রামায়ণের দেশে ‘স্বয়াসদী পিএম মোদী’, প্রবাসীদের মন জয়ের চেষ্টা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের মতো সেই দেশেও অযোধ্যা আছে, দেশ যিনি শাসন করেন তাঁর উপাধি হয় রাম।  সংস্কৃত থেকে তাদের বহু শব্দের উৎপত্তি।  সেই শ্যামদেশে গিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতির আবহেই ভারতীয় বংশোদ্ভুত ও প্রবাসী-অনাবাসী ভারতীয়দের সভায় বলবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  এখানে তাঁর সভার নাম ‘হাউডি মোদী’ নয়, ‘স্বয়াসদী পিএম মোদী’।

    সংস্কৃত শব্দ স্বস্তি থেকেই উৎপন্ন হয়েছে থাই শব্দ স্বয়াসদী।  শ্যামদেশ, মানে থাইল্যান্ডে কাউকে অভ্যর্থনা জানাতে এবং বিদায় সম্ভাষণে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাই থাইল্যান্ডের ভারতীয়দের সভার নাম ‘স্বয়াসদী পিএম মোদী’।

    থাইল্যান্ডের সাবেক রাজধানীর নাম ভারতীয় উচ্চারণে অযোধ্যা। যদিও থাই উচ্চারণে তা হল অয়ুথায়া। থাইল্যান্ডে যিনি রাজা হন, তিনি রাম উপাধি নিয়েই সিংহাসনে বসেন।  বর্তমান রাজার নাম দশম রাম, তাঁর প্রকৃত নাম মহা বজিরালঙ্কর্ণ।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে একটি স্মারক মুদ্রা এবং তামিল গ্রন্থ তিরুক্কুরালের থাই অনুবাদ প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

    আসিয়ানে (অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথ ইস্ট এশিয়ান নেশনস) যোগ দিতে তিনদিনের সফরে শনিবার থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  এই সফরেই তিনি যোগ দেবেন ইস্ট এশিয়া অ্যান্ড রিজিয়নাল কমপ্রিয়েনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপেও (আরসিইপি) যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরই ফাঁকে তিনি বলবেন ‘স্বয়াসদী পিএম মোদী’-তে।  ব্যাঙ্ককে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে একযোগে থাই ইন্ডিয়ানরা ‘স্বয়াসদী পিএম মোদী’ আয়োজন করেছেন।

    রবিবার ৩ নভেম্বর ষোড়শ আসিয়ান বৈঠকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুৎ চ্যান-ও-চা-এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী কো-চেয়ার হিসাবে থাকবেন।  মোদী এই তিনি সপ্তমবার আসিয়ানে ও ষষ্ঠ বার আরসিইপি-তে যোগ দিচ্ছেন।

    প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তাঁর মন্ত্রক থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হবে, সেসব বিষয়েই বিশ্বের অন্য দেশের নেতাদের সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  সব বৈঠকই হবে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে।

    আসিয়ানের সদস্য দেশগুলি হল ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, কাম্বোডিয়া, মায়ানমার ও লাওস।  এই দশ দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায় ভারত।

    ভারতের যে অ্যাক্ট ইস্ট নীতি রয়েছে, সেই নীতির বিচারে আসিয়ানে বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  বাণিজ্যিক তো বটেই, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান ও আস্থাবর্ধক পদক্ষেপের বিচারেও এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ।

    পড়ুন দ্য ওয়ালের পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯এ প্রকাশিত গল্প: স্যার, আমি খুন করেছি

    http://www.thewall.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a6%bf/

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More