শক্তি ঠাকুর গাইতে চেয়েছিলেন ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা’, অনেক স্বপ্নের মতো এটাও পূরণ হয়নি

৪৫৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

ছোটখাটো চেহারার মানুষটা চিরকাল হাসিয়ে এসেছেন আপামর বাঙালিকে। বাংলা ছবিতে তাঁর উপস্থিতিই যেন মন ভাল করে দিত দর্শকদের। আবার তেমনি তাঁর পুজোর গানের অ্যালবামও হিট হত সত্তর-আশির দশকে। তিনি গায়ক অভিনেতা কমেডিয়ান শক্তি ঠাকুর।

আজ, ৫ অক্টোবর শক্তি ঠাকুর প্রয়াত হলেন ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে। কয়েকবছর আগে সেরিব্রাল অ্যাটাকের জেরে হসপিটালে ভর্তি হয়েছিলেন। সে সময়ে তাঁর ছোট মেয়ে মোনালি ঠাকুরই বলতে হেলে কলকাতা-মুম্বই করে বাবাকে সে যাত্রায় সারিয়ে তোলেন। সুস্থ হয়েই গেছিলেন প্রায়। কিন্তু আজ মধ্যরাতে আর শেষ রক্ষা হল না। এতই তাড়াতাড়ি প্রাণ কেডে় নিল হৃদরোগ, কিছুই করতে পারা গেল না কার্যত।

বাবার প্রয়াত হবার খবর বড় মেয়ে মেহুলি গোস্বামী ঠাকুর ফেসবুকে পোষ্ট করেন। লেখেন, ‘এমন তাড়াতাড়ি বাবা চলে গেল, কিছুই করতে পারলাম না।’

আসল নাম শক্তিপ্রসন্নদাস ঠাকুর

শক্তি ঠাকুরের পুরো নাম ছিল শক্তিপ্রসন্নদাস ঠাকুর। সিনেমায় নামলে ক্যাচি নাম দিতে হয়। সেই সঙ্গে ছিল ভাল গানের গলাও। তাই শক্তিপ্রসন্নদাস ঠাকুর নাম কেটেছেঁটে হয়ে গেলেন শক্তি ঠাকুর। ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ শক্তি ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন। ছোট থেকেই সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন তিনি। ভাল ছিলেন পড়াশোনাতেও। শখ ছিল নাটক করারও।

নেতাজিনগর স্কুলে প্রথম যৌবনে কেমিস্ট্রি পড়াতেন। কিন্তু যেহেতু নাটক ও গানের শখ ছিল, তাই অনিল দে নির্দেশিত নাট্যায়নের  জনপ্রিয় নাটক ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ নাটকে গুপির গানে মাতিয়ে দিতেন শক্তি। পরবর্তী কালে  শৌভনিকের কয়েকটি নাটক যেমন ‘বি টি রোডের ধারে’, ‘ভাগলপুরে শরৎচন্দ্র’, ‘এক দুই তিন’ —  ইত্যাদিতে গান-অভিনয়ে যুক্ত ছিলেন।

‘ললিত-রঙ্গে রস-তরঙ্গে প্রাণের সঙ্গে হোলি খেলো’

বাংলা ছবিতে শক্তি ঠাকুর আর সুখেন দাসের উপস্থিতি অনেকটা এক রকম ছিল। ছোটো রোলেই মাত করা চরিত্র কিংবা কমেডিয়ান বা বিবেক রূপী চরিত্র হয়ে দর্শকদের মন জয় করা। তাই অনেক দর্শকই শক্তি ঠাকুর আর সুখেন দাসকে গুলিয়ে ফেলেন আজও। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মানুষরা।

তরুণ মজুমদারের বেশিরভাগ ছবিতে শক্তি ঠাকুরের উজ্জ্বল উপস্থিতি সবার মন ভরিয়ে দেয় আজও। মজার চরিত্র, আনন্দমাখা হাসি মুখের শক্তি মাত করতেন তরুণ বাবুর সব ছবি। ‘দাদার কীর্তি’ তে সেই অনুপ কুমারের ক্লাবের ছেলের দলটা ভাবুন। যার প্রধান সদস্য ছিলেন শক্তি ঠাকুর। শক্তির গানের গলাকেও তরুণ মজুমদার ওঁর বিভিন্ন ছবিতে কাজে লাগান। ‘দাদার কীর্তি’ তে দোলের গানটাই ভাবুন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে শক্তি ঠাকুর গাইছেন ‘ললিত-রঙ্গে রস-তরঙ্গে প্রাণের সঙ্গে হোলি খেলো, কুমকুম ফাগে রাঙা অনুরাগে অন্তর মন ভরে তোলো…’

এরকম অজস্র বাংলা এবং হিন্দি ছবিতে প্লে ব্যাক করেছেন শক্তি ঠাকুর। যেমন ‘রতনলাল বাঙালি’, তপন সিনহার ‘হারমোনিয়াম’, ‘আগুন’, ‘টুসি’, ‘সানাই’, ‘পঙ্খীরাজ’, ‘ন্যায় অন্যায়’, ‘অমৃত কুম্ভের সন্ধানে’, ‘লাখো কি বাত’(হিন্দি), ‘ডাক্তার বউ’, ‘ওরা চারজন’, ‘দামু’।

আবার অসংখ্য ছবিতে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেও কিস্তিমাত করেছেন শক্তি ঠাকুর। যেমন দাদার কীর্তি, আগুন, বাহাদুর, ভালোবাসা ভালোবাসা, পথভোলা, রাজার রাজা, আশা ও ভালোবাসা, ওরা চারজন, কালপুরুষ, জেহাদ।

‘মানিকচাঁদ’ একমাত্র হিরো

অনেক গুণের অধিকারী হয়েও বাংলা ছবিতে নায়ক হতে পেরেছিলেন মাত্র একটি ছবিতে। ‘মানিকচাঁদ’। পরিচালক অজিত গঙ্গোপাধ্যায়। ‘মানিকচাঁদ’-এর নামভূমিকায় শক্তি ঠাকুর। তিন ভাইয়ের সংসার। বড় ভাই ফটিকচাঁদের ভূমিকায় অভিনয় করেন কালী বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় বৌদি মাধবী মুখোপাধ্যায়। বিধবা মায়ের ভূমিকায় ছায়া দেবী। ফটিকচাঁদ সব সম্পত্তি গ্রাস করতে চায়। তখন ভোলেভালা মানিকচাঁদই মায়ের সহায় হয়ে দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন করেন। মানিকচাঁদ নায়কের ভূমিকায় শক্তি ঠাকুর বেশ হিট দেন এই ছবিটি, সেই ১৯৮১ সালে। পরে শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে একটা সামাজিক বার্তা দিতে নন্দনে ছবিটি প্রদর্শিত হয় নব্বই দশকে।

‘মানিকচাঁদ’ হিট হলেও শক্তি ঠাকুর আর বড় নায়কের রোল কখনও পাননি। বেশি লম্বা ছিলেন না, ছোটখাটো মানুষ, তাই গুণী মানুষটি বাংলা ছবিতে কমেডিয়ান হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে গেছেন। নায়কোচিত লম্বা-চওড়া চেহারা থাকলে হয়তো প্রাপ্য মর্যাদা পেতেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মানুষটি।

‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা’ গাইতে চেয়েছিলেন শক্তি

একটা সময় তো পুজোর গানে বা রেডিওতে ‘অনুরোধের আসর’-এ শক্তি ঠাকুরের গান খুব জনপ্রিয় ছিল। ‘হাজার মোহর গিনি’, ‘কুড় মুড় কুড় মুড়’,। সে সময়ে ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা’ গানের সুরকার ছিলেন নচিকেতা ঘোষ সুপুত্র সুপর্ণকান্তি ঘোষ। এই গান তৈরি হল কীভাবে, তার পেছনেও রয়েছে ইতিহাস।

সুপর্ণকান্তির বোনদের অঙ্ক কষাতে বিজ্ঞানের ছাত্র শক্তি ঠাকুর সুপর্ণকান্তিদের বাড়িতে যেতেন। সুপর্ণকান্তি তখন বাংলা গানের জগতে নবীন সুরকার, সেই সঙ্গে এমকমও পড়ছেন। কফি হাউসের আগে সুপর্ণকান্তি ঘোষের সুরে মান্না দে সুপারহিট গান দিয়েছিলেন ‘সে আমার ছোট বোন’ আর ‘সারা জীবনের গান’ অ্যালবাম।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার তখন আশা ভোঁসলে, রাহুল দেববর্মণকে নিয়ে অসংখ্য হিট প্রেমের পুজোর গান লিখছেন৷ অথচ বাংলা পুজোর গানে এক নম্বর পুরুষ কণ্ঠ মান্না দে’র কোনও পুজোর গান লিখতে পারছেন না গৌরীপ্রসন্ন৷ মান্নার ছায়াছবির গানে সবচেয়ে বেশি গান লেখার কৃতিত্ব গৌরীপ্রসন্নেরই৷ কিন্তু পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায় মান্না পুজোয় গেয়ে যাচ্ছেন৷ এ নিয়ে বেশ আক্ষেপ গৌরীবাবুর৷

ওই সময়ই এক দিন নিউ আলিপুরে সুপর্ণর বাড়িতে গায়ক শক্তি ঠাকুরের পুজোর গান তৈরি করছেন গৌরীপ্রসন্ন৷ সুপর্ণর এমকম পরীক্ষা চলছে৷ বাবা নচিকেতা ঘোষের সূত্রেই ছেলে সুপর্ণকান্তিকে স্নেহ করতেন তাঁর গৌরী কাকা৷ অনেকক্ষণ পরে সুপর্ণকে ঘরে ঢুকতে দেখে মজা করে গৌরীবাবু বলেছিলেন, “কী, বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছো? তুমি দেখছি বাপের থেকে বড় সুরকার হয়ে গিয়েছো!” গৌরীবাবু জানতেন না সুপর্ণর পরীক্ষা চলছে। সুপর্ণ পাল্টা দেন তাঁর গৌরীকাকাকে, “কী সব গদগদে প্রেমের গান লিখে যাচ্ছো? একটু অন্য রকম গান লিখে দেখাও না! এই আড্ডা নিয়ে তো একটা গান লিখতে পারো৷”

খানিক খুনসুটি, কথাবার্তার পরে তিনিই সুপর্ণকান্তিকে বলেছিলেন, “লিখে নাও।”

‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই/ কোথায় হারিয়ে গেল, সোনালি বিকেলগুলো সেই৷’ ইতিহাস তৈরির সূচনা হল এভাবেই। সুপর্ণরও সুরটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল সঙ্গে সঙ্গেই৷

এই সময়ে গানটা শুনেই গৌরীবাবুর পাশে বসা শক্তি ঠাকুর হাত জোড় করে সুপর্ণকান্তিকে বলেন, “এই গানটা আমায় দিয়ে দে৷ এটা আমি পুজোয় গাইব৷” শক্তি ঠাকুর নিজের কণ্ঠে সেবার পুজোর গানে গাইতে চেয়েছিলেন, ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’।

কিন্তু সুপর্ণকান্তি তো এ সুর কবেই তাঁর মান্না কাকার কণ্ঠে নিবেদন করেছেন। সুপর্ণকান্তি কোনও মতে শক্তি ঠাকুরকে মানা করেন এবং গানটি দেন মান্না দেকেই। তার পর তো ইতিহাস। তবে এই গান তৈরির সময়ে উপস্থিত ছিলেন শক্তি ঠাকুর, চেয়েওছিলেন গানটি

বড় মেয়ের স্কুল পাল্টে লেটার মার্কস পাওয়ালেন

শক্তি ঠাকুরের রয়েছেন দুই গুণী কন্যা, মেহুলি আর মোনালি। দুই কন্যাকেই ছোট থেকে গান শিখিয়েছেন শক্তি ঠাকুর। গানের পরিবেশে শিল্পীদের মধ্যে বড় হয়েছেন দুই কন্যা। কিন্তু শক্তি ঠাকুর গান ছাড়াও পড়াশোনাকে আগে রাখতেন। মেয়েদের শিক্ষিতা হওয়া জরুরি। সেরকম এক ঘটনা উঠে এল বড় মেয়ে মেহুলির বাবাকে নিয়ে আলোচনায়।

“ফিজিক্স আমার চিরকালের ত্রাস। ক্লাস নাইনে ফিজিক্সে ফেল করেছিলাম। তখন আমাদের হেডমিস্ট্রেস কমলা চক্রবর্তী বাবাকে ডেকে পাঠালেন। বাবা ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথমেটিক্সের শিক্ষক ছিলেন। খুব রেগে গেলেন! হেডমিস্ট্রেস অনেক বার বারণ করা সত্ত্বেও অশোক হল স্কুল থেকে আমাকে ছাড়িয়ে এনে নেতাজীনগর বালিকা বিদ্যামন্দিরে ভর্তি করে দিলেন বাবা। বন্ধুদের কাছ থেকে সরিয়ে আনায় খুব খুব রাগ হয়েছিল বাবার ওপর। মনে হয়েছিল ছিন্নমূল হলাম। সে সময় পঁচিশ শতাংশ করে নম্বর কেটে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের স্কুল-কলেজগুলোয়। আমার ফিজিক্সের মেধা দেখে সেটাও একটা কারণ এই সিদ্ধান্তের। আমি একা ঘরে বসে কাঁদতাম।

অথচ সেই আমি মাধ্যমিকে অংকে লেটার পেলাম। আমাদের সময় তো এত এত নম্বর পেত না কেউ। সেই সময় খুব ভাল অ্যাচিভমেন্ট ছিল আমার মাধ্যমিক রেজাল্ট এবং ওই স্কুলে সবথেকে ভালো ফল আমি করি। যদিও প্রথা-মাফিক লেখাপড়ায় আমার চিরকালই মন কম। ছবি আঁকা, লেখা, হাতের কাজ, গান বাজনা আর সিলেবাসের বাইরে পড়া এগুলোই জিওন কাঠি ছিল বরাবর।

যাই হোক, সেদিন বাবার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। আজ বুঝি।”

দুই মেয়ে মেহুলি-মোনালি ছোট থেকেই গানে ট্যালেন্টেড, মিষ্টি দেখতে। মেহুলfর থেকে মোনালির বয়েসের পার্থক্য অনেকটা। তাই মেহুলি মায়ের মতোই ছোট বোনকে আগলে রেখেছেন চিরকাল। মেহুলি বিয়ের পরে নিজের বুটিক খুলেছেন, ‘বান্ধবী’।

শক্তির জীবনে মেয়ে মোনালি এল লক্ষ্মী রূপে, শক্তি রূপে 

ছোট মেয়ে মোনালি চোদ্দো বছর বয়সে ‘শ্রীরামকৃষ্ণ’তে প্লেব্যাক করে আনন্দলোক পুরস্কার পান। এর পরে মোনালি সবার চোখে পড়েন ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। কলকাতার মেয়ে মোনালি  ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ -এ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি। তবে তাতে কিছুই এসে যায়নি তাঁর। সঙ্গীত যাঁর ভালবাসা, গায়কী যাঁর রক্তে, তাঁকে আটকাবে কে?

একের পর এক বলিউড অফারে মোনালি সঙ্গীত জগতের হিট গানে আজ শীর্ষে। যদিও প্রথমে অভিনয় দিয়েই মোনালির জয়যাত্রা শুরু। ইন্দুবালার চরিত্রে ‘আলোকিত এক ইন্দু’ সিরিয়াল দিয়ে মোনালির নায়িকা ক্যারিয়ার শুরু। বাংলায় জিতের বিপরীতে কৃষ্ণকান্তের উইল এ ভ্রমর চরিত্র বা হিন্দি ছবি ‘লক্ষ্মী’। এছাড়াও বাংলা হিন্দি বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতের রিয়্যালিটি শোতে বিচারকের আসন আলোকিত করেছেন মোনালি। তবে ছুটি পেলেই বাড়ি চলে আসেন মোনালি। ভালবাসেন পরিবার, ছোটবেলার স্মৃতি।

শক্তি ঠাকুর জীবনে অনেক গুণী হয়েও সেভাবে সম্মান, খ্যাতি, আর্থিক সাফল্য পাননি। একটা সময়ের পরে তো অন্তরালেই চলে গেছিলেন। গায়ক-অভিনেতা তিনি, কিন্তু প্রথম সারির নায়ক বা গায়ক কখনও হতে পারেননি। নায়কের হ্যান্ডস বা কমেডিয়ান হয়ে রয়ে গেছিলেন। মেয়ে মোনালি যেন পিতার সব আক্ষেপ দূর করে দিয়েছিলেন সেই প্রথম সারির স্টার হয়ে। শক্তি ঠাকুরের জীবনের সব না পাওয়া মোনালি ভরিয়ে দিয়েছেন।

ফুরোল জীবন

আজ, ৫ অক্টোবর সুরলোকে চলে গেলেন শক্তি। তার আগেও অন্তরালেই ছিলেন। কেমন ছিলেন, সে খোঁজ কেউ নেয়নি। সব অভিমানের ঊর্ধ্বে চলে গেলেন তিনি। শক্তি ঠাকুরের সেই হাসি মুখটাই আজ মনে পড়ে, যেন তিনি গাইছেন তাঁর গাওয়া ‘তুফান’ ছবির সেই অমর গান, স্বর্গ থেকেই!

‘বাসব ভালো রাখব মনে এই জীবন হাসি গানে, তাই মনে হয় আজকে বুঝি নেমে এল স্বর্গ এখানে।’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More