ঋতুরাজের ব্যাটে জয়ের বসন্ত ফিরল ধোনিদের

৩৮১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

 

অশোক মালহোত্রা

এবারের আইপিএলে এই পর্যায়ে এসে একটা অন্য বিষয় দেখতে পাচ্ছি। তালিকায় উপরের দিকের দলগুলিকে হারিয়ে দিচ্ছে নিচের সারির দলগুলি। ম্যারাথন লিগে এটাই সাধারণত হয়ে থাকে। আরও একটি বিষয় লক্ষ্য করছি, কোনও ম্যাচকে আগে থেকে অনুমান করেছ তো ডুবেছ!

রবিবারও দুবাই স্টেডিয়ামে তাই হয়েছে। খেলার আগে থেকে বিশেষজ্ঞদের একটা অংশ বলতে শুরু করেছিলেন, এই চেন্নাই কিছুতেই পারবেন না ফর্মে থাকা আরসিবি-র কাছে। কিন্তু ঘটনাচক্রে ম্যাচে দাঁড়াতেই পারল না ব্যাঙ্গালোর। তাদের হার আট উইকেটে।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে প্রথম চার ব্যাটসম্যানই যা দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পেরেছে, না হলে শেষদিকে ছয় ব্যাটসম্যান সেই অর্থে ব্যর্থই। বিরাট কোহলি (৪৩ বলে ৫০) এবং এবি ডি’ভিলিয়ার্স (৩৬ বলে ৩৯) এই জুটিটা ভাল খেলে দেওয়ায় তারা করতে পেরেছে ১৪৫ রান।

এই রান আরসিবি-র পক্ষে মানা যায় না। যে দলে এত তারকা, সেই দলের রান ১৬০-১৭০ হলে তবুও লড়াই করার জায়গা থাকত। কিন্তু চেন্নাই দলের ওপেনার তরুণ তারকা ঋতুরাজ গায়কোয়াডের ৫১ বলে ৬৫ রানের ইনিংসটি এককথায় দুরন্ত, তার মধ্যে রয়েছে চারটি চার ও তিনটি ওভার বাউন্ডারি। তাঁর দৌলতেই আট বল আগে ১৫০ রান করে ৮ উইকেট ম্যাচ জিতে নিল ধোনিরা।

ঋতুরাজের পাশে আম্বাতি রায়ডু ২৭ বলে ৩৯ রান করে ম্যাচ জয়কে আরও মসৃণ করেছে। যে কোনও দলের ওপেনিং জুটি যে ক্লিক করে যায়, সেই দিন একটা দল অনেকটা এগিয়ে যায়। চেন্নাই সুপার কিংসের ক্ষেত্রে এদিন তাই হয়েছে। ঋতুরাজ ও ডু প্লেসির (১৩ বলে ২৫) ঝোড়ো একটা শুরুর পরে আরসিবি-র বোলারদের মেরুদন্ডই ভেঙে গিয়েছিল।

ঋতুরাজ ম্যাচে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। সুযোগ পেয়েই সেটি কাজে লাগালেন। এই উইকেটে প্রথমে ব্যাটিং করা চাপের। কারণ পিচ খুবই স্লো, বল পড়ে ব্যাটে আসেনি ঠিক মতো। সেই কারণেই কোহলি, ডি’ভিলিয়ার্সরা চালাতে গিয়ে আউট হয়েছে। শেষদিকে পিচ একটু ভাল হয়ে গেলেও তবুও নানারকম আচরণ করছিল।

চেন্নাইয়ের এই ম্যাচ জিতে কতটা সুবিধে হল জানি না, তবে লড়াইয়ে ফিরল এটি নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে। তাদের ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, অপরদিকে আরসিবি হেরে ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্টে তিনে থাকল। এই চেন্নাই দলে বুড়োদের সংখ্যা খুবই বেশি। তারা বছরভর খেলে চলেছে,। নতুনদের তুলে না আনলে এই দলকে টানবে কে! ঋতুরাজ সেটাই প্রমাণ করল। নতুনদের স্থান না করে দিলে বুড়ো হাড়ে আর কত ভেলকি চলবে! বোলিংয়ে যেমন স্যাম কুরান ধোনিদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : আরসিবি ২০ ওভারে ১৪৫/৬, কোহলি ৫০, ডি’ভিলিয়ার্স ৩৯, স্যাম কুরান ৩/১৯।
সিএসকে ১৮.৪ ওভারে ১৫০/২। ঋতুরাজ ৬৫, রায়ডু ৩৯, ধোনি অপরাঃ ১৯।
চেন্নাই জয়ী ৮ উইকেটে। ম্যাচের সেরা : ঋতুরাজ গায়কোয়াড

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More