মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২

পওয়ারের কাছে শিবসেনা এমপি, জল্পনা তুঙ্গে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে ৯ নভেম্বর। বুধবার এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। পওয়ার অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি বিরোধী আসনে বসতে পছন্দ করবেন। সঞ্জয় রাউত আগেও বার দু’য়েক পওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এদিন তিনি ফের ‘মারাঠা স্ট্রংম্যানের’ সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে নানা মহলে।

মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে অনড় মনোভাব দেখাচ্ছে শিবসেনা ও বিজেপি দু’পক্ষই। বুধবার শিবসেনার পক্ষে সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, আমাদের নতুন করে কোনও প্রস্তাব দেওয়ার নেই।  অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, আলোচনার জন্য আমাদের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা আছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী হবেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। আমরা এ ব্যাপারে কোনও সমঝোতা করব না।

সঞ্জয় রাউত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সমঝোতার ভিত্তিতেই আমাদের জোট তৈরি হয়েছিল। তার ভিত্তিতেই আমরা একসঙ্গে ভোটে লড়েছি। এখন নতুন করে প্রস্তাব দিয়ে সময় নষ্ট করার দরকার কী?”

পরে ওই রাজ্যসভার সাংসদ বলেন, “যে প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে, তার ভিত্তিতেই দুই দলের মধ্যে কথা হতে পারে। মহারাষ্ট্রে যদি রাষ্ট্রপতির শাসন হয়, তার পরিণাম মানুষের পক্ষে ভালো হবে না।” এরপরেই সঞ্জয় রাউত বিজেপির নাম না করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। তাঁর কথায়, “যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা জনাদেশকে অপমান করতে চায়।”

শিবসেনার প্রস্তাব, ৫০-৫০ ফরমুলায় সরকার গঠন করতে হবে। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর পদটি তাদের ছাড়তে হবে আড়াই বছরের জন্য। তাদের দাবি, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ নিজে আশ্বাস দিয়েছিলেন, এই দু’টি শর্তের ভিত্তিতেই সরকার গড়বে শিবসেনা-বিজেপি।

মঙ্গলবার শিবসেনার মুখপত্র ‘সামনা’-য় লেখা হয়েছে, দিল্লি এখন ভয়াবহ ধোঁয়াশার কবলে পড়েছে। মহারাষ্ট্রে এতদিন যিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তিনি এখন দিল্লিতে গিয়েছেন। মুম্বইতে ফিরে ফড়নবিশ কী পদক্ষেপ নেবেন, তার ওপরে এই রাজ্যের রাজনীতি অনেকদূর নির্ভর করবে।

Comments are closed.