প্রিয়জন হারানোর শোক ভুলে বীরগাথা নীতীশ ও মনদীপের, মুগ্ধ শচীনও

৭৬১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

 

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নিজেও একসময় বাবার মৃত্যু শোক ভুলে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচে কেনিয়ার বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন তেন্ডুলকার। তিনি জানেন প্রিয়জনকে হারানোর পরে মনের অবস্থা কেমন থাকে যখন আপনি পরিবারের কাছে থাকতে না পারেন।

আইপিএলের ম্যাচেও এমন দুটি ক্ষেত্রে পরিবারের পাশে থাকা তো দূর, নিজেদের কাজটি করলেন তাঁরা ম্যাচ খেলে, নিজেদের দায়িত্ব পালন করে।
কেকেআরের নীতীশ রানা ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মনদীপ সিং। প্রথমজন হারিয়েছেন শ্বশুরমশাইকে, আর মনদীপ ম্যাচের আগেরদিনই জানতে পারেন তাঁর বাবার জীবনাবসান ঘটেছে। নিজের দায়িত্বে অবিচল থেকে দলের সঙ্গে থেকেছেন, ম্যাচ খেলেছেন, দলকে জয় এনে দিয়েছেন। আবার নীতীশ রানা দলের হয়ে দুরন্ত ইনিংস খেলার পরে হাফসেঞ্চুরি করে শ্বশুরমশাই নামাঙ্কিত সুরিন্দর নামে জার্সি তুলে ধরে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

এই দুজনের চরম পেশাদারিত্ব দেখে নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি শচীন। ট্যুইটারে দুজনের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘‘কাছের মানুষকে হারানো খুবই বেদনাদায়ক। এর চেয়েও কষ্টকর হল শেষবারের মতো বিদায় বলতে না পারা। মনদীপ-নীতীশ ও ওদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। তারা যেন এ ধাক্কা দ্রুত সামলে নিতে পারে। তোমরা মাঠে নামায় দুজনকেই টুপি খোলা অভিবাদন। দারুণ খেলেছ।’’

নীতীশের ইনিংস ছিল লা জবাব, ৫৩ বলে ৮১ রানের ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও একটি ছয়। আর মনদীপ ১৭ রান ও একটি ক্যাচ ধরেছেন। মনদীপের বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুরো দল কালো ব্যাজ পরে মাঠে নেমেছিল।

সব থেকে বড় বিষয় হল, নীতীশের ব্যাটে টানা ব্যর্থতা চলছিল। তিনি রান পাচ্ছিলেন না। যদিও দল তাঁকে সমর্থন করে সেই তিনেই খেলিয়ে গিয়েছে। তার প্রতিদানও দিলেন তিনি। তাঁর শ্বশুরমশাইয়ের ক্যান্সার ছিল, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলছে। ম্যাচের আগেরদিনই পরিবারের তরফে তাঁকে এই খবর দেওয়া হয়েছিল। দুঃখ পেয়েছিলেন তো বটেই, পাশাপাশি দলের প্রতি দায়বদ্ধতায় তিনি একটি দৃষ্টান্ত রাখলেন মনদীপের মতোই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More