সোমবার, অক্টোবর ১৪

মহামায়ার প্রথম পুজো করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, সেদিন ছিল অষ্টমী

অনির্বাণ

ত্রেতাযুগে ভগবান বিষ্ণু রামচন্দ্ররূপে জন্ম নিয়েছিলেন বাসন্তী শুক্লা অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে। আবার তিনিই কৃষ্ণ রূপে জন্ম নেন ভাদ্র মাসের অষ্টমীতে। আদিশক্তি মহামায়ার প্রথম পুজো করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

মহাষ্টমী তিথি মহামায়ার খুব প্রিয়। এই তিথি অসুরবিনাশী শুদ্ধসত্তার আবির্ভাব তিথি। অষ্টমী তিথিতে দেবী মহালক্ষ্মীরূপা বৈষ্ণবী শক্তি। দেবীর সেদিন রাজরাজেশ্বরী মূর্তি। দু’হাতে বর দেন ভক্তদের। শ্রেষ্ঠ উপাচার সেদিন নিবেদিত হয়। পদ্ম, জবা, অপরাজিতা, বেলপাতা-সহ নানা রকমের ফুলমালায় দেবীকে সাজানো হয়।

অষ্টমীপুজো হল দুর্গোৎসবের পাঁচটি দিনের প্রধান। একটি দিনেই পাঁচ দিনের পুজোর নির্যাস সংহত হয়ে রয়েছে। এদিন ৬৪ যোগিনী, কোটি যোগিনী, নবদুর্গা প্রমুখের আরাধনা হয়ে থাকে। এদিন ভক্তেরা দেবীকে প্রার্থনা জানিয়ে বলেন— “নমস্যামি জগদ্ধাত্রি ত্বামহং বিশ্বভাবিনি”।

অষ্টমী তিথিতে হয় আরও একধরনের দুর্গাপুজো হয়। তার নাম– বীরাষ্টমী ব্রত। ‘নারদীয় পুরাণ’-এ রয়েছে এই বীরাষ্টমী ব্রতের কথা। আশ্বিনমাসের শুক্লা অষ্টমীতে হয় এই ব্রত এবং আট বছর এই ব্রত করতে হয়। বীর সন্তান প্রাপ্তির জন্য এই ব্রতের সাধনা। রাজস্থানের রমণীরা আজও দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে বীরপুত্র লাভের জন্য বীরাষ্টমী ব্রত পালন করে থাকেন।

Comments are closed.