কনটেনমেন্ট জ়োনগুলিকে আরও ছোট ছোট ভাগ করে, ২১ তারিখ থেকে দোকানপাট খোলা হবে নিয়ম মেনে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের কনটেনমেন্ট জ়োনগুলিকে তিন ভাগে ভাগ করে দোকানপাট খোলার ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, ১৮ মে থেকে যে চতুর্থ দফার লকডাউন শুরু হয়েছে সারা দেশজুড়ে, তার নিয়মকানুন কী হবে, কী কী খুলবে বা কী কী বন্ধ থাকবে তাই নিয়ে আজ, সোমবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে খোলাখুলি আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, রাজ্যের কনটেনমেন্ট জোনগুলিকে বুথ অনুযায়ী এবং ওয়ার্ড অনুযায়ী ভাগ করা হয়েছে তিন ভাগে। এ জ়োন, বি জ়োন, সি জ়োন। এখানে এ অর্থে– এফেক্টেড জোন, বি অর্থে– বাফার জ়োন, সি অর্থে– ক্লিন জ়োন।

    এই এ জ়োনে অর্থাৎ যেখানে করোনা সংক্রমণের প্রভাব সবচেয়ে বেশি, এখানে কিছু খোলা হবে না। সব রকম দোকানপাট বন্ধ থাকবে। অতি জরুরি পরিষেবা ছাড়া আর কিছুই মিলবে না। বি অর্থাৎ বাফার জ়োনে শর্তসাপেক্ষে কিছু কিছু দোকানপাট এখানে খোলা যাবে। সি অর্থাৎ ক্লিয়ার জ়োনে সংক্রমণ প্রায় শূন্য, তাই এই সব এলাকায় বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল থাকবে।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ভাবে জ়োন অনুযায়ী ২১ তারিখ থেকে রাজ্যের সমস্ত এলাকার বড় ও ছোট দোকানগুলি খুলে যাবে।

    পাশাপাশি হকার্স মার্কেটগুলি খোলার ব্যাপারে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, পুলিশ কমিশনার, পুর দফতরের সচিব ও কমিশনার এবং পুর নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি হকার্স মার্কেট খোলার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করবে।

    এখনও অবধি যা ঠিক করা হয়েছে, তাতে এই সব দোকানগুলো একটা বাদ দিয়ে পাশেরটা খুলবে এক একটি বিকল্প দিনে। ১, ২, ৩, ৪– এরকম নম্বর হিসেবে পাস দেওয়া হবে দোকানগুলিতে। জোড় সংখ্যা ও বিজোড় সংখ্যা হিসেবে ২৭ মে থেকে এই সব দোকানগুলি খুলবে।

    তবে সব দোকানে দোকানদারদের গ্লাভস ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সেলুন বা চুল কাটার দোকান ও বিউটি পার্লারও খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নাপিত ভাইদের বলা হচ্ছে, যে সামগ্রী দিয়ে চুল দাড়ি কাটবেন তা স্যানিটাইজ করে নেবেন।”

    নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই সব ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, নিয়ম শিথিল হলেও প্রত্যেকের উচিত সব রকম নিয়ম মেনে চলা, মাস্ক পরে থাকা। এতে নিজেরও সুরক্ষা, অপরেরও সুরক্ষা। দোকান খুললেই ভিড় করবেন না। নিজেদের চেষ্টাতেই সাবধানে থাকতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More