথা, ক্লাবের আধুনিকীকরণ, পেশাদার কাঠামো, নতুন ম্যানেজমেন্ট স্কিল এগুলিকে ঢেলে সাজাতে হবে। কারণ ক্লাবের ভাল আমরা সবাই চাই।

প্রশ্ন : ‘লাগে টাকা দেবে গৌরি সেন’র মতো মোহনবাগানে ছিল লাগে টাকা দেবে টুটু বসু। এই মিথ শেষ হয়ে গিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ভিক্টোরিয়া হাউসে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার কাছে চলে যেতে চলেছে। আপনি টুটু বসুর পুত্র, বাবার কাছে এই বিষয়টি কতটা ব্যথাতুর? নাকি তিনি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন, যে আর তাঁকে একা টানতে হবে না?

সৃঞ্জয় বসু : সর্বদা মাথায় রাখতে হবে, নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী চলা জরুরী। এখন আইএসএলে ক্ষতির পরিমান অনেকটাই বেশি, দলগঠন করা, আরও অনেক খরচ। সেখানে ইনভেস্টর প্রয়োজন অবশ্যই। মোহনবাগানের ভাল হলে সবাই খুশি, আমি যেমন খুশি, বাবাও খুশি হবেন। আমি ক্ষমতা দখল করে থাকলাম, কাউকে ঢুকতে দেব না, আমার স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে না, এমন মনোভাব নিয়ে চললে হবে না। তাতে ক্লাবের ক্ষতি। কারণ আমি আগে সমর্থক। এই শিক্ষাও বাবার কাছ থেকেই আমি পেয়েছি। দল ভাল করলে তবেই তো আমি অফিসিয়াল হিসেবে বেশি সাকসেসফুল। আজকের যা পরিস্থিতি, আর্থিক পরিকাঠামো, তাতে ইনভেস্টর দরকারই।

প্রশ্ন : এটিকের সঙ্গে মোহনবাগানের গাঁটছড়া বাধা, সমর্থকদের একটা অংশ মানতে পারেনি বহুদিন পরেও। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের এই ইনভেস্টর লাভ ও তাদের নাম কোম্পানির ভেতর প্রবেশ করে যাওয়ায় এতদিন পরে তারাও একটু স্বস্তিতে। তারা এটাই ভাবছে, যাক আমাদের ক্লাবের নাম একটা দলের সঙ্গে জুড়েছে, ওদের মতো হয়নি, এটাই রক্ষে! তাই কী?

সৃঞ্জয় বসু : দেখুন কেউ কিছুই ভাবছে না, এগুলি কিছু সোশ্যাল সাইটে কয়েকজন বলছে। এটা তো ঠিক, যারা ক্লাবে টাকা ঢালবে, তারা তো নাম চাইবেই, এতে অন্যায়ের কিছু নেই। সেখানে ইস্টবেঙ্গলের নাম থাকাও প্রাসঙ্গিক, কারণ ওই ক্লাবেরও এতো ঐতিহ্য, পরম্পরা। আমার তো মনে হয় ইস্টবেঙ্গলের নামও থাকবে।

আর শ্রী সিমেন্ট যে অর্থ বিনিয়োগ করছে, এগুলি আমার বলা উচিত নয়। তারা সিএসআর ফান্ডিং করছে, সেই কারণেই এতো সমস্যা। এটা তো তার মার্কেটিং বাজেট কিংবা টোটাল ইনভেস্ট নয়, এটা সিএসআর ইনভেস্টমেন্ট।

সিএসআর হল, একটা কোম্পানির নিট প্রফিটের একটা পার্সেন্টেজ, যেটা সমাজের কাজে ব্যয় করতে হবে। আইএসএলের মতো একটা ব্যবসায়ী পেশাদার লিগে খেলতে গেলে তার কী সামাজিক কাজ থাকে, আমি জানি না। এও ঠিক কেউ আমরা স্বস্তিতে নেই, তবে ইনভেস্টর সকলের প্রয়োজন, আমাদের যেমন দরকার, ওদেরও প্রয়োজন। এবার একেকজনের শর্ত আলাদা হতেই পারে। আপনার চেহারা ও আমার চেহারা তো এক নয় যে, এক ধরনের জামা-কাপড় পরে ঘুরে বেড়াব। এগুলিও একই বিষয়।

প্রশ্ন : শোনা যাচ্ছে, ফ্রান মোরান্তে চলে গিয়েছেন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডে, কিংবা বেইতিয়ার চুক্তি হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে। কিংসলে তো মহামেডানে চলেই গিয়েছেন। আপনারা কী গত মরসুমের বিদেশীদের সঙ্গে কথাই বলেননি?

সৃঞ্জয় বসু : আমাদের দুটি দলেরই একটা সেট দল রয়েছে। আর এবার সেই দুটি দল থেকে বাছাই সারবেন আমাদের কোচ হাবাস। তিনিই শেষ কথা বলবেন। এটা মনে রাখা জরুরী, দুটি চ্যাম্পিয়ন দল কিন্তু এক সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তাই সব চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবলারদের নিয়েই আমরা দলগঠন করেছি। প্রতিদিনই আমরা যাদের নিচ্ছি, সেই বিষয়ে ঘোষণা করা হচ্ছে।

মোহনবাগানের শেখ শাহিল, নার্জারি, শুভ ঘোষরা রয়েছে, আবার এটিকে দলের রয় কৃষ্ণ, ডেভিড উইলিয়ামসরাও থাকছে। আবার মোহনবাগানে এর আগে খেলেছে, সেই প্রীতম কোটাল, প্রণয় হালদার, প্রবীর ও শুভাশিস বসুরাও রয়েছে। তাঁরাও তো সেই পুরনো আবেগ নিয়েই খেলবে।

প্রশ্ন : আপনাদের হয়ে এতদিন যিনি খেললেন, সেই শিলটন পাল এবার দলই ছেড়ে দিলেন। তাঁকে কী মোহনবাগান সম্মান জানিয়ে রেখে দিতে পারত না? তিনি তো একটা ফেয়ারওয়েল ম্যাচ পেতেই পারতেন।

সৃঞ্জয় বসু : শিলটনের সঙ্গে আমাদের ভাল সম্পর্ক। শিলটন দল ছেড়েছে বলে তাঁর সঙ্গে আমাদের একাত্মতা থাকবে না, এটা কখনই নয়। কারণ এর আগেও দেখবেন আদ্যপ্রান্ত মোহনবাগানী হয়েও বহু বড় বড় ফুটবলার দল ছেড়েছেন, তাঁদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সেই আগেরমতোই রয়েছে। তিনি পরিস্থিতি বিচার করে অন্য দলে যেতেই পারেন, কিন্তু তা বলে আমাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কই রয়েছে, আগামীদিনেও থাকবে।

আর শিলটন তো এখন অবসর নিতে চায় না, সে এখনও সর্বোচ্চ স্তরে খেলার মতো জায়গায় রয়েছে। আরও ভাল খেলবে সে, আমাদের বিশ্বাস। আর এতদিন মোহনবাগানে সম্মানের সঙ্গে খেলেছে, শিলটন যেমন আমাদের মনে ছিল তেমনি কাছের মানুষ হিসেবেই থাকবে। সবসময় মনে করবেন, যার যেটা সম্মান, সেটি কখনই কাড়া যাবে না।

প্রশ্ন : একটা প্রশ্ন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইনভেস্টরের নাম মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছেন। তিনি সেটি করতেই পারেন, কেননা সেটি রাজ্য সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক ভবন। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে এমন কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে যদি মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ মোহনবাগান না পায়, তা হলে সেটি কী নিরপেক্ষতার কোনও প্রশ্ন তুলতে পারে?

সৃঞ্জয় বসু : মুখ্যমন্ত্রী আজ পর্যন্ত যতবার এগিয়ে এসেছেন, সবটাই নিরপেক্ষভাবে করেছেন। কলকাতার তিন বড় ক্লাবকে হয়তো বড় করে সাহায্য করেছেন। আবার তিনি পাড়ার ক্লাবগুলিকেও সমান চোখে দেখেছেন। তাই পক্ষপাত্বিতের বিষয় বলব না। আর ইস্টবেঙ্গল অফিসিয়ালরা নিজেরা সমস্যা মেটাতে পারেননি বলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছিল, তিনি সেটা করে দিয়েছেন। কারণ একটা বাংলার ক্লাব, সম্মানের কথা ভেবে এগিয়ে এসেছেন, সেটা নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই।

অদূর ভবিষ্যতে আমরা যদি কোনও সমস্যায় পড়ি, বিপদের দিনে তাঁর কাছে গেলে আমরাও সাহায্য পাব, এটা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রশ্ন : সিনিয়র দলে তারকা এনে বাজিমাত এক জিনিস, কিন্তু জুনিয়র স্তরে ফুটবলার তুলে আনার প্রক্রিয়া, সেটিকে বজায় রাখার জন্য আপনাদের ভাবনা কতটা সুদূরপ্রসারী?

সৃঞ্জয় বসু : দেখুন, এটা সময়োপযোগী বিষয়। আমাদের বোর্ড আলোচনা করে ভেবে রেখেছে জেলায় জেলায় অ্যাকাডেমি হবে, সারা দেশে ফুটবলটিকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এগুলি তো বলে দিলেই হল না। একটি দীর্ঘমেয়াদী বিষয়। আর এবার যা পরিস্থিতি, এবছরটা যা গেল, তাতে দুম করে কিছু করতে গেলে ভাবতে হবে।

জুনিয়র বলুন বা সিনিয়র, মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল দলের চাপ থাকে বেশি। কারণ এই দুটি ক্লাবের সমর্থকদের কাছে ভাল খেলাটা বড় কথা নয়, জেতা দল চাই, ট্রফি চাই, এমন একটা বিষয় থাকে। তাই দল গড়তে গেলে ভাবতে হবে কোনটা বেশি প্রাসঙ্গিক। জুনিয়রদের যেমন এগিয়ে দিতে হবে, আবার তেমনি জুনিয়রদেরও প্রমাণ করতে হবে তারাও বড় দলে টানা খেলার যোগ্য। শুধু জুনিয়র খেলাতে হবে বলে দলে জুনিয়র রাখলাম, এটা কোনও কথা নয়।

গতবার তো আমাদের দলে একদমই নতুন সেটআপ ছিল। সেই দলকে নিয়ে তো কিবু ভিকুনা পরিকল্পনা করে সাফল্য এনেছে। তাই কিভাবে সাফল্য ধরা দেবে, কেউ জানে না। জুনিয়রদেরও সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্য তৈরি থাকতে হয়। আর আমাদের মোহনবাগান অ্যাকাডেমি থেকে বহু ফুটবলার উঠে এসেছে, তারা শুধু আমাদের ক্লাবেই নয়, পাশাপাশি ভারতের নানা ক্লাবে খেলে নাম করেছে। তাই অ্যাকাডেমি আবারও হবে, সেটিকে আবার গড়ে তুলতে হবে পরিকল্পনা অনুয়াযী।

প্রশ্ন : এমন দিন এল, যেদিন দেখা গেল, এটিকে-র সঙ্গে আপনাদের কোনওভাবেই বনিবনা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার কোনও পথ খোলা রয়েছে কী?

সৃঞ্জয় বসু : এরকম বলছেন কী করে জানি না! এখন তো সমাজে এমনও হচ্ছে, অনেক স্বামী-স্ত্রী ২৫ বছর একসঙ্গে সংসার করেও বনিবনা হচ্ছে না বলে ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। আমি যদি বিয়ের প্রথমদিন থেকেই ভাঙার কথা ভাবি, তাহলে সেই সম্পর্কই টিকবে না। এখন তো দেখছি বুড়ো বয়সে বাবা-মা-কে ছেড়ে চলে যাচ্ছে ছেলেমেয়েরা। কারণ নেতিবাচক মানসিকতা সংক্রামক, নেতিবাচক মানসিকতাকেই প্রশয় দেয়। তাই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে চলা উচিত আমাদের।

এও ঠিক, আমাদের সঙ্গে সেরকম সমস্যা এটিকে-র কোনওদিনই হবে না, যদি না আমরা নিজেদের পেশাদারী এক্তিয়ার ভুলে যাই। কারণ আমাদের সঙ্গে যারাই এর আগে এসেছে, সম্পর্ক বরাবর ভালই ছিল, সেই সম্পর্কও অনেক দীর্ঘও হয়েছে, তাই এবারও তেমনি থাকবে। দেখুন, খারাপ কিছু হলে আইন আছে, অনেক বিষয় রয়েছে বেরিয়ে আসার। কিন্তু আমার বিশ্বাস, এরকম কিছুই হবে না।

প্রশ্ন : অনেকেই বলছেন, এটিকের সঙ্গে চুক্তি করার পরে প্রথম গোলটা আপনারাই খেয়েছেন কোচ নির্বাচন ইস্যুতে। কারণ আপনাদের যিনি আই লিগ চ্যাম্পিয়ন করলেন, সেই ভিকুনাকে বিদায় নিতে হল এটিকের কোচ হাবাসকে রাখতে গিয়ে। কী বলবেন?

সৃঞ্জয় বসু : না, না এভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। হাবাসের সঙ্গে এটিকে-র চুক্তি ছিল, আমাদের সঙ্গে তো ভিকুনার সেটি ছিল না। মনে রাখবেন হাবাস একজন যেমন চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ, আবার কিবু ভিকুনাও একজন চ্যাম্পিয়ন কোচ। হাবাস মোট তিনবার আইএসএলে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন।
কেউ কী বলতে পারবেন, আগামী দুই এক বছরের মধ্যে মোহনবাগানের আবারও কোচ হবেন না ভিকুনা? এটা পেশাদার জগৎ, সময়ের প্রয়োজনে এগিয়ে চলতে হয়। এখন সবকিছুই হতে পারে, তাই এসব ভাবলে চলবে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More