ঋষভ নয়, জাতীয় দলে ফেরাও স্যামসনকে, দাবি প্রাক্তনদের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত কয়েকবছর ধরেই আইপিএলে দাপটের সঙ্গে খেলে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। তবুও তিনি ব্রাত্য ভারতীয় দলে। বরং তাঁর পরিবর্তে ঋষভ পন্থ নিয়ে কোহলিদের মাতামাতি বেশি। ঋষভকে বারবার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন ক্রমেই।

ধোনির বিকল্প হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে তুলে ধরা হয়েছে ঋষভকে। দিল্লির ওই ক্রিকেটার নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ। আইপিএলেও দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন এমন নয়, তবুও বিশেষজ্ঞদের একটা অংশ, এমনকি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও ঋষভের মধ্যে যাবতীয় প্রতিভা খুঁজেছে এতদিন। সেই নিয়ে দেশের প্রাক্তনদের একটা অংশ আক্রমণাত্মক মন্তব্য শুরু করেছেন।

চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে তিরুবন্ততপূরমের স্যামসনের ব্যাটিং দেখে মোহিত ক্রিকেট দুনিয়া। ৩২ বলে ৭৪ রানের ইনিংসে নয়টি বাউন্ডারি মেরেছেন তিনি। স্ট্রাইকরেট প্রায় দুশোর কাছাকাছি। গৌতম গম্ভীরের মতো নামী প্রাক্তন ব্যাটসম্যান তাই বলেছেন, ‘‘আমি দেখেছি সঞ্জুকে নিয়ে সব জায়গায় কথা হয়, ওকে সবাই সাদরে স্বাগত জানায়, অথচ ভারতীয় দলে ছেলেটার জায়গা হয় না, কেন হয় না আমি জানি না!’’

শুধু গম্ভীর নন, বীরেন্দ্র সেওয়াগও জানিয়েছেন, ‘‘অবিলম্বে স্যামসনকে ভারতীয় দলে ডাকা উচিত। যে কোনও ক্রিকেটারকে সেরা সময়তেই ডাকা উচিত, আমার মতে সঞ্জুরও সেরা সময় চলছে।’’ ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বাংলার পূর্বতন অধিনায়ক ও কোচ অশোক মালহোত্রা বলেছেন, ‘‘সঞ্জু তো সব আইপিএলেই ভাল খেলে, সেগুলি কী নির্বাচকদের চোখে পড়ে না? এমন নির্বাচন হলে তো যারা যোগ্য তারা দলেই আসবে না। আমি চাই স্যামসন টেস্ট এবং ওয়ান ডে দুটি দলেই আসুক।’’

স্যামসনের বাবা বিশ্বনাথ স্যামসন আবার দিল্লি পুলিসের প্রাক্তন কনস্টেবল ছিলেন। তিনি ছেলের বিষয়ে আশাবাদী। সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘‘আমার ছেলে কোনও না কোনওদিন ভারতীয় দলে খেলবেই। কারণ ওর মনের জোর খুব। না হলে প্রতিবার ভারতীয় দলে ওর নাম না দেখে ছেলে আমাকে বলে বাবা আমি সুযোগ পাবই, দেখে নিও, আমি আমার কাজটা করে যাই।’’

কাজটা যে স্যামসন ভালই করেছেন, তার নমুনাও রয়েছে। ২০১২ সালে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের দলে ছিলেন কেরালার এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের বছরের আইপিএলেও নজর কাড়েন। ২০১৩ সালে প্রথম আইপিএলে ১১ ম্যাচে করেন ২০৬ রান। ২০১৪ সালে ১৩ ম্যাচে ৩৩৯ রান। ২০১৫ সালে ১৪ ম্যাচে ২০৪ রান, ২০১৬ সালে ১৪ ম্যাচে ২৯১ রান, ২০১৭ সালে ১৪ ম্যাচে ৩৮৬ রান, ২০১৮ সালে ১৫ ম্যাচে ৪৪১ রান। গতবার করেছিলেন ১২ ম্যাচে ৩৪২ রান। সবদিক থেকেই তিনি প্রমাণ দিয়ে এসেছেন। অথচ জাতীয় নির্বাচকরা তাঁকে গুরূত্বই দেননি।

গতদিন ম্যাচের সেরা হয়ে স্যামসন বলেছেন, ‘‘আমি প্রতি ম্যাচেই দলের হয়ে অবদান রাখার চেষ্টা করে থাকি। এদিনও চেষ্টা ছিল বাজে বলকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠাব। এমনভাবেই আমি নয়টি ওভার বাউন্ডারি মারি।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More