কাঁচের ওপারে করোনা পজিটিভ মা, এপারে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়ার বায়না ছোট্ট মেয়ের

প্রতিদিনই বিশেষ করে ঘুম পেলে ছোট্ট মেয়েটি চলে আসে মায়ের বেডরুমের জানলার কাছে। কাঁচের উপরে ছোট্ট ছোট্ট আঙুল গুলো রাখে। বলতে চায়, "মা তোমার সঙ্গে ঘুমাবো।"

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ নিয়ে বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা আলিফিয়া জাফেরি। কিন্তু তাঁর কোলের মেয়েটি যে করোনাভাইরাস বোঝে না, কোয়ারেন্টাইন কী সেটাও জানে না। তাই কাঁচের দেওয়ালের এক পারে ঘুম পারিয়ে দেওয়ার জন্য মেয়ের চোখের জল পরে আর কাঁচের ওপারে অসহায় মায়ের চোখের জল বাঁধ মানে না। এমনই এক করুণ ছবি তুলে ধরেছে মুম্বইয়ের স্থানীয় পোর্টাল ‘হিউম্যানস অফ মুম্বই’।

    ১৭ মাসের মেয়ের থেকে একই বাড়িতে আলাদা থাকা যে কী যন্ত্রণার সেটাই জানিয়েছেন আলিফিয়া। তিনি বলেন, “খুবই সামন্য উপসর্গ দেখা দিয়েছে আমার। সেই কারণে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি। হাসপাতালের তুলনায় সেটা অনেক সুবিধার। কিন্তু ছোট্ট মেয়ের থেকে একই বাড়িতে আলাদা থাকাটা খুবই কষ্টের‌।” আলিফিয়া বলেন, তিনি যখন জানতে পারেন যে তাঁর কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজিটিভ তখন চিকিৎসককে প্রথম প্রশ্ন করেন, আমার মেয়ের রিপোর্ট কী? না, সৌভাগ্যের বিষয়, ছোট্ট মেয়েটির রিপোর্ট নেগেটিভ।

    আরও পড়ুন

    বৃদ্ধির পথে ফিরবে ভারত, বিশ্বাস করুন, এটা কঠিন নয়: সিআইআইয়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিদিনই বিশেষ করে ঘুম পেলে ছোট্ট মেয়েটি চলে আসে মায়ের বেডরুমের জানলার কাছে। কাঁচের উপরে ছোট্ট ছোট্ট আঙুল গুলো রাখে। বলতে চায়, “মা তোমার সঙ্গে ঘুমাবো।” কিন্তু সেটা যে সম্ভব নয়, তা তাকে বোঝানোই মুশকিল। আলিফিয়া বলেন, “সেই মুহূর্তটায় আমার মন-প্রাণ চায় ওর সঙ্গে থাকতে, কিন্তু আমি জানি, আমি পারব না।”

    “ওর বাবা ও পিসি যথেষ্টই যত্ন নেন কিন্তু মাঝরাতে যখন ও মায়ের কাছে যাব বলে কান্না জোড়ে তখন আমার বুকটা ভেঙে যায়।” ‘হিউম্যানস অফ মুম্বই’-কে বলেছেন আলিফিয়া।

    "When the doctor told me I had Covid, my first question was, 'What about my daughter?' Thankfully, my 17 month old baby…

    Humans of Bombay এতে পোস্ট করেছেন মঙ্গলবার, 2 জুন, 2020

    এই ছবি পোস্ট করেছে ‘হিউম্যানস অফ মুম্বই’ তাদের ফেসবুক পেজে। আর তা শয়ে শয়ে শেয়ার হয়েছে। হাজার লাইকস আর কমেন্ট। কেউ সন্তানের জন্য মায়ের কষ্টে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কেউ বাচ্চাটির জন্যই যেন মা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন সেই প্রার্থনা করেছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More