উদয়-সিমকি জুটি তখন বিখ্যাত, তবু অমলার কাছেই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলেন উদয়শঙ্কর নিজে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

কল্পনা। ১৯৪৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। উদয়শঙ্করই ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজক৷ একজন নৃত্যশিল্পীর ডান্স অ্যাকাডেমি তৈরি করার কাহিনিকে কেন্দ্র করেই এই ছবির চিত্রনাট্য৷ উদয়-অমলা জুটির এই ছায়াছবি বিশ্ববন্দিত। হবে নাই বা কেন। নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্কর তো সেই বিশিষ্ট মানুষদের মধ্যে একজন, যিনি বাঙালিকে ও বাংলাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছেন। আর তাঁর যোগ্য সহধর্মিনী অমলাশঙ্কর। শতবর্ষ পার করা কলকাতা শহরের সেই ব্যালেরিনা, অমলাশঙ্কর আজ প্রয়াত হলেন।

অমলার বাবা অক্ষয়কুমার নন্দী কলকাতার একজন নামী গয়নার ব্যবসায়ী ছিলেন৷ কিন্তু নারীকল্যাণে তিনি নানা কাজ করতেন গ্রামাঞ্চলে। তাঁদের আদি বাস যশোরে। ১৯১৯ সালের ২৭ জুন তাঁর সন্তান অমলা নন্দীর জন্ম যশোরে। অম নামেই সে মেয়ে ছোটো থেকে পরিচিত ছিল। বাবা অক্ষয়কুমার নন্দী চেয়েছিলেন মেয়ে প্রকৃতির মাঝে যশোরের বাটাজোর গ্রামেই জীবনের আনন্দ খুঁজে পাক। যদিও কন্যাকে লেখাপড়ার সঙ্গে সাহিত্য চর্চা, নৃত্যশিক্ষায় চারুকলায় উন্নত করে তোলেন তিনি তার মধ্যেই। আজ থেকে ১০০ বছর আগেও এক মুক্তমনা ভাবাদর্শে অম বেড়ে ওঠে।

অমলাশঙ্কর যে আলোকবৃত্তে এলেন সেই জীবনআদর্শর বীজ বপন করেছিলেন তাঁর বাবা-মাই। মেয়ে বড় হচ্ছে মানেই বিয়ে দিয়ে দাও, লেখাপড়া বন্ধ করো, নাচ-গান খারাপ– এমন গোঁড়া ভাবনা ছিল না তাঁদের। যদিও সে যুগে সাধারণ বাঙালি পরিবারে বিয়েই ছিল মেয়েদের ভবিতব্য, কিন্তু অমলার জীবন অন্য স্রোতে বইল। যে ভাবাদর্শ অমলাশঙ্কর দিয়েছেন তাঁর পুত্র, কন্যা, পুত্রবধূ ও পরবর্তী প্রজন্মকেও।

অমলার বয়স যখন মাত্র ১২ বছর, ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর বাবা প্যারিসে গিয়েছিলেন৷ কলকাতার চৌরঙ্গীতে ‘ইকনমিক জুয়েলারি ওয়ার্কস’ নামে গয়নার দোকান ছিল বাবা অক্ষয়কুমারের। প্যারিসে ভারতের প্যাভিলিয়নে ভারতীয় অলঙ্কার শিল্পের প্রদর্শনী হিসেবে একটা গয়নার দোকান দিয়েছিলেন তিনি। মেজো মেয়ে অমলা বায়না করেছিল বাবার সঙ্গে প্যারিস যাওয়ার। সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন।

ঘটনাচক্রে, সে সময়েই প্যারিসে নিজের ডান্স ট্রুপ নিয়ে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তী নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্কর৷ ১৯৩১ সালে প্যারিসে উদয়শঙ্করের সঙ্গে প্রথম দেখা অমলাশঙ্করের৷ একটি অনুষ্ঠানে ‘কালীয় দমন’ পালায় ‘কালীয়’র চরিত্র ফুটিয়ে তুলে নৃত্য পরিবেশন করেন অমলা।  সেখান থেকেই বাঁক বদল ঘটল অমলাশঙ্করের জীবনে। যদিও তখন কেউ ভুলেও ভাবেনি, মানুষ দু’টি পরস্পরের জীবনসঙ্গী হবেন! শোনা যায়, উদয়শঙ্করকে দেখার আগে অমলা ভেবেছিলেন, উদয়শঙ্কর বোধহয় কোনও বয়স্ক মানুষ হবেন, যাঁর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো লম্বা দাড়ি আছে৷ কিন্তু উদয়ের বয়স তখন তিরিশের শুরুর দিকে৷ অমলা যেন চমকিত হলেন দেবদূতের মতো চেহারার উদয়শঙ্করকে দেখে।

উদয়শঙ্কররা চার ভাই, মাকে নিয়ে সেখানেই ছিলেন। উদয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে নাম করেছেন তখন বেশ। অক্ষয়কুমার নন্দীর সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আলাপ জমে উঠল আরও একবার। বিদেশ-বিভুঁইয়ে বাংলায় কথা বলতে পেরে উদয়শঙ্করের মাও খুব খুশি। উদয়ের ছোটভাই রবিশঙ্কর হয়ে উঠলেন অমলার আদরের রবু, তাঁর খেলার সাথী। প্রায় সাত মাস প্রদর্শনীর পরে অক্ষয়কুমার যখন দেশে ফিরছেন তখন উদয়ের মা তাঁকে বললেন, “অমলাকে রেখে যান আমাদের কাছে। আমরা যখন দেশে ফিরব তখন ও ফিরবে আমাদের সঙ্গে।” উদয়শঙ্করের ইউরোপ ট্যুরের বাকিটা অমলা যোগ দিলেন তাঁদের দলে।

প্যারিসের প্রদর্শনীতে ভারতীয় দলের হয়ে নেচেছিলেন অমলা। তাঁকে নাচ শিখিয়েছিলেন প্যারিসের‌ই প্রাচ্য নৃত্যবিদ নিয়তা ইনিওকা। অমলাকে মঞ্চে নাচতে দেখে উদয়ের ভালো লেগেছিল। উদয়শঙ্করের সঙ্গে তখন ফরাসী কন্যা সিমোন বারবিয়ে ওরফে সিমকির জুটি খুব বিখ্যাত। অমলাকে নিয়ে দলে তিন জন মেয়ে হল তখন। সিমকি, অমলা আর উদয়ের খুড়তুতো বোন কনকলতা। কালীয় দমনে অমলা হতেন কালীয়, উদয় হতেন কৃষ্ণ। বিজ্ঞাপনে অমলার নাম লেখা হত অপরাজিতা বলে। গোটা ইউরোপ জুড়ে খুব সুখ্যাতি হয়েছিল সেই ট্যুরের।

এইসময় কিন্তু উদয়ের চোখে অমলা নিতান্ত বালিকা। সেসময় উদয়-সিমকি জুটি যেমন নাচে বিখ্যাত, তেমনি উদয়-সিমকি র মধ্যে একটা প্রচ্ছন্ন পারস্পরিক ভাললাগাও ছিল। সিমকি হয়তো একটু বেশি দুর্বল ছিল উদয়ের প্রতি। সেই সম্পর্ক পরিণতি না পেলেও, মনে মনে সিমকির জীবনের নায়ক তখন উদয়। এমন সময়ে অমলার প্রবেশ ঘটল শঙ্কর পরিবারে। ইউরোপ থেকে ফিরে কিশোরী অম লিখে ফেলল একটা বই, ‘সাতসাগরের পারে’।  ইউরোপ ভ্রমণ বৃত্তান্ত। অত ছোট মেয়ের লেখা বই চুড়ান্ত সাফল্য পেল, যে বই পড়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রশংসা করেন অমর লেখার।

শোনা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার বরানগর থেকে বিবেকানন্দ রোড অমলাকে পাশে বসিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন গাড়ি করে। যখন অমর বয়স চোদ্দ। তখন কলকাতা শহরে রবীন্দ্রনাথের মতো জননায়ক আর কেউ নেই। অনায়াসে এত স্নেহ পায় ছোট্ট অম। দেখে, তাঁর পাশের মানুষটিকে দেখে সকলে বলেছেন, “ওই দেখো রবীন্দ্রনাথ!”

সেই যে চতুর্দশী বালিকা একদিন রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত রূপ দেখে শিহরিত হয়, সেও পরে সাধারণের চোখে অনন্যা ও জনপ্রিয়া হয়ে ওঠে। তাঁর স্বামী পুত্র কন্যাও বিখ্যাত। তবে এ অহংকার করার মতো জিনিস নয়, ঈশ্বরের দান। এক জীবনে এ জিনিস চাক্ষুষ করা ছিল অমলাশঙ্করের কাছে অমূল্য প্রাপ্তি।

অমলার পিতা অক্ষয়কুমার চেয়েছিলেন, মেয়ে লেখিকা হোক। যেহেতু তাঁর লেখা বই হিট তখন। নাচ তখন কিছুটা পাশে রেখে ম্যাট্রিক পাশ করলেন অম। তার পরে আশুতোষ কলেজে ভর্তি হলেন। যত দূর জানা যায়, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুরও স্নেহধন্যা ছিল অম। আর সেই নেতাজীই অক্ষয়কুমারকে বলেন অমকে আলমোড়ায় উদয়শঙ্কর ড্যান্স ট্রেনিং সেন্টারে পাঠাতে। আলমোড়া তখন নৃত্যশিক্ষার সর্বোত্তম প্রতিষ্ঠান। সেই শুরু নৃত্যসাধনার।

এরপর উদয় শংকরের সঙ্গে অমর আবার দেখা হল। শুরু হল নৃত্যশিক্ষা। অমলা ভাবত উদয়ের সঙ্গে সিমকিরই সম্পর্ক আছে। সিমকি আলমোড়াতে নাচও শেখাতেন। তাই উদয়-সিমকি জুটি তখন বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু উলটপুরাণ ঘটল হঠাৎই। ১৯৩৯ সালের ৮ ডিসেম্বর। আচমকা রাতের বেলা অমলার কাছে এলেন উদয়শঙ্কর। বললেন, “জানিস আমি বিয়ে করছি।” (তখন তুই করেই বলতেন উদয়শঙ্কর অমকে)। অমলা বললেন,”বেশ তো।” অমলা জানে সিমকি উদয়ের প্রনয়িণী থেকে সহধর্মিণী হতে চলেছে। উদয়শঙ্কর বললেন, “জিজ্ঞেস করলি না তো মেয়েটা কে? মেয়েটা অমলা নন্দী।”

ব‍্যস! অমলা অবাক হতভম্ব! খুশিতে অমলা ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেললেন। একেই বলে যেন আনন্দাশ্রু! প্রত্যাশা ও গোপন প্রণয়কে ছাপিয়ে ধরা পড়ে গেলেন উদয়ের পরিণয় প্রস্তাবে।

উদয়ের নাচের সঙ্গী হিসেবে সিমকি প্রিয় হলেও, ঘরকন্না থেকে নাচ– সবটা সামলে ফরাসি কন্যা সিমকিকে হার মানিয়েছিলেন বঙ্গকন্যা অমলা। ১৯৪২ সালে অমলা এবং উদয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। অমলার জীবনে নতুন আলো নিয়ে এলেন এই মানুষটি। বিয়েতে সিমকি উপহার পাঠালেন, সঙ্গে অমলার প্রতি অফুরান শুভেচ্ছা। সিমকির নিরুচ্চার ভালবাসা আরও সুন্দর হয়ে ফুটে উঠল তাঁর নাচে। তবে এবার আর উদয়-সিমকি নয়, উদয়-অমলা জুটির নাচই বিশ্ববন্দিত হতে লাগল। ভাই রবিশঙ্করের যোগ্য সঙ্গতও জুড়ে গেল।

আলমোড়া থেকেই বিয়ের পরে পাহাড়ে বেড়াতে গেছিলেন উদয়-অমলা। সঙ্গে ছিলেন নায়ক ও পরিচালক গুরু দত্ত। একদিন ঘরে ফিরে উদয় হঠাৎ অমলাকে জিজ্ঞেস করলেন, বলো তো imagination এর বাংলা কি? অমলার উত্তর, ‘কল্পনা’। সঙ্গে ছিলেন গুরু দত্ত। হাতে একটা খাতা। উদয়শঙ্কর বললেন লেখ, ‘কল্পনা।’ এই ভাবে শুরু কল্পনার চিত্রনাট্য লেখার কাজ। বহু বাধা পেরিয়ে তৈরি হল সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা চলচ্চিত্র ‘কল্পনা’।

আরও একটা ঘটনা যেমন। রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষে জ‌ওহরলাল নেহরু উদয়শঙ্করকে ফোন করে বললেন, রবীন্দ্রনাথ নিয়ে কিছু কাজ করতে। কী করা যায় ভেবে পেলেন না উদয়। একটু অন্যরকম হতে হবে, গ্রহণযোগ্য হতে হবে। অমলা তখন রান্নাঘরে, রান্না করছেন। সেখানে গিয়ে উদয়শঙ্কর জিজ্ঞেস করলেন, “রবীন্দ্রনাথের একটা গল্প বলো তো, যাতে অনেক মেয়ে, রাজা-রানি আছে!” খুন্তি নাড়তে নাড়তেই অমলা বললেন, “স্নানে চলেছেন শত সখী সনে, কাশীর মহিষী করুণা।” উদয় বল্লেন,”পেয়ে গেছি।” তৈরি হল “সামান্য ক্ষতি”র চিত্র রূপ।

অমলা কিন্তু ঘরকন্না, রান্নাবান্নাকে অবহেলা করে নাচকে বেশি গুরুত্ব দেননি। নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলাপরায়ণতা আর মাটিতে পা দিয়ে চলার হিসেবেই সহজ সরল জীবনে বেঁধেছিলেন তাঁর সংসারকে। মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশতেন, সেলিব্রিটি-সুলভ ঔদ্ধত্য ছিল না। এই সৌজন্যবোধের শিক্ষা শঙ্কর পরিবারে সকলেই পেয়েছেন। এখনও তাঁর মেয়ে মমতাশঙ্কর যেমন বাংলা ছবির ইন্ডাস্ট্রি বা নৃত্য জগতে মমতা ম্যাম, তিনি সকলের মমদি। এ শিক্ষা তো অমলারই দেওয়া।

উদয়-অমলার প্রথম সন্তান আনন্দ। তার পরে মমতা। শুধু নাচ নয়, অমলা রান্না, ছবি আঁকা, আল্পনা দেওয়া, অন্দরসজ্জা, পোশাক নির্বাচন, লেখা– সবেতেই অনির্বচনীয়া ছিলেন। উদয়শঙ্করের নৃত্য পরিবেশনার বিভিন্ন মুহূর্ত তাঁর আঁকায় ফুটে উঠেছে নিখুঁত ভাবে৷ কিন্তু তিনি তুলি দিয়ে ছবি আঁকেননি৷ কখনও আঙুল দিয়ে, কখনও টুথপিক দিয়েই এঁকেছেন ছবিগুলি৷ এমনকি ঝাঁটার কাঠি আর নখ দিয়েও নানা সূক্ষ্ম শিল্প করেছেন৷ তাঁর কিছু ছবি কয়েকটি নাটকেও ব্যবহৃত হয়েছে৷ যেমন ‘লাইফ অফ বুদ্ধ’ এবং ‘রামলীলা’৷ অথচ ছবি আঁকার কোনও প্রশিক্ষণ ছিল না তাঁর। এমনকি সেবা শুশ্রূষাতেও অমলা যেন একজন নার্সকে হার মানাতেন। সেটা পরিবারের লোক কেউ হোক বা বাইরের কেউ হোক।

১৯৭৭ সালে উদয়শঙ্করের মহাপ্রয়াণ। অমলা এ শোক বিলীন করতে চেষ্টা করলেন নাচকে আরও বেশি করে আঁকড়ে ধরে। এর পর আরও বড় আঘাত প্রথম সন্তান আনন্দশঙ্করের অকাল প্রয়াণে। এর পরে তাঁদের নৃত্যশৈলী সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলল কন্যা মমতা শঙ্কর, জামাই চন্দ্রোদয় ঘোষ ও পুত্রবধূ তনুশ্রী শঙ্কর।

১৯৬৫ সালে কলকাতায় ‘উদয়ন’ নামে নৃত্য অ্যাকাডেমি খুলেছিলেন উদয়শঙ্কর। কন্যা মমতা সেখানেই নাচ শেখেন। কিন্তু উদয়শঙ্কর নৃত্যের শৈলীর মর্মবস্তুটা কী, সেটা শিখেছিলেন মায়ের কাছ থেকেই। মা তাঁকে বুঝিয়েছেন, এটা শুধু নাচ নয়, এটা একটা দর্শন। শরীর মন আর আত্মার মধ্যে পরস্পর মেলবন্ধন হলে তবেই সেটা উদয়শঙ্করের শৈলীকে স্পর্শ করতে পারে। এখন অমলার নাতি, নাতনি, নাত বৌমারাও এগিয়ে নিয়ে চলেছেন এই নাচের পরম্পরা।

বয়স বাড়লে গরদের শাড়ি, কপালে চন্দনের ফোঁটায় অমলা শঙ্কর যেন চিরকালীন মাতৃত্বের এক শান্ত-শুভ্র প্রতীক। ২০১১ সালে অমলাশঙ্করকে বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারের দ্বারা সম্মানিত করা হয়৷

৯২ বছর বয়সেও অমলাশঙ্কর একটি নৃত্যনাট্য পরিবেশনা করেছিলেন আজ থেকে প্রায় এক দশক আগে৷ নৃত্যনাট্যটির নাম ছিল, ‘সীতা স্বয়ম্ভর’৷ রাজা জনকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অমলাশঙ্কর৷ ২০১১ সালে তিনি আরও একটি নৃত্যনাট্যে ‘মিসিং ইউ’তেও যোগদান করেন৷ অনেক আগেই ‘মিসিং ইউ’ কম্পোজ করেছিলেন পুত্র আনন্দশঙ্কর৷

গত বছরেই শতবর্ষ পার করেন অমলাশঙ্কর। এবছরে গত মাসেই পা দেন ১০১-এ। শেষমেশ আজ সকালে তিনি চলে গেলেন অন্ত সুরলোকে। নশ্বর দেহ অমলালোকে ভেসে স্বর্গলোকে চলে গেলেও ‘কল্পনা’র রানি অমলাশঙ্কর চিরকালই নাচের জগতের পবিত্রতম অধ্যায় হিসেবে রয়ে যাবেন চিরকাল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More