শনিবার, ডিসেম্বর ১৪
TheWall
TheWall

এনডিএর বৈঠকে যোগ দেবে না, শীতকালীন অধিবেশনের আগে জানাল শিবসেনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিবসেনা জোট সরকার গড়তে না পারায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন শিবসেনার একমাত্র প্রতিনিধি। এবার তারা বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) থেকেও বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিল। আগামী সোমবারই সংসদে শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই অধিবেশনের আগে এনডিএর বৈঠকে যোগ দিচ্ছে না শিবসেনা।

আরও পড়ুন: লোকসভায় শীত অধিবেশনের তালিকায় বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল

নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই আজ শনিবার বিকেলে রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে শিবাসেনা, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ও কংগ্রেস। শোনা যাচ্ছে রবিবার এনডিএ সভাপতি শরদ পওয়ার ও কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর বৈঠকের পরেই সরকার গড়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। ঠিক হবে কংগ্রেস সরকারে থাকবে নাকি বাইরে থেকে সমর্থন করবে। তা হলে আজ তারা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করছে কেন? সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে কৃষকদের অবস্থার কথা বলবেন নবনির্বাচিতরা।

বিজেপি-বিরোধী তিন দল যে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ছে তা নিশ্চিত করেছেন শরদ পওয়ার। এদিন তাঁর দলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শিবসেনা থেকেই।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনা থেকেই, সরকারে যোগ দেওয়া নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের: এনসিপি

যদিও এই অবস্থার মধ্যেও বিজেপি-শিবসেনা টানাপোড়েন অব্যাহত। বিজেপি এখন বিধায়ক কিনে সরকার গড়তে চাইছে বলে দলীয় মুখপাত্র সামনায় অভিযোগ তুলেছে শিবসেনা।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুযোগে বিধায়ক কিনতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ শিবসেনার

২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় জোট বেঁধে ভোটে লড়েছিল বিজেপি ও শিবসেনা। ২৪ অক্টোবর ভোটের ফল প্রকাশিত হয়। শিবসেনা ও বিজেপি যৌথভাবে সরকার গড়ার মতো গরিষ্ঠতা পেয়েছিল। বিজেপি ১০৫, শিবসেনা ৫৬, এনসিপি ৫৪ ও কংগ্রেস ৪৪টি আসন পেয়েছিল।

শিবসেনা দাবি করে, ৫০-৫০ ফর্মুলায় সরকার গঠন করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর পদটি তাদের ছেড়ে দিতে হবে আড়াই বছরের জন্য। তাদের দাবি, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ শিবসেনার শীর্ষ নেতা উদ্ধব ঠাকরেকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যদিও বিজেপি এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা স্বীকার করেনি। শেষ পর্যন্ত জোট ভেঙে যায়।

তার পরে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্ক শুরু হয় মহারাষ্ট্রে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গড়তে পারেনি কোনও দলই। তাই মহারাষ্ট্রে এখন চলছে রাষ্ট্রপতি শাসন।

Comments are closed.