রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২

আজ গুরু পূর্ণিমা, নিয়মে মেনে চললে সুফল পাবেন সারা জীবন

অনির্বাণ

আষাঢ়ের পূর্ণিমাকে হিন্দু ধর্মে ‘গুরু পূর্ণিমা’ হিসেবে ধরা হয়। এই দিন গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। শুধু ভারতে নয়, এই দিনটি নেপালেও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। হিন্দু ধর্ম ছাড়াও বৌদ্ধ ধর্মেও এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। বৌদ্ধ পরম্পরা অনুসারে এই দিনটিতেই ভগবান বুদ্ধ সারনাথে তাঁর প্রথম উপদেশ প্রদান করেছিলেন। মনে করা হয়, এই দিন শিব প্রথম গুরু হিসেবে আবির্ভূত হন। এই দিনটি ব্যাসদেবের জন্মদিন বলেও বিবেচিত। তাই এই দিনটিকে ‘ব্যাস পূর্ণিমা’-ও বলা হয়।

মনে রাখতে হবে, ‘গুরু’ শব্দটির সৃষ্ট হয়েছে ‘গু’ ও ‘রু’ শব্দ দু’টির দ্বারা। এর অর্থ— ‘যিনি অন্ধকার দূর করেন’। ‘অন্ধকার’ বহু প্রকারের হতে পারে, সেই কথা মনে রাখলে মানতে হবে, গুরুও বহু প্রকারের হন। মন্ত্রদাতা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদাতার বাইরেও গুরু অনেক। এখানে রইল পাঁচ জন সদগুরুর বিবরণ। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন সুফল দিতে পারে সম্বৎসর।

• দীক্ষাগুরু— কেবল ধর্মীয় মন্ত্রদীক্ষা নয়, যিনি যে কোনও বিষয়ে প্রকৃত জ্ঞান দান করেন, তিনিই দীক্ষাগুরু।

• শিক্ষাগুরু— কেবল বই-খাতার জ্ঞান নয়, কারিগরি ও বাস্তববোধও প্রদান করেন এই গুরু।

• অন্নদাতা গুরু— যে ব্যক্তি জীবিকার সংস্থানে সহায়তা করেন, তিনিও গুরুস্থানীয়। তাঁকেও সম্মান জানান এই দিনে।

• বান্ধব গুরু— যে সহযাত্রী আপনাকে প্রতিনিয়ত ঋদ্ধ করছেন, বিশ্ব সংসার  সম্পর্কে সর্বদা সচেতন রাখছেন, সেই বন্ধুও আপনার গুরু।

• সব শেষে মনে রাখবেন, যিনি নিঃস্বার্থ ভাবে আপনার সঙ্গে রয়েছেন, সঙ্গ দিচ্ছেন, তিনিও গুরু।

Comments are closed.