বুধবার, মার্চ ২০

সংসদের বাইরে মোদীর বিরুদ্ধে ধরনায় কংগ্রেস, তৃণমূল, যন্তর মন্তরে বিরোধী সমাবেশ নিয়ে জল্পনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদের বাইরে পৃথকভাবে ধরনায় বসল কংগ্রেস এবং তৃণমূল। ষোড়শ লোকসভার অধিবেশনের শেষ দিনে দিল্লির যন্তর মন্তরেও সমাবেশ করতে চলেছেন বিরোধীরা। যদিও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সেখানে যাবেন কিনা স্পষ্ট নয়। কিন্তু সকালে তৃণমূলের সমাবেশে তিনি উপস্থিত হন। তৃণমূল সাংসদদের সঙ্গে মিছিলেও পা মেলান।

কংগ্রেসের ধরনায় এদিন রাহুল বাদে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএ-র চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। সেখানে স্লোগান ওঠে, চৌকিদার চোর হ্যায়। পরে সংসদে সরকার ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করে। তাতে বলা হয়েছে, মোদী সরকার আগের ইউপিএ-র থেকে ২.৮ শতাংশ কম দামে রাফায়েল বিমান কিনেছে। যদিও রাহুল ক্যাগ রিপোর্ট মানতে চাননি। তিনি বলেন, ‘চৌকিদার অডিটর জেনারেল’।

বুধবার যন্তর মন্তরে বিরোধী সমাবেশের ডাক দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাদে আসবেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। আসার কথা আছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব, বিএসপি নেত্রী মায়াবতী, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের। অবশ্য একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, তাঁরা নিজেরা না এসে প্রতিনিধিও পাঠাতে পারেন। এছাড়া থাকছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা এবং এনসিপির শরদ পওয়ার।

এর আগে ব্রিগেডে ইউনাইটেড ইন্ডিয়া নাম দিয়ে মমতা বিরোধী সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। সেদিক থেকে এদিন দ্বিতীয়বার বিরোধী সমাবেশ হতে চলেছে। লোকসভা ভোটে বিরোধীদের একটি অন্যতম ইস্যু হল রাফায়েল। মঙ্গলবারই রাহুল একটি ই-মেল দেখিয়ে দাবি করেন, রাফায়েল চুক্তির সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শিল্পপতি অনিল অম্বানির মিডলম্যান হিসাবে কাজ করেছিলেন। চক্তি হওয়ার আগেই ওই শিল্পপতি প্যারিসে গিয়ে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।

পরে অনিল অম্বানির রিলায়েন্স ডিফেন্স থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, তথ্যকে বিকৃত করা হচ্ছে। ইচ্ছা করে বাস্তবকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। অনিল অম্বানির প্যারিস সফরের সঙ্গে রাফায়েলের কোনও সম্পর্ক ছিল না।

কংগ্রেস আগেই অভিযোগ করেছে, রাফায়েল চুক্তিতে অনিল অম্বানিকে অনৈতিকভাবে বিপুল মুনাফার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রাফায়েল নিয়ে তদন্তের আবেদন খারিজ করে দেয়। বিরোধীরা দাবি করে, সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুপ্রিম কোর্টে গোপন করে গিয়েছে।

 

Shares

Comments are closed.