আইসিসি নির্বাসিত করতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ডকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইসিসি নির্বাসিত করতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডকে। আইসিসি-র নিয়মে রয়েছে, কোনও দেশের সরকার যদি সেই দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে নিয়ন্ত্রন করে, তা হলে সেই দেশ আর আইসিসি-র নথিভুক্ত থাকতে পারবে না। কিন্তু নিয়ম বহির্ভূতভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডকে কায়েম করেছে সেই দেশের সরকার। যা কখনই মানতে পারছে না আইসিসি।

ইতিমধ্যেই দেশের স্পোর্টস ফেডারেশন ও অলিম্পিক সংস্থা একযোগে ক্রিকেট বোর্ডকে নিজেদের দায়িত্বে রেখেছে। একমাস তারা এইভাবেই প্রভাব বজায় রাখবে। এই নিয়ম আইসিসি-তে চলে না, তারা জানিয়ে দিয়েছে ক্রিকেট সংস্থাকে থাকতে হবে সরকারি নিয়ন্ত্রনের বাইরে, এটি একেবারেই স্বতন্ত্র এক সংস্থা।

দক্ষিণ আফ্রিকা স্পোর্টস ফেডারেশন এবং অলিম্পিক বডির পক্ষ থেকে এক চিঠির মাধ্যমে দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের সবাইকে নিজেদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তারা এও জানিয়েছে অচিরেই ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাব্যক্তিদের নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে।

সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের কর্মকাণ্ড মোটেও সন্তোষজনক নয়। তাদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে দেশের মানুষ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়, স্পন্সর ও সংগঠকরা। এসবের বিরুদ্ধে তদন্ত করতেই দায়িত্ব নিচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা স্পোর্টস ফেডারেশন এবং অলিম্পিক বডি।

একটা সময় ২২ বছর দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড নিষিদ্ধ ছিল। নেলসন ম্যান্ডেলার হাত ধরে আবারও বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের অস্তিত্ব কায়েম করে তারা। এমনকি আইসিসি-ও তাদের সেইসময় সহায়তা করেছিল। নির্বাসনের পরে হ্যানসি ক্রোনিয়ের নেতৃত্বে ভারতীয় দলের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ খেলেছিল ১৯৯৬ সালে। তারপর ম্যাচ গড়াপেটাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, শেষে ক্রোনিয়ের রহস্যজনক মৃত্যু ফের অস্বস্তির সামনে ফেলে দেয় তাদের বোর্ডকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More