৩৭০ ধারা নিয়ে মামলা সাংবিধানিক বেঞ্চে, ইয়েচুরিকে কাশ্মীরে যেতে অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করার বিরুদ্ধে একাধিক আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সবক’টি আবেদন নিয়ে একত্রে শুনানি হল বুধবার। কাশ্মীর মামলা পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। সেখানে শুনানি শুরু হবে অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে তাদের বক্তব্য আদালতে জানাতে হবে।

    সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছিলেন, তাঁর দলীয় সহকর্মী ইউসুফ তারিগামির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে আদালতে হাজির করানো হোক। এদিন সেই আবেদনও শোনে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতিরা বলেন, তারিগামির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইয়েচুরি কাশ্মীরে যেতে পারবেন। এক আইনের ছাত্রকেও কাশ্মীরে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর নাম মহম্মদ আলিম সইদ। তাঁর বাড়ি অনন্তনাগে। তিনি দিল্লিতে পড়াশোনা করেন।

    সইদ শীর্ষ আদালতে বলেছিলেন, কাশ্মীরে তাঁর বাবা-মা রয়েছেন। কিন্তু তিনি তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। সুপ্রিম কোর্ট কাশ্মীর সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, সইদ যখন কাশ্মীরে যাবেন, তাঁকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সইদকে বলা হয়েছে, কাশ্মীর থেকে ফিরে কোর্টে হলফনামা দিয়ে তাঁকে সেকথা জানাতে হবে।

    এদিন ইয়েচুরির হয়ে সওয়াল করেন রাজু রামচন্দ্রন। তিনি বলেন, ইয়েচুরিকে কাশ্মীরে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের হয়ে আইনজীবী এস জি তুষার বলেন, বামপন্থী নেতা তারিগামি সুস্থ আছেন। রোজ তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। ইয়েচুরি কাশ্মীরে গেলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

    গত শনিবার কাশ্মীরের অবস্থা খতিয়ে দেখার জন্য যেতে চেয়েছিলেন ১১ টি বিরোধী দলের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। সীতারাম ইয়েচুরিও ছিলেন সেই দলে। দুপুর আড়াইটে নাগাদ শ্রীনগর বিমান বন্দরে পৌঁছায় বিরোধীদের প্রতিনিধি দল। এদিনই শ্রীনগরের নানা অঞ্চলে তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিমান বন্দর থেকে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    আগেই জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ দফতর থেকে শুক্রবার রাহুলদেরও আসতে বারণ করা হয়েছিল।

    জম্মু-কাশ্মীরের জনসংযোগ দফতর থেকে টুইট করে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতাদের এই সময় শ্রীনগরে যাওয়া উচিত নয়। তাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে। পরে টুইটে বলা হয়েছে, এই সময় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ ও হামলা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে…।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More