কংগ্রেসে ব্যাপক গোলমাল, জয়রাম রমেশ বললেন, অনেকে এমন আচরণ করছেন যেন এখনও মন্ত্রী আছেন…

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লিতে এই নিয়ে পরপর দু’বার বিধানসভা ভোটে একটিও আসন পেল না কংগ্রেস। এই শোচনীয় পরাজয়ের পরে ব্যাপক চাপান-উতোর শুরু হয়েছে কংগ্রেসে। ভোটের ফল বেরোনর পরে আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কংগ্রেসের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি বৃহস্পতিবার বলেছেন, ভোটে কংগ্রেসের ফলাফল অত্যন্ত অসন্তোষজনক। কংগ্রেসের অপর নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, “আমাদের এখন নির্মমভাবে নিজেদের বদলে ফেলতে হবে।” এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “ক্ষমতা হারানোর ছ’বছর বাদেও আমাদের কেউ কেউ এমন আচরণ করছেন যেন এখনও মন্ত্রী আছেন।”

    রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, “সময় বদলে গিয়েছে। দেশ বদলে গিয়েছে। আমাদের মানুষের কাছে যেতে হবে।” ২০১৩ সাল অবধি মোট তিন দফায় দিল্লিতে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। দলের এই বিপর্যয়ের জন্য পারস্পরিক দোষারোপের পালা চলছে। এমনকি দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতও রেহাই পাচ্ছেন না। তিনি মারা গিয়েছেন গত বছর।

    দিল্লি কংগ্রেসের প্রধান সুভাষ চোপরা ইতিমধ্যে ইস্তফা জমা দিয়েছেন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর কাছে। সভানেত্রী তা গ্রহণ করেছেন। ইস্তফা দিয়েছেন অপর নেতা পি সি চাকো। তিনি বলেন, “দলের এই পতন শুরু হয়েছিল শীলা দীক্ষিতের সময় থেকে। আপ নামে একটা নতুন পার্টি এসে আমাদের ভোট ব্যাঙ্ক পুরোপুরি দখল করে নিল। আমরা এখনও তা ফেরত পাইনি।”

    কংগ্রেসের অপর নেতা মিলিন্দ দেওরা বলেন, “শীলা দীক্ষিত ছিলেন যোগ্য রাজনীতিক ও প্রশাসক। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, মৃত্যুর পরেও কেউ কেউ তাঁর নামে দোষ চাপাচ্ছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More