রবিবার, আগস্ট ২৫

নতুন কংগ্রেস সভাপতি ঠিক করার মিটিং থেকে বেরিয়ে গেলেন সনিয়া, রাহুল

  • 83
  •  
  •  
    83
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাহুল গান্ধী যে কিছুতেই সভাপতি থাকতে রাজি নন, এবিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর শনিবার নতুন দলীয় প্রধান স্থির করতে চলেছে কংগ্রেস। সেজন্য কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বসেছে। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই উঠে গেলেন দলের দুই প্রাক্তন শীর্ষ পদাধিকারী সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। তাঁরা সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চান না। এর আগে রাহুল বলেছিলেন, গান্ধী পরিবারের আর কেউ কংগ্রেস সভাপতি হবেন না। এদিন দেখা গেল, ওই পরিবারের কেউ সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়াতেও অংশ নিতে রাজি নন।

কংগ্রেস এদিন স্থির করবে দলের অন্তর্বর্তী প্রধান কে হবেন। দলের প্রতিটি প্রাদেশিক কমিটি তাঁর নামটি অনুমোদন করলে তাঁকে স্থায়ীভাবে কংগ্রেস সভাপতি করা হবে। আপাতত দেশের পাঁচটি অঞ্চলের কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য পাঁচটি কমিটি গঠিত হয়েছে। সনিয়া ছিলেন ইস্টার্ন জোনাল কমিটির সদস্য। রাহুল ছিলেন ওয়েস্টার্ন জোনাল কমিটিতে। ওই জোনের মধ্যে আছে মহারাষ্ট্র। সেখানে কয়েকমাস বাদেই বিধানসভা ভোট হবে।

সনিয়া ও রাহুল বলেছেন, তাঁরা নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় থাকতে চান না। তাঁদের কমিটিতে রাখা ঠিক হয়নি। কংগ্রেসের নতুন নেতা ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন নাকি সর্বসম্মতভাবে কাউকে বেছে নেওয়া হবে জানা যাচ্ছে না। রাহুল গান্ধী চেয়েছিলেন, কয়েক দফা আলোচনার পরে তবেই যেন পরবর্তী কংগ্রেস প্রধানকে বেছে নেওয়া হয়। তিনি গত শুক্রবার এক বৈঠকে বলেন, বিভিন্ন প্রাদেশিক নেতৃত্ব ও পরিষদীয় দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী নেতা স্থির করা উচিত।

চলতি বছরেই বেশ কয়েকটি রাজ্যে ভোট হবে। এদিকে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদটি প্রায় দু’মাস ধরে ফাঁকা পড়ে আছে। ফলে ভোটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়নি। সংসদেও কংগ্রেস এমপিদের আচরণে নেতৃত্বহীনতাই ফুটে উঠেছে। বিজেপি লোকসভায় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করলেও কংগ্রেস সাংসদরা নির্দিষ্ট অবস্থান নিতে পারেননি। কোনও কোনও কংগ্রেস নেতা ওই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছেন। অনেকে আবার সমর্থনই করেছেন বিজেপিকে।

Comments are closed.