বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৭

দিল্লি কংগ্রেসের নতুন সভানেত্রী শীলা দীক্ষিত

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে গত সপ্তাহেই ইস্তফা দিয়েছেন অজয় মাকেন। এবার ওই পদে এলেন ৮০ বছরের কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। তিনি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তাঁর মা সোনিয়া গান্ধীর বিশেষ ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, শীলাকে সাহায্য করার জন্য থাকবেন দুই উপসভাপতি। ৫৪ বছর বয়সী অজয় মাকেন স্বাস্থ্যের কারণে গত ৪ জানুয়ারি প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন। তিনি চার বছর ওই পদে ছিলেন।

লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে যাতে ভালো ফল হয়, সেজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। গতবার দিল্লির সাতটি লোকসভা কেন্দ্রেই জিতেছিল বিজেপি। ভোটের আগে যখন পার্টিকে চাঙা করে তোলা হচ্ছে, তখন প্রদেশ কংগ্রেস সভানেত্রী হিসাবে শীলার নিয়োগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

বিদায়ী প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অজয় মাকেন টুইট করে বলেছেন, অতীতে সংসদীয় সচিব এবং মন্ত্রী হিসাবে শীলা দীক্ষিতের অধীনে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। তাঁর প্রতি আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। তাঁর নেতৃত্বে আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারব।

১৯৯৮ সালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন শীলা দীক্ষিত। পরপর তিন দফায় মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিনি রেকর্ড গড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীরও বিশেষ আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। ইন্দিরা তাঁকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে পাঠিয়েছিলেন।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন শীলা। জেসিকা লাল হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত মনু শর্মাকে ২০০৯ সালে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তখন ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ২০১০ সালে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অভিযোগ করেন, দিল্লিতে কমনওয়েলথ গেমের সময় বিদেশ থেকে যে রাস্তার আলো আমদানি করা হয়েছিল, সেক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে গত বিধানসভা ভোটে শীলাকে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল। তিনি রাজ্য জুড়ে প্রচারও করেছিলেন।

Shares

Comments are closed.