রূপনগরের রূপকথা: বাঙালির স্বপ্ন, জেদ, সাফল্যের গল্প

৪১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শাশ্বতী সান্যাল

কথায় বলে বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী। আর সেই বাণিজ্য নিয়েই বাঙালির না কি দারুণ অনীহা! অথচ এই বাংলার মাটিতেই দ্বারকানাথ ঠাকুর, মতিলাল শীল, রামদুলাল দে,নকুড় ধরদের জীবনী একেবারে অন্য কথা বলে। সরকারি চাকরির নিরাপদ ছায়া আর দশটা পাঁচটা কেরানিগিরির চেনা গণ্ডির বাইরে এখনও জন্ম নেয় এমন অনেক অন্যরকম রূপকথা। আমরা শুধু খোঁজ রাখি না সেইসব নিরলস, প্রচারভীরু মানুষগুলোর। খবর রাখি না তাদের ‘অন্যরকম’ জীবনসংগ্রামের।

তেমনই এক রূপকথার মানুষ রামকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ধমানের প্রান্তে বসে যিনি স্বপ্ন দেখেন একটা স্বতন্ত্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব গড়ে তোলার, অযুত মানুষের কর্মসংস্থানের। আর ‘একলা চলো’ নীতিতে ভরসা রেখে এগিয়ে চলেন পায়ে পায়ে, লক্ষ্যে অবিচল থেকে।

রামকৃষ্ণবাবুর শুরুটাও কিন্তু আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই৷ বাবা ছিলেন প্রাইমারি শিক্ষক। শিক্ষকতা করতেন দাদাও৷ কৃতি ছাত্র রামকৃষ্ণবাবুও সহজেই বেছে নিতে পারতেন সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত জীবন৷ কিন্তু তা না করে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন জীবনের অনিশ্চিত জলতরঙ্গে। শুরু করেছিলেন ব্যবসা। সেই ছোট্ট ব্যবসা ফুলেফেঁপে আজ রীতিমতো বিজনেস হাবের চেহারা নিয়েছে৷ প্রায় হাজার খানেক মানুষের কর্মসংস্থানের দায়িত্ব আজ তাঁর কাঁধে৷ ইন্দ্রজাল বোধহয় একেই বলে…

বদলে গেছে সবকিছুই, কিন্তু বদলাননি রামকৃষ্ণবাবু। শিল্পপতি হলেও এখনও যুবক বয়সের মতোই উদ্যমী, জেদি ও পরিশ্রমী রামকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে শুরু হল তার জয়যাত্রা? কেমন ছিল শুরুর দিনগুলো? খুব কি সহজ ছিল মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মেধাবী ছেলেটির এই অন্যরকম জার্নি? – উত্তর দিতে গিয়ে এখনও ভীষণ স্মৃতিতাড়িত হয়ে পড়েন তিনি৷বারবার ফিরে যান শৈশবে।

বিদ্যাসাগরের বংশ, তাই প্রণাম নেননি শিক্ষক

জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স অব্দি কেটেছে হুগলির শ্রীরামপুর শেওড়াফুলি অঞ্চলে। তারপর নানা কারণে পরিবারের বাকিদের সঙ্গে দেশের বাড়ি আরামবাগে চলে আসা। সাত ভাইবোনের বড় সংসারে, রামকৃষ্ণবাবু ছিলেন কনিষ্ঠতম। গ্রামেই পাকাপাকিভাবে থাকা শুরু হয়েছে তখন। ছোটো ছেলে রামকৃষ্ণকে বাবা ভর্তি করে দিলেন পাড়ার প্রাইমারি স্কুলে।

স্কুলের প্রথম দিনের সেই আশ্চর্য অভিজ্ঞতা আজও রামকৃষ্ণবাবুর মনে গেঁথে আছে। ছেলে ইস্কুল যাবে, মা পইপই করে বলে দিয়েছেন, প্রথম দিন সমস্ত মাস্টারমশাইয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে। মাতৃবাক্য মেনে বাসুদেব আচার্য স্যারকে প্রণাম করতে যাবেন, তার আগেই বালক রামকৃষ্ণের হাত দুটি ধরে ফেললেন বাসুদেববাবু। শিক্ষকের ব্যবহারে তখন তো রীতিমতো অবাক শিশু ছাত্রটি। তাহলে কি প্রণাম নেবেন না মাস্টারমশাই?

সেদিন অদ্ভুত কয়েকটি কথা বলেছিলেন বাসুদেবস্যার, অর্ধশতাব্দী পার করে এসেও যা ভুলতে পারেননি রামকৃষ্ণবাবু। শিক্ষক বলেছিলেন, “তোমরা বিদ্যাসাগরের বংশের মানুষ। শিষ্য হলেও তোমার প্রণাম আমি নিতে পারি না। কখনও পায়ে হাত দিও না আমার। প্রণাম করতে ইচ্ছে হলে, বা প্রয়োজন হলে করজোড়ে কোরো।”

Vidyasagar: The Brilliant Man Who Stood Up For19th Century Women

গ্রামের পাশেই বনমালীপুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পিতৃভূমি। সেই বিখ্যাত বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের সঙ্গে নিজের পরিবারের নাড়ির যোগের কথাও শুনেছিলেন অল্পস্বল্প।    কিন্তু শিশুমন তখনও জানেনা কে এই ‘বিদ্যাসাগর’! জানলেন ধীরে ধীরে। বর্ণপরিচয়, বোধোদয়ের হাত ধরে  আলাপ হল সেই সিংহশিশুর সঙ্গে। জেদ আর অধ্যাবসায়ের সেই একই রক্ত যে ধমনিতে বইছে, সেই ছোটোবেলা থেকেই একটি দিনের জন্যও সে কথা বিস্মৃত হননি রামকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

বইয়ের নেশা ছেলেবেলা থেকেই, ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছিল দুষ্প্রাপ্য বইও

শিক্ষক বাড়ির সন্তান, বই পড়ার নেশা ছিল রক্তে। কিন্তু টানাটানির সংসারে পড়ার বই ছেড়ে গল্পের বই কেনার সামর্থ্য কই! স্কুলের লাইব্রেরি থেকে, আত্মীয় বন্ধুদের থেকে চেয়েচিন্তে বই পড়েছেন একসময়। সারাদিনের কাজ শেষে রাত জেগে লণ্ঠনের আলোতে শেষ করেছেন একের পর এক গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধের বই।

এই চূড়ান্ত সফল মানুষটির দিকে তাকালে আজ বিশ্বাস করা মুশকিল, বইয়ের অভাবে একসময় খবরের কাগজের ঠোঙাও এপিঠওপিঠ উল্টে পড়তেন তিনি। বৃত্তি পরীক্ষার আগে টানা তিনমাস তখন বাবার সঙ্গে আলাদা থাকার সুযোগ এসেছে। সদ্য ক্লাশ ফোর পাশ করা কিশোরের হাতে সেইসময় এসে পড়ল স্বপনকুমারের বেশ কিছু ডিটেকটিভ গল্পের বই। গল্পের বই পড়ার সেই হাতেখড়ি।

তার বেশ কিছু বছর পর, দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় শেষ করে ফেললেন শরদিন্দু অমনিবাস। ব্যোমকেশের সঙ্গে প্রতিতুলনায়  কৈশোরের ফ্যান্টাসি স্বপনকুমারকে বাতিল করেছেন ততদিনে। আত্মীয় বন্ধুদের কাছে যেখানে যা পান, গোগ্রাসে পড়ে ফেলেন। এভাবেই একদিন সুযোগ হয়ে গেল সাহিত্যিক শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়ার। সে বাড়ির যেদিকেই তাকানো যায়, বই আর বই। লোকলজ্জার তোয়াক্কা না করেই সরাসরি আবদার করে বসলেন ‘শাহাজাদা দারাশুকো’র রচয়িতার কাছে – “আপনার একটা বই দেবেন আমায়?”

সুরসিক শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন উত্তরে বলেছিলেন “বয়সটা একটু বেশি হলে, আমার মেয়ের সঙ্গে তোমার বিয়েটাও দিতে পারতাম। কিন্তু বই তো দিতে পারব না বাপু।”  পাঠকের জীবনে বইয়ের গুরুত্ব কতখানি, ওই একটি কথাতেই সেদিন বুঝেছিলেন রামকৃষ্ণবাবু। বেড়েছিল পড়ার খিদেও।

পরবর্তীকালে ব্যক্তিগত সংগ্রহে এসেছে একের পর এক অসামান্য বই। তেমনই একটি বইয়ের কথা আজও ভুলতে পারেননা রামকৃষ্ণবাবু। বিপ্লবী শ্রীশচন্দ্র ঘোষের লেখা সেই বইটির নাম ‘আমি রাসবিহারী বসুকে দেখেছি’। একই নামে নারায়ণ সান্যালের লেখা বইটি আজও সুলভ বইপাড়ায়। কিন্তু কলেজস্ট্রিট থেকে ন্যাশনাল লাইব্রেরি, সর্বত্র খোঁজ করেও শ্রীশ ঘোষের লেখা এই দুষ্প্রাপ্য বইটির আর কোনও দ্বিতীয় কপি খুঁজে পাননি রামকৃষ্ণ বাবু। প্রথম কপিটিও তার ব্যক্তিগত সংগ্রহশালা থেকে খোওয়া গেছে বহুদিন। লেখালিখির সঙ্গে যুক্ত কারও সঙ্গে  আলাপ হলে একবার অন্তত বইটি খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ জানাবেনই তিনি।

শুধু সাহিত্যানুরাগ নয়, রীতিমতো সাহিত্য চর্চাও করেছেন একসময়। কম বয়সে টুকটাক কবিতা গল্প লিখে জমিয়ে রাখতেন একটি খাতায়। আগামীতে কী ভাবছেন প্রশ্ন করলেই শিল্পপতি রামকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহাস্যে জানান, “এত কিছু দেখেছি, শিখেছি, সেসব নিয়ে একটা উপন্যাস অন্তত লিখে যাব শেষ জীবনে”। পুরস্কার নয়, স্বীকৃতি নয়, এটুকুই তাঁর একান্ত গোপন বাসনা।

৫০০ টাকা মূলধন থেকে কয়েক কোটি টাকার ব্যবসা

সবে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন তখন। শিক্ষক বাড়ির সন্তান, তবু বাঁধা গতের বাইরে নতুন কিছু করার স্বপ্ন ওই কিশোর বয়স থেকেই তাড়িয়ে বেড়াত  রামকৃষ্ণবাবুকে। ব্যবসা করার হাতেখড়ি অবশ্য বাবার কাছে। ক্লাস সেভেনে পড়া বাচ্চা ছেলেকে ব্যবসার তালিম দিতে প্রথম প্রথম স্কুলশিক্ষক বাবা নিজের হাতে ঘুগনি বানিয়ে পাঠিয়ে দিতেন মেলার মাঠে। ভদ্রেশ্বর থেকে আম কিনে বিক্রি করতে পাঠাতেন পাড়ায় পাড়ায়। স্বাধীন উপার্জনের স্বাদ পাওয়া সেই প্রথম।

তারপ র বাবার মৃত্যু, ৭৮ সালের করাল বন্যা। সর্বস্বান্ত পরিবারের হাল ধরতে এগিয়ে এলেন সদ্য মাধ্যমিক পাশ করা কিশোর। ঠিক করলেন ব্যবসাই করবেন। কিন্তু মূলধন আসবে কোথা থেকে? পাশে এসে দাঁড়ালেন বড় জামাইবাবু। জামাইবাবুর দেওয়া ৫০০ টাকা মূলধন করেই শুরু হল ছোট্ট ব্যবসা। বড়বাজার এলাকা থেকে সস্তায় সাবান, শ্যাম্পু, গুঁড়োসাবান কিনে এনে আরামবাগের ছোটো ছোটো দোকানগুলোতে সাপ্লাই করা, এই ছিল কাজ। প্রায় দু-তিন বছর চলেছিল সেই ব্যবসা।

ততদিনে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে ভর্তি হয়েছেন কলকাতার মণীন্দ্র কলেজে। সেসময় নতুন ব্যবসার চিন্তা মাথায় এল রামকৃষ্ণবাবুর। ওষুধের শিশির উপর যে লাল-নীল মেজারমেন্ট গ্লাস থাকে, সেই গ্লাস তৈরির কাজ শুরু করলেন। সারাদিন কারখানায় ডাইস বানিয়ে ক্যাপ তৈরি করে এদিক ওদিক ঘুরে বিক্রি করা। আর রাত্তিরে কলেজে চুটিয়ে ক্লাস, ছাত্ররাজনীতি। তারপর ১৯৮৬ এ পাকাপাকিভাবে ব্যবসা করার ইচ্ছে নিয়েই ফিরে এলেন গ্রামে। সেও এক রূপকথা।

অনেক চেষ্টায় ব্যাঙ্ক থেকে লোন পাওয়া গেল ২৪ হাজার ৯১৯ টাকা। ওই টাকাতেই রাস্তার উপর দশ বাই দশের একটা ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু হল সাবান আর গুঁড়োসাবানের কারখানা। কর্মচারী নেওয়ার সামর্থ্য নেই৷ তার নিজেকেই সব দেখতে হত সেদিন। সেই কারখানাই আজ ডালপালা মেলে মহীরুহ। সাবান কারখানার গণ্ডি ছাপিয়ে তা এখন জন্ম দিচ্ছে নতুন নতুন বিউটি প্রডাক্টের। বিশেষ প্রযুক্তিতে উন্নত মানের হার্বাল শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, নাইট ক্রিম তৈরির গবেষণা  চলছে কারখানারই নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে।

Runnagar Misti Marie Biscuit at Best Price in Hooghly, West Bengal | RUPNAGAR FOOD PRODUCTS PVT. LTD.

এলাকায় বিস্কুটের ক্রমবর্ধমান চাহিদা লক্ষ্য করে ২০০৬ সালে জন্ম দিয়েছেন বিরাট আয়তনের একটি নতুন বিস্কুট কারখানার। তার পর সে ব্যবসাও ডালপালা ছড়িয়েছে বহুদূর৷ এখন এলাকার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে বাইরের জেলা আর রাজ্যগুলোতেও রফতানি হচ্ছে রামকৃষ্ণবাবুর কারখানার মারি, স্ন্যাকস বা ক্রিমক্র‍্যাকার। বিস্কুট কারখানার পাশেই অনুসারী শিল্প হিসাবে গড়ে তুলেছেন নতুন প্যাকেজিং ইউনিট৷ কাজে নিয়েছেন স্থানীয় ছেলেমেয়েদেরই৷ এতেও থেমে নেই রামকৃষ্ণবাবুর জয়যাত্রা। আগামী বছরে আরও চারটি বড় প্রকল্পে হাত দিতে চলেছেন এই ষাটোর্ধ্ব যুবক। খুব তাড়াতাড়িই রামকৃষ্ণবাবুর কারখানায় তৈরি হবে এলাকার রাইস মিলগুলির জন্য প্রয়োজনীয় প্লাস্টিক ব্যাগ। খুলছেন বিস্কুট কারখানার জন্য গমের মিল, প্লাটিং হাউজহোল্ড ইউনিট, প্রিন্টিং ইউনিটও।

জোর গলায় বলেন ‘আমি এখনও সাচ্চা কমিউনিস্ট’

শিল্পপতিদের মধ্যে রতন টাটাকে বিশেষ পছন্দ হলেও তাঁর পথে হাঁটেননি রামকৃষ্ণবাবু। তাই ঘনবসতি এলাকা থেকে সরে এসে কিনে নিয়েছিলেন জলাজঙ্গলে ভরা পরিত্যক্ত বেশ কয়েক বিঘা জমি। পুকুর বুজিয়ে একে একে সেই জমিতেই গড়ে উঠেছে বিস্কুট কারখানা, প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি, সাবানকল৷ আগামিতেও আসতে চলেছে ছোটো বড় বেশ কয়েকটি প্রকল্প।

একটি শিল্প-পার্ক গড়ার ইচ্ছে অনেক দিনের। সেই মতো এগোচ্ছে কাজও। স্বীকার করেন, নিজের পরিবার প্রতিপালনের জন্যই ব্যবসায় নেমেছিলেন একদিন। সমাজ সংস্কারের ভাবনা ছিল না। কিন্তু এখন এলাকার কয়েকশো পরিবারের আশা ভরসা তিনিই৷ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান ঘটিয়েছেন এলাকার প্রায় সাত-আটশো পরিবারের। বানিয়েছেন রাস্তা। গ্রামের গরীব ছেলেমেয়েদের যাতে দূর দূরান্তরে পড়াশোনার জন্য যেতে না হয়, তাই এলাকার মন্ত্রী এমএলএ’দের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন একটি সরকারি কলেজও।

একসময় গণনাট্য আন্দোলনের শরিক ছিলেন রামকৃষ্ণবাবু। আজও নিজের পরিচয় দেন ‘সাচ্চা কমিউনিস্ট’ বলে। বলেন, মুনাফা জমিয়ে রাখায় বিশ্বাসী নন তিনি। নতুন নতুন শিল্পোদ্যোগের মধ্যে দিয়ে বরং আরও কিছু মানুষের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে চান। চান আরও কিছু তরুণের আশা ভরসা হয়ে উঠতে৷ আগামীতে ইচ্ছে আছে আরামবাগের স্থানীয় মানুষের জন্য এলাকায় একটা আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার।

অনাথ ছেলেমেয়েদের জন্য একটা আশ্রম তৈরির স্বপ্ন দেখেন তিনি। স্বপ্ন দেখেন ‘রূপনগর’এর একটি নিজস্ব মিষ্টির হাব তৈরির। কম টাকায় আরেকটু ভালো পরিষেবা তুলে দিতে চান এলাকার মানুষের হাতে৷ আর সেই গন্তব্যের দিকেই এগিয়ে চলেছে রামকৃষ্ণবাবুর স্বপ্নসন্ততি ‘রূপনগর’।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More