“মাম্মি পাপা, চললাম, আইটিও ব্রিজের তলা থেকে আমার বডি খুঁজে নিও”

১০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মা বাবার কাছে ছেলের ফোন থেকে এল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ।  তাতে আত্মহত্যার আগাম আভাস।  লেখা রয়েছে, ‘আইটিও ব্রিজের নীচ থেকে আমার বডি খুঁজে নিও’।

২৬ বছরের হর্ষ খাণ্ডেলওয়াল মা বাবা ও বিবাহিত বোনের সাথে দিল্লির চাঁদনিচক এলাকায় থাকতেন।  একটি অনলাইন সংস্থায় ডেলিভারি বয়ের কাজ করতেন তিনি।  তাঁর দেহ যমুনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তাঁর পরিবার জানাচ্ছে, গত ৩০ শে জুন বন্ধুর স্ত্রীয়ের জন্মদিনের পার্টিতে হর্ষ দিল্লির উপকন্ঠে সোনিপথ এলাকার মুর্থালে পৌঁছন বাকি ৬ বন্ধুর সাথে।  ১ তারিখ তাঁর বাবা মা এবং আত্মীয়দের কাছে একটি মেসেজ আসে হোয়াটসঅ্যাপে , যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান পরিবারের সকলেই।  সেখানে লেখা ছিল—“ মাম্মি পাপা আমায় ক্ষমা করে দিও, আমার স্কুটি, ব্যাগ ও অন্য জিনিস সব আইটিও ফ্লাইওভারে পাবে।  আমার দেহ তোমরা আইটিও ব্রিজের নীচে পেয়ে যাবে। ”

আরও পড়ুন: একজন হেরে যাওয়া মানুষকে কেউই তো চাকরিতে নেবে না, তাই চললাম…

পরিবারের লোকজন পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন।  তাঁদের বক্তব্য, ১ তারিখ সকালেই হর্ষ বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিলেন তিনি আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন।  কিন্তু তাঁর সেই  ফোনের কিছুক্ষণ পরেই আবার এই হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসায় এটা কখনওই আত্মহত্যা নয় বলে দাবি করছেন তাঁরা।

মেসেজের পরেই হর্ষের পরিবার সেই ব্রিজের নীচে পৌঁছে যান।  সেখানে গিয়ে হর্ষের সমস্ত জিনিস পাওয়া গেলেও, তাঁর দেহ পাওয়া যায়নি।  শেষ পর্যন্ত ইন্দ্রপ্রস্থ এস্টেট থানায় তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।  পুলিশের গা ছাড়া মনোভাবে তাঁরা বিরক্তও হন।  শেষ পর্যন্ত বুধাবার বেলা ৩টে নাগাদ যমুনা নদীর তীরে তাঁর দেহ ভেসে উঠতে দেখেন কাগজকুড়ুনিরা।

আপাতত পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।  সেই ৬ জন বন্ধু এক্ষেত্রে সন্দেহের বাইরে নেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More